Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তরে সঠিক উত্তর হলো:
i, ii ও iii। নিচে এর উপযুক্ত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
- নিম্নশ্রেণির জীবে নিষেকের পরে:
মিয়োসিস সাধারণত নিম্নশ্রেণির জীব যেমন প্রোটোজোয়া, কেঁচো, মাছ, পতঙ্গ ইত্যাদির মধ্যে ঘটে। এই জীবের প্রজনন কৌশলে গুণনীয় কোষের সংখ্যা কমানোর জন্য এই বিভাজনটি অপরিহার্য, যা নিষেকের পর ঘটে।
- উচ্চশ্রেণির জীবে নিষেকের পূর্বে:
অনেক উচ্চশ্রেণির জীব যেমন স্তন্যপায়ী, পাখি এবং সরীসৃপের ক্ষেত্রে, গুণনীয় কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার পরে, অর্থাৎ ডেভেলপমেন্টের বিভিন্ন পর্যায়ে, মিয়োসিসের মাধ্যমে গুণনীয় কোষগুলো বিভাজিত হয়। এতে করে পরবর্তী প্রজনন কোষগুলো এককোষীয় হয়।
- সর্বদা জননমাতৃকোষে:
মিয়োসিস মূলত গর্ভধারক জননকোষে ঘটে, যেমন ডিম্বাণু বা শুক্রাণু কোষে। এই কোষগুলো বিভাজিত হয়ে সন্তানের জন্য গুণনীয় কোষের সংখ্যা কমায়। ফলে, জীবের প্রজননের সময় এই বিভাজন গুরুত্বপূর্ণ।
সারসংক্ষেপে, মিয়োসিস এমন একটি বিভাজন পদ্ধতি যা নিম্নশ্রেণির জীবের মধ্যে নিষেকের পরে, উচ্চশ্রেণির জীবের ডেভেলপমেন্টের বিভিন্ন পর্যায়ে, এবং মূলত জননমাতৃকোষে সবসময় ঘটে। অতএব, এই তিনটি ক্ষেত্রেই মিয়োসিস বা হ্রাসমূলক বিভাজন ঘটে।