টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

R- প্লাজমিডে থাকে-

A. ক্যালিসিন
B. ভিব্রিওসিন
C. এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন
D. F- জীন
সঠিক উত্তরঃ C. এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন
Explanation: R- প্লাজমিডে থাকে- Option A :ক্যালিসিন ভুল, কারণ এটি কোনো প্রোটিন নয়। Option B :ভিব্রিওসিন ভুল, কারণ এটি একটি প্রোটিন নয়। Option C :এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন সঠিক উত্তর, কারণ R-প্লাজমিড জীবাণুকে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী করে তোলে। Option D :F- জীন ভুল, কারণ এটি R-প্লাজমিডের অংশ নয়। নোট: R-প্লাজমিড ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য বিস্তার করে।
Another Explanation (5):

R- প্লাজমিডে থাকে কি?

R- প্লাজমিড হলো একটি বিশেষ ধরনের প্লাজমিড যা ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে বিদ্যমান হয়। এটি মূলতঃ এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন বহন করে। এই জীনগুলো ব্যাকটেরিয়াকে বিভিন্ন ধরণের এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী করে তোলে।

বিশদ ব্যাখ্যা:

  • R- প্লাজমিড একটি ছোট, সিঁড়ি আকারের জীনাবাহী উপাদান যা মূলতঃ ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে স্বতঃস্ফূর্তভাবে থাকে।
  • এটি মূল প্লাজমিডের মতোই বিভিন্ন জীন বহন করতে পারে, যার মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বিভিন্ন ধরণের এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
  • R- প্লাজমিডের উপস্থিতিতে ব্যাকটেরিয়া একাধারে অনেক ধরনের এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধেও টিকে থাকতে পারে, ফলে এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা কঠিন হয়ে পড়ে।

চিত্রঃ R- প্লাজমিডের কার্যপ্রণালী

প্রকার বর্ণনা উদাহরণ
R- প্লাজমিড এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন বহন করে blaOXA, NDM-1

উপসংহার:

অতএব, R- প্লাজমিড মূলতঃ এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন বহন করে, যা ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধের মূল কারণ। এই জীনগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন সংক্রমণ চিকিৎসা আরও কঠিন হয়ে যায়।

🔬💊🦠

Option A Explanation:
  • ক্যালিসিন হলো একটি প্রোটিন যা সাধারণত জীবাণুর মধ্যে উপস্থিত থাকে এবং এটি বিভিন্ন ধরণের সিগন্যাল ট্রান্সডাকশন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি সাধারণত সেলুলার প্রসেস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, যেমন: সেল ডিভিশন, ডিপিপি, এবং অন্যান্য সেলুলার কার্যকলাপ।
  • ক্যালিসিনের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে ক্যালসিয়াম আয়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যেখানে এটি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনে গুরুত্বপূর্ণ একটিভেটর হিসেবে কাজ করে।
  • প্রোটিন ক্যালিসিনের মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে বিভিন্ন এঞ্জাইম এবং অন্যান্য প্রোটিনের গঠন পরিবর্তন করে তাদের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
Option B Explanation:
  • ভিব্রিওসিন (Vibriocin): এটি একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পদার্থ যা ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস বা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়।
  • বিশেষ করে, এটি ভিব্রিও ব্যাকটেরিয়াকে লক্ষ্য করে কাজ করে এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম হতে পারে এবং বিভিন্ন ধরনের ভিব্রিও সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিকের মতো কাজ করে, ব্যাকটেরিয়াকে হত্যা বা তাদের বৃদ্ধিকে বাধা দেয়।
Option C Explanation:

এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন

  • অর্থ: এগুলি হল জীন যা ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে থাকে এবং তাদেরকে এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী করে তোলে।
  • ক্রিয়াকলাপ: এই জীনসমূহ ব্যাকটেরিয়ার জন্য এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া অকার্যকর হয়ে ওঠে।
  • উদাহ???ণ: ব্ল্যাকিসিলিন, এসপি-এমইউ-প্রিন, এনআরআই, এমআরএসA ইত্যাদি জীনসমূহ এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীন হিসেবে পরিচিত।
  • প্রভাব: এই জীনসমূহের উপস্থিতি রোগের চিকিৎসাকে জটিল করে তোলে, কারণ এগুলি এন্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় বা সম্পূর্ণ অকার্যকর করে দেয়।
  • প্রতিরোধ: এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্কতা, নিয়মিত সংক্রমণ পরীক্ষা, এবং নতুন এন্টিবায়োটিক বিকাশের মাধ্যমে এই প্রতিরোধের বিরুদ্ধে লড়াই করা হয়।
Option D Explanation:
  • F- জীন: এটি একটি জীন যা রেজিস্ট্রিতে থাকে এবং ফ্ল্যাগেলিনের জন্য দায়ী।
  • ফ্ল্যাগেলিন হল এক ধরনের প্রোটিন যা ব্যাকটেরিয়া চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • F- জীন সাধারণত প্লাজমিডে থাকে এবং ট্রান্সফার বা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে অন্য ব্যাকটেরিয়ায় স্থানান্তরিত হতে পারে।
  • এটি জেনেটিক অ্যাডভান্সমেন্টে গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে জেনেটিক ইমিউনিটি বা গুণাবলী দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সহায়ক।