টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন ঔষধ উৎপাদনের জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না?

A. এন্টিহিস্টামিন 
B. এন্টিবায়োটিক 
C. হরমোন 
D. ভ্যাক্সিন 
সঠিক উত্তরঃ B. এন্টিবায়োটিক 
Explanation:

Another Explanation (5):

কোন ঔষধ উৎপাদনে জৈব প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় না? 🤔

ভূমিকা

জৈব প্রযুক্তি (Biotechnology) ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ঔষধ তৈরি করা হয়। তবে, কিছু ঔষধ আছে যা রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি করা হয় এবং সেগুলোতে জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার তেমনটা দেখা যায় না।

জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদিত ঔষধ 💊

  • ইনসুলিন (Insulin): ডায়াবেটিস রোগের জন্য ইনসুলিন উৎপাদনে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
  • ভ্যাকসিন (Vaccine): অনেক ভ্যাকসিন উৎপাদনে জৈব প্রযুক্তি যেমন রিকম্বিনেন্ট প্রোটিন বা ভাইরাল ভেক্টর ব্যবহার করা হয়।
  • মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি (Monoclonal Antibody): ক্যান্সার এবং অন্যান্য রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই ঔষধ জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়।
  • গ্রোথ হরমোন (Growth Hormone): এটিও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়।
  • ইন্টারফেরন (Interferon): এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং জৈব প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি হয়।

যে ঔষধ উৎপাদনে জৈব প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয় না 🧪

  • এন্টিবায়োটিক (Antibiotics): কিছু ক্ষেত্রে এন্টিবায়োটিক উৎপাদনে জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলেও, বেশিরভাগ এন্টিবায়োটিক রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। পেনিসিলিন (Penicillin) আবিষ্কারের শুরুতে প্রাকৃতিক উৎস থেকে সংগ্রহ করা হতো, কিন্তু বর্তমানে অনেক এন্টিবায়োটিক ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হয়।

কেন এন্টিবায়োটিক উৎপাদনে জৈব প্রযুক্তি কম ব্যবহৃত হয়? 🧐

  1. রাসায়নিক সংশ্লেষণ: অনেক এন্টিবায়োটিকের রাসায়নিক গঠন বেশ সরল হওয়ায় এগুলোকে সহজেই ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা যায়।
  2. উৎপাদন খরচ: রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে উৎপাদন সাধারণত জৈব প্রযুক্তির তুলনায় কম ব্যয়বহুল।
  3. দ্রুত উৎপাদন: রাসায়নিক পদ্ধতিতে ঔষধ দ্রুত উৎপাদন করা সম্ভব।

তুলনামূলক তালিকা 📊

ঔষধের ধরন জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার রাসায়নিক সংশ্লেষণ
ইনসুলিন ✅ ❌
ভ্যাকসিন ✅ (কিছু ক্ষেত্রে) ❌
এন্টিবায়োটিক ❌ (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে) ✅

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ✅

  • জৈব প্রযুক্তি ঔষধ উৎপাদনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • তবে, সব ঔষধ জৈব প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয় না।
  • এন্টিবায়োটিকের মতো কিছু ঔষধ রাসায়নিক সংশ্লেষণের মাধ্যমে তৈরি করা হয়।

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে সাহায্য করবে। 😊

Option A Explanation:
  • এন্টিহিস্টামিন: এটি এমন ঔষধ যা হিস্টামিনের কার্যকলাপকে বাধা দেয়।
  • প্রধানত অ্যালার্জি উপসর্গ যেমন খাবার এলার্জি, হাঁপানি, নাকের ক্ষরণ ইত্যাদির চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
  • এন্টিহিস্টামিনের উৎপাদনে সাধারণত জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার হয় না।
  • এটি মূলত রাসায়নিক সংশ্লেষের মাধ্যমে তৈরি হয়।
Option B Explanation:

এন্টিবায়োটিক

  • এন্টিবায়োটিক হলো ঔষধ যা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি জীবাণুর বৃদ্ধিকে বাধা দেয় বা তাদের মারতে সক্ষম।
  • এন্টিবায়োটিকের উৎপাদনে জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার সাধারণত হয়, যেমন ব্যাকটেরিয়া বা সুক্ষ্ম জীবাণুর মাধ্যমে উৎপাদন।
  • তবে, কিছু ক্ষেত্রে রাসায়নিক পদ্ধতিতে বা কৃত্রিমভাবে এন্টিবায়োটিক তৈরি হয়, যেখানে জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার হয় না।
Option C Explanation:
  • হরমোন: এটি রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয় এবং বিভিন্ন অঙ্গ ও টিস্যুকে নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় করতে সাহায্য করে।
  • শরীরের বিভিন্ন কার্যকলাপ যেমন বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন, এবং মেজাজ নিয়ন্ত্রণে হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি সাধারণত গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়, যেমন থাইরয়েড গ্রন্থি, অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি, পিটিউটারি গ্রন্থি ইত্যাদি।
  • হরমোনের কার্যকলাপ ধীরগতি সম্পন্ন হলেও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
  • উদাহরণস্বরূপ: ইনসুলিন, অ্যাড্রেনালিন, এস্ট্রোজেন, টেষ্টোস্টেরোন ইত্যাদি।
Option D Explanation: ```html
  • ভ্যাক্সিন: ভ্যাক্সিন হলো এক ধরনের ঔষধ যা শরীরে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। এটি সাধারণত জীবাণুর ক্ষুদ্র অংশ বা সম্পূর্ণ জীবাণুর দুর্বল বা মৃত রূপ দিয়ে তৈরি করা হয়। যখন কেউ ভ্যাক্সিন গ্রহণ করে, তখন তার শরীর রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে, ফলে ভবিষ্যতে যদি ওই রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে শরীর দ্রুত ও শক্তিশালীভাবে প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়।
```