টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি অপ্রতিসম প্রাণী?

A.

ইলিশ

B.

তারামাছ

C.

অ্যামিবা

D.

হাইড্রা

সঠিক উত্তরঃ C.

অ্যামিবা

Explanation:


Another Explanation (5):

অপ্রতিসম প্রাণী: অ্যামিবা

অপ্রতিসমতা কী? 🤔

শারীরিক গঠনের ভিত্তিতে প্রাণীদের বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। প্রতিসাম্য (Symmetry) হলো সেই শ্রেণীগুলির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈশিষ্ট্য। প্রতিসাম্য বলতে বোঝায় কোনো বস্তুকে কতগুলো সমান অংশে ভাগ করা যায় এবং সেই অংশগুলো দেখতে কেমন।
  • প্রতিসম প্রাণী: এদের দেহকে এক বা একাধিক অক্ষ বরাবর সমান দুটি অংশে ভাগ করা যায়। যেমন: মানুষ, প্রজাপতি 🦋, তারা মাছ 🌟 ইত্যাদি।
  • অপ্রতিসম প্রাণী: এদের দেহকে কোনো অক্ষ বরাবর সমান দুটি অংশে ভাগ করা যায় না। অর্থাৎ এদের কোনো নির্দিষ্ট আকার বা আকৃতি থাকে না।

অ্যামিবা কেন অপ্রতিসম? 🤷‍♀️

অ্যামিবা (Amoeba) হলো প্রোটিস্টা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত একককোষী প্রাণী। এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
  1. অ্যামিবার কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই।
  2. এটি ক্ষণপদ (Pseudopodia) তৈরির মাধ্যমে চলাচল করে এবং খাদ্য গ্রহণ করে। ক্ষণপদগুলো ক্ষণিকের জন্য তৈরি হয় এবং প্রয়োজন শেষে মিলিয়ে যায়।
  3. যেহেতু এর আকার постоянно পরিবর্তিত হয়, তাই একে কোনো নির্দিষ্ট জ্যামিতিক আকারে ফেলা যায় না।

অ্যামিবার বৈশিষ্ট্য 📝 (টেবিল আকারে)

বৈশিষ্ট্য বর্ণনা
কোষের সংখ্যা এককোষী 🦠
আকার অনিয়মিত (অপ্রতিসম) 🧽
চলন ক্ষণপদের সাহায্যে 👣
খাদ্য গ্রহণ ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় 🍔🍕🍟
প্রজনন দ্বি-বিভাজন (Binary Fission) পদ্ধতিতে 🧬

অপ্রতিসম প্রাণীর গুরুত্ব 💯

যদিও অ্যামিবার মতো অপ্রতিসম প্রাণীরা জটিল নয়, বাস্তুতন্ত্রে এদের ভূমিকা অনেক।
  • এরা খাদ্য শৃঙ্খলের অংশ হিসেবে অন্যান্য ছোট প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 🐟
  • জৈবindicatore হিসাবেও কাজ করে।🧪

সুতরাং, অ্যামিবা একটি আদর্শ অপ্রতিসম প্রাণী। 👍

আরও কিছু তথ্য 🤔

অ্যামিবা সাধারণত পুকুর, খাল, বিল ইত্যাদি জলাশয়ে পাওয়া যায়।💧

অ্যামিবা রোগ সৃষ্টিকারীও হতে পারে, যেমন এন্টামিবা হিস্টোলাইটিকা (Entamoeba histolytica) নামক অ্যামিবা আমাশয় রোগের জন্য দায়ী। 🤢

Option A Explanation:
  • ইলিশ: ইলিশ হচ্ছে একটি জনপ্রিয় মাছ যা মূলত মিঠা ও সামুদ্রিক পানিতে পাওয়া যায়। তবে, বিশেষ করে বাংলাদেশের নদী ও খালবিলের মিঠা পানিতে ইলিশের প্রজনন ও বাসস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই মাছটি দেশের নদী-পানির পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল এবং এর প্রজনন স্থানগুলো প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষিত থাকায় এটি মিঠা পানির এন্ডেমিক হিসেবে বিবেচিত।
Option B Explanation:
  • তারামাছ একটি অপ্রতিসম প্রাণী, কারণ এর শরীরের গঠন দেহের একপাশে অন্যপাশের তুলনায় ভিন্ন।
  • অপ্রতিসমতা মানে শরীরের একপাশ অন্যপাশের তুলনায় সমান নয় বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
  • তারামাছের শরীরের দিক ও আকারের বৈচিত্র্য দেখা যায়, যা এটিকে অপ্রতিসম প্রাণী করে তোলে।
Option C Explanation:

অ্যামিবা সম্পর্কে বিস্তারিত

  • প্রজাতি: অ্যামিবা (Amoeba)
  • ত্রিস্তরী: হ্যাঁ, অ্যামিবা ত্রিস্তরী (প্রথম, মধ্যম, এবং বাহ্যিক স্তর) প্রাণী হিসেবে বিবেচিত
  • অবস্থান: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়
  • প্রজনন: সাধারণত অঙ্গপ্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে বিভাজন (সেল ডিভিশন)
  • উপাদান: একক কোষবিশিষ্ট এবং বিভিন্ন ধরনের জীবজনিত কার্য সম্পাদন করতে সক্ষম
  • নির্মাণ: সহজতর অঙ্গপ্রতিও নেই, তবে কোষের ভিতরে বিভিন্ন অংশ থাকে যেমন নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম ইত্যাদি
Option D Explanation:

হাইড্রা

  • প্রাণী: হাইড্রা (Hydra)
  • ত্রিস্তরী গঠন: হাইড্রা ত্রিস্তরী প্রাণী, অর্থাৎ এর শরীরে তিনটি স্তর থাকে।
  • স্তরসমূহ:
    • একটি বাহ্যিক স্তর (Ectoderm)
    • মাঝের স্তর (Mesoderm)
    • অভ্যন্তরীণ স্তর (Endoderm)
  • অর্থ: এই ত্রিস্তরী গঠন তাকে জটিল ও কার্যক্ষম করে তোলে, যেমন চলাচল ও খাদ্য গ্রহণে সুবিধা করে।
  • উপকারিতা: সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং ছোট জলজ প্রাণী হিসেবে পরিচিত।