টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Ganoid আঁইশ দেখা যায় নিম্নের কোনটিতে?

A.

Tenualosa ilisha

B.

Latimeria chahamae

C.

Anabas testudineus

D.

Channa punctatus

সঠিক উত্তরঃ B.

Latimeria chahamae

Explanation:

Another Explanation (5):

গ্যানয়েড আঁইশযুক্ত মাছ: লাটিমেরিয়া কাহামা (Latimeria chalumnae)

গ্যানয়েড আঁইশ কি? 🤔

গ্যানয়েড আঁইশ হলো এক বিশেষ ধরনের আঁইশ যা কিছু প্রাচীন মাছের মধ্যে দেখা যায়। এটি আধুনিক কালের অধিকাংশ মাছের আঁইশ থেকে আলাদা। এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
  • ঘন ও ভারী: অনেকটা শক্ত আচ্ছাদনের মতো। 🛡️
  • বহুস্তরীয়: এনামেল, ডেন্টিন এবং অস্থি দিয়ে গঠিত।🦴
  • চকমকে: দেখতে অনেকটা চকচকে এবং মসৃণ।✨
  • ромбоয়েড আকৃতির: সাধারণত ромбоয়েড বা চতুর্ভুজ আকৃতির হয়ে থাকে।♦️

লাটিমেরিয়া কাহামা (Latimeria chalumnae) কেন গুরুত্বপূর্ণ? 🐟

লাটিমেরিয়া হলো জীবিত জীবাশ্ম। অর্থাৎ এরা সেই মাছগুলোর বংশধর যারা লক্ষ লক্ষ বছর আগে পৃথিবীতে বাস করত। এদের মধ্যে গ্যানয়েড আঁইশ দেখা যায়, যা এদের প্রাচীনত্বের প্রমাণ দেয়।

গ্যানয়েড আঁইশের গঠন: 🔬

স্তর উপাদান বৈশিষ্ট্য
উপরের স্তর গ্যানোইন (Enamel-like) খুবই শক্ত, চকচকে এবং প্রতিরক্ষামূলক।💎
মাঝের স্তর ডেন্টিন হাড়ের মতো, গ্যানোইনের চেয়ে নরম।
ভেতরের স্তর আইসোপেডিন (Lamellar bone) কোলজেন fibres দিয়ে গঠিত।

লাটিমেরিয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য: 📝

  • এদের দেহে কানকো থাকে।
  • এদের লেজ ত্রি-লোবড।
  • এদেরIntracranial joint বিদ্যমান।
  • এরা গভীর সমুদ্রে বাস করে। 🌊
  • এরা শিকারী মাছ। 🦈

গ্যানয়েড আঁইশযুক্ত অন্যান্য মাছ: 🐡

যদিও লাটিমেরিয়া এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, আরও কিছু মাছে এই ধরনের আঁইশ দেখা যায়:
  1. গার (Gar)
  2. বাইকির (Bichir)

আশা করি, এই ব্যাখ্যাটি লাটিমেরিয়া কাহামা এবং এর গ্যানয়েড আঁইশ সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করেছে। 👍

Option A Explanation:
  1. বিশেষ বৈশিষ্ট্য: Tenualosa ilisha সাধারণত ইলিশ নামে পরিচিত একটি মাছ যা দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, ও মিয়ানমার অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য হিসেবে পরিচিত।
  2. শ্বসন ব্যবস্থা: এই মাছের শ্বসন ব্যবস্থা মূলত ফুসফুসের মতো নয়, বরং এর দেহের বিশেষ অংশে থাকা পটকা বা গ্ল্যান্ডস যা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ।
  3. পটকার ভূমিকা: পটকা এই মাছের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি রক্তের সরবরাহ বাড়াতে এবং শ্বসন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। এটি মাছের শ্বসন কাজে সহায়ক হয়ে থাকে।
  4. উপকারিতা: এই বৈশিষ্ট্যটি মাছের জীবনীশক্তি বৃদ্ধি করে ও তার শারীরিক কার্যকলাপের জন্য অপরিহার্য।
Option B Explanation:
  • নাম: Latimeria chahamae
  • প্রকার: গ্যনয়েড (Ganoid) মাছ
  • বৈশিষ্ট্য: এটি একটি প্রাচীন মাছ, যা গ্যনয়েড আঁইশের জন্য পরিচিত।
  • অবস্থান: মূলত, এটি গভীর সমুদ্রে পাওয়া যায় এবং এর আবাসস্থল মূলত প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।
  • আঁইশ: এর আঁইশগুলো শক্ত, গ্যনয়েড ধাতব রঙের এবং আধুনিক মাছের তুলনায় ভিন্ন ধরনের গঠনযুক্ত।
  • উপকারিতা: বৈজ্ঞানিক গবেষণায় এর প্রাচীনতা এবং অনন্য গঠন বৈশিষ্ট্যের জন্য মূল্যবান।
Option C Explanation:
  • অ্যাসোনাবাস টেস্টুডিনিয়াস (Anabas testudineus): এই মাছটি সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায় এবং এর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য পটকা (গ্যাগ) ব্যবহার করে।
  • পটকার গ্যাগের রক্তজালিকা সমৃদ্ধ: এর পটকায় রক্তজালিকা বা রক্তনালী খুবই ???মৃদ্ধ থাকে, যা শ্বাসনালী হিসেবে কাজ করে।
  • শ্বাসন কাজে সাহায্য: এই বৈশিষ্ট্যটি তাকে পানিতে অক্সিজেনের অভাবে জীবন চালাতে সহায়তা করে এবং শ্বাস নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এই মাছটি স্বতন্ত্রভাবে পানির মধ্যে অবস্থিত পটকার মাধ্যমে শ্বাস প্রশ্বাস চালাতে পারে, যা অন্য সাধারণ মাছের থেকে আলাদা।
Option D Explanation:
  • প্রজাতি: Channa punctatus (চেন্না পাঞ্চাটাস)
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই মাছটির পটকা রক্তজালিকা সমৃদ্ধ, যা শ্বসন প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।
  • শ্বসন প্রক্রিয়ায় ভূমিকা: রক্তজালিকা সমৃদ্ধ পটকা গ্যাস বিনিময় প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে, ফলে মাছটি অক্সিজেন শোষণে সক্ষম হয়।
  • অন্য বৈশিষ্ট্য: এই মাছটি পানিতে বিভিন্ন ধরনের জলজ পরিবেশে বসবাস করতে পারে এবং এর শারীরবৃত্তীয় গঠন এই ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।