টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

  ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের উপাদান কোনটি?

A.  কাইটিন
B. ডেক্সট্রিন
C.  সেলুলোজ
D. পেপটিডোগ্লাইকেন
সঠিক উত্তরঃ D. পেপটিডোগ্লাইকেন
Explanation:

Another Explanation (5):

ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর: পেপটিডোগ্লাইকেনের ভূমিকা 🧬

ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর একটি জটিল গঠন যা ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি রক্ষা করে এবং বাইরের প্রতিকূল পরিবেশ থেকে একে রক্ষা করে। এর প্রধান উপাদান হলো পেপটিডোগ্লাইকেন।

পেপটিডোগ্লাইকেন কী? 🤔

পেপটিডোগ্লাইকেন (Peptidoglycan) হলো একটি পলিমার যা শর্করা এবং অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত। এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের একটি জালিকার মতো গঠন তৈরি করে। এটিকে মিউরিন (murein) ও বলা হয়।

পেপটিডোগ্লাইকেনের গঠন 🧱

পেপটিডোগ্লাইকেনের মূল গঠন দুটি উপাদান দিয়ে তৈরি: * গ্লাইকেন চেইন: N-অ্যাসিটাইলগ্লুকোসামিন (NAG) এবং N-অ্যাসিটাইলমুরামিক অ্যাসিড (NAM) নামক দুটি শর্করা পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়ে এই শৃঙ্খল তৈরি করে। 🍬 * পেপটাইড ক্রসলিঙ্ক: NAM-এর সাথে যুক্ত চারট?? অ্যামিনো অ্যাসিডের একটি ছোট পেপটাইড চেইন থাকে, যা অন্য পেপটাইড চেইনের সাথে ক্রসলিঙ্ক তৈরি করে। এই ক্রসলিঙ্কিং পেপটিডোগ্লাইকেন স্তরকে দৃঢ়তা প্রদান করে। 💪

পেপটিডোগ্লাইকেনের কাজ ⚙️

পেপটিডোগ্লাইকেনের প্রধান কাজগুলো হলো: * কোষের আকৃতি বজায় রাখা 📏 * ভেতরের অঙ্গাণু রক্ষা করা🛡️ * অস্মোটিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা 💧 * কোষ বিভাজনে সাহায্য করা 🔪

ব্যাকটেরিয়ার প্রকারভেদে পেপটিডোগ্লাইকেনের পার্থক্য 📊

ব্যাকটেরিয়াকে তাদের কোষ প্রাচীরের গঠনের উপর ভিত্তি করে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়: * গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া: এদের কোষ প্রাচীরে পেপটিডোগ্লাইকেনের পুরু স্তর থাকে (২০-৮০ ন্যানোমিটার)। 💜 * গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া: এদের কোষ প্রাচীরে পেপটিডোগ্লাইকেনের একটি পাতলা স্তর থাকে (২-৭ ন্যানোমিটার)। এবং এর বাইরে একটি অতিরিক্ত আউটার মেমব্রেন ( outer membrane) থাকে। 💖
বৈশিষ্ট্য গ্রাম পজিটিভ ব্যাকটেরিয়া গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া
পেপটিডোগ্লাইকেনের স্তর পুরু (২০-৮০ ন্যানোমিটার) পাতলা (২-৭ ন্যানোমিটার)
আউটার মেমব্রেন অনুপস্থিত ❌ উপস্থিত ✅
টেকোয়িক অ্যাসিড উপস্থিত ✅ অনুপস্থিত ❌

পেপটিডোগ্লাইকেন এবং অ্যান্টিবায়োটিক 💊

কিছু অ্যান্টিবায়োটিক, যেমন পেনিসিলিন, পেপটিডোগ্লাইকেন সংশ্লেষণকে বাধা দেয়। এর ফলে ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর দুর্বল হয়ে যায় এবং ব্যাকটেরিয়া মারা যায়। ☠️ পেপটিডোগ্লাইকেন ব্যাকটেরিয়ার জন্য অত্যাবশ্যকীয়, তাই এটি অ্যান্টিবায়োটিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।🎯
Option A Explanation:

কাইটিন একটি পলিমার যা প্রধানত বিভিন্ন জীবের কোষের প্রাচীরে দেখা যায়।

  • প্রধান উপাদান হিসেবে কাইটিন ব্যবহৃত হয় কিছু কীটপতঙ্গের, শুঁয়োপোকার, এবং ফাঙ্গাসের কোষ প্রাচীরে।
  • এটি একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল স্ট্রাকচারাল উপাদান, যা কোষের রক্ষা করে ও সংকোচনের জন্য সহায়ক।
  • কাইটিনের গঠন মূলত এন-অ্যাকটাইলগ্লুকোসামাইন নামক মনোস্যাকারাইডের লিঙ্কের মাধ্যমে গঠিত।
  • অন্য কিছু জীবের কোষে কাইটিনের উপস্থিতি কোষের স্থিতিশীলতা ও আকার বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
  1. ডেক্সট্রিন: ডেক্সট্রিন হলো একটি জটিল কার্বোহাইড্রেট, যা সাধারণত গ্লুকোজের বিভিন্ন ধরনের ডাইসাকারাইড এবং অ্যাক্সেসারি গ্রুপের সমন্বয়ে গঠিত।
  2. অর্থনৈতিক ও খাদ্যশিল্পে ব্যবহৃত হয় কার্বোহাইড্রেট সরবরাহের জন্য।
  3. প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে বিভিন্ন খাদ্য ও ভেষজ উপাদানে উপস্থিত থাকে।
  4. বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ডেক্সট্রিনের গঠন ও কার্যাবলী বিভিন্ন প্রোটিন এবং এনজাইমের সঙ্গে সম্পর্কিত।
Option C Explanation:
  • সেলুলোজ: এটি একটি প্রাকৃতিক পলিস্যাকারাইড যা উদ্ভিদের কোষ প্রাচীরে প্রধান উপাদান হিসেবে উপস্থিত থাকে।
  • সেলুলোজের গঠন: এটি এক ধরনের ফাইবারের মতো জটিল শর্করা, যার মূল উপাদান হলো গ্লুকোজের শৃঙ্খলাবদ্ধ চেইন।
  • গঠনগত বৈশিষ্ট্য: সেলুলোজের ফাইবারগুলি হাইড্রোজেন বন্ধনে যুক্ত থাকে, যা এর দৃঢ়তা ও স্থিতিস্থাপকতা বৃদ্ধি করে।
  • প্রয়োগ: এটি পেপার, কাপড়, ও বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
Option D Explanation:
  • পেপটিডোগ্লাইকেন: এটি একটি জটিল পলিমার যা ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের মূল উপাদান।
  • এটি দুটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত:
    • পেপটাইড: ছোট অ্যান্টিবায়োটিকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, প্রোটিনের উপাদান।
    • গ্লাইকান: কার্বোহাইড্রেটের একটি জটিল শাখা, যা কোষের স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করে।
  • ব্যাকটেরিয়া সাধারণত gram-positive এবং gram-negative বলে দুটি শ্রেণীতে বিভক্ত, যেখানে পেপটিডোগ্লাইকেনের পরিমাণ ও গঠন ভিন্ন।
  • একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাংশন হলো কোষ প্রাচীরকে স্থিতিশীল ও রক্ষা করা, যাতে ব্যাকটেরিয়া পরিবেশের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে।