টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন ভাইরাস সংক্রমণে মশকীর ভূমিকা অপ্রয়োজনীয়?

A. ডেঙ্গু
B. জিকা
C. নিপা
D. চিকুনগুনিয়া
সঠিক উত্তরঃ C. নিপা
Explanation: ডেঙ্গু, জিকা এবং চিকুনগুনিয়া ভাইরাস মশার মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তবে নিপা ভাইরাস সংক্রমণে মশার কোনো ভূমিকা নেই। নিপা ভাইরাস সাধারণত বাদুড় বা তাদের নিঃসৃত তরলের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর Option C। নোট: নিপা ভাইরাস সংক্রমণে প্রধানত বাদুড় এবং অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়, মশার নয়।
Another Explanation (5):

প্রশ্ন: কোন ভাইরাস সংক্রমণে মশকীর ভূমিকা অপ্রয়োজনীয়?

উত্তর: নিপা

বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা:

নিপা (Nipah virus) একটি মারাত্মক ভাইরাস যা সাধারণত ফলের ইঁদুর বা বাদুড়ের মাধ্যমে মানবদেহে সংক্রমিত হয়। এই ভাইরাসের সংক্রমণে মশকের ভূমিকা অপ্রয়োজনীয়, কারণ:

  • নিপা ভাইরাসের প্রধান সংক্রমণ মাধ্যম হলো বাদুড় ও ফলের ইঁদুর 🐭🦇।
  • মশক বা এডিস মশক এই ভাইরাসের জন্য কোনও সাধারণ পরিবহন মাধ্যম নয়।
  • অতএব, মশক সংক্রমণে এই ভাইরাসের কোনও ভূমিকা নেই, যা অন্য ভাইরাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।

তালিকা: ভাইরাস সংক্রমণে মশকীর ভূমিকা

ভাইরাসের নাম মশকের ভূমিকা উদাহরণ
ডেঙ্গু ভাইরাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এডিস মশক 🦟
জিকা ভাইরাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এডিস মশক 🦟
এনসেফালাইটিস ভাইরাস অবশ্যই ভূমিকা আছে এডিস মশক 🦟
নিপা ভাইরাস ভূমিকা অপ্রয়োজনীয় নিপা (নিপা ভাইরাস) 🦇🐭

সারাংশ:

অতএব, নিপা ভাইরাসের সংক্রমণে মশকীর ভূমিকা অপ্রয়োজনীয়, কারণ এই ভাইরাসের সংক্রমণ মূলত বাদুড় বা ফলের ইঁদুরের মাধ্যমে হয়, এবং মশকের মাধ্যমে এর সংক্রমণ হয় না।

এই তথ্যের মাধ্যমে ভাইরাসের সংক্রমণ ও তার পরিবহন মাধ্যমের পার্থক্য বোঝা যায়। 😊✨

Option A Explanation:
  • প্রকার: ভাইরাসজনিত রোগ
  • কার্যকারিতা: ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ঘটে, যা এডিস মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
  • প্রধান লক্ষণ: জ্বর, শরীরের ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, চামড়ায় ফুসকুড়ি, ওষুধ বা চিকিৎসা ছাড়াই স্বাভাবিক হতে পারে।
  • প্রতিরোধ: মশার কামড় থেকে রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, মশারি ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রাখা।
  • চিকিৎসা: কোনও নির্দিষ্ট ওষুধ নেই; উপসর্গের উপশমে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, হাইড্রেশন এবং প্রয়োজনীয় ব্যথানাশক ব্যবহৃত হয়।
Option B Explanation:
  • জিকা ভাইরাস: এটি একটি রক্তপ্রবাহজনিত ভাইরাস যা মূলত এডিস (Aedes) মশা দ্বারা সংক্রমিত হয়।
  • প্রভাব: জিকা ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হলে সাধারণত হালকা ধরনের লক্ষণ দেখা যায়, যেমন জ্বর, মাথা ব্যথা, চোখ লাল হওয়া, অস্বস্তি ও শরীরে ব্যথা।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: এডিস মশার মাধ্যমে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়, বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়।
  • বিশেষত্ব: এই ভাইরাস গর্ভবতী মহিলাদের মধ্যে সংক্রমিত হলে শিশুর মধ্যে মারফানসেফালি বা মস্তিষ্ক বিকাশে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
Option C Explanation:
  • নিপা: নিপা ভাইরাস সংক্রমণে মশকের কোনও ভূমিকা নেই। এটি মূলত পাখি ও ঘোড়ার মাধ্যমে ছড়ায় এবং মানুষে আক্রান্ত হয় সরাসরি বা জল বা ধূলির মাধ্যমে।
Option D Explanation:
  • চিকুনগুনিয়া হলো একটি ভাইরাল রোগ যা মূলত এডিনো ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট।
  • এটি মূলত মশকীবাহিত হয়, বিশেষ করে অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে।
  • চিকুনগুনিয়া রোগের প্রধান লক্ষণগুলি হলো জ্বর, ব্যথা, ব্যথা সহ পেশী ও জয়েন্টে ব্যথা, যা সাধারণত শরীরের বিভিন্ন অংশে অনুভূত হয়।
  • এই রোগে রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লেটলেটের সংখ্যা খুব বেশি কমে যায় না, তবে কিছু ক্ষেত্রে হালকা রক্তস্বল্পতা দেখা দিতে পারে।
  • চিকুনগুনিয়া সাধারণত গুরুতর নয়, তবে এর ব্যথা ও অস্বস্তি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।
  • আক্রান্ত ব্যক্তির রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অনুযায়ী উপসর্গ ও প্রভাব ভিন্ন হতে পারে।