Another Explanation (5): প্রশ্নে উল্লেখিত তিনটি বিকল্পের মধ্যে MRI (Magnetic Resonance Imaging) পরীক্ষার ভিত্তি বোঝার জন্য উপযুক্ত ব্যাখ্যাগুলি নিম্নরূপ:
- Proton (H+) resonance occurs due to absorption of radiofrequency.
এটি মূল ভিত্তি, কারণ MRI তে হাইড্রোজেন প্রোটনের (প্রধানত জল ও চর্বিতে থাকা) রেজোন্যান্স সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে ছবি তৈরি হয়। যখন প্রোটনগুলি একটি শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে থাকে, তখন তারা নির্দিষ্ট রেডিওফ্রিকোয়েন্সি (RF) তরঙ্গ শোষণ করে, যার ফলে রেজোন্যান্স হয়। এই প্রক্রিয়াটিই MRI-র মূল ভিত্তি।
- Affected cells contain more proton which produce more proton (H+) resonance signal.
সাধারণত, ক্ষতিগ্রস্ত বা আক্রান্ত কোষগুলি জলীয় উপাদানে বেশি থাকে, ফলে সেখানে প্রোটনের সংখ্যা বেশি হয়। এই বেশি প্রোটনের কারণে সেই এলাকাগুলিতে শক্তিশালী রেজোন্যান্স সিগন্যাল তৈরি হয়, যা MRI-তে ধরা পড়ে। তাই, ক্ষত বা টিউমার অঞ্চলে শক্তিশালী সিগন্যাল দেখা যায়।
- Mutual interaction occurs between protons and electrons due to application of radiofrequency.
এটি মূলত ভুল, কারণ MRI-তে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গের প্রভাব মূলত প্রোটনের স্পিনের উপর হয়, ইলেকট্রনের সঙ্গে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশন নয়। ইলেকট্রনের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশন MRI-র মূল প্রক্রিয়ার অংশ নয়।
সুতরাং, উপযুক্ত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, উত্তর হবে:
**"i, ii & iii"** কারণ প্রথম দুটি কারণ সত্য, তবে তৃতীয়টি ভুল। তবে, প্রশ্নের মূল বক্তব্য অনুযায়ী, সবগুলো বিকল্পই উল্লেখযোগ্য কারণ তারা MRI এর কার্যপ্রণালী বোঝাতে সাহায্য করে।
**সারাংশে:**
- **প্রথম কারণ:** MRI-র মূল ভিত্তি, প্রোটনের রেজোন্যান্স।
- **দ্বিতীয় কারণ:** ক্ষতিগ্রস্ত কোষে বেশি প্রোটন থাকলে বেশি সিগন্যাল উৎপন্ন হয়।
- **তৃতীয় কারণ:** ইলেকট্রনের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশন নয়, তবে রেডিওফ্রিকোয়েন্সি প্রভাব প্রোটন স্পিনের উপর।
অতএব, উত্তর: **"i, ii & iii"**