টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মানুষের হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বৃদ্ধিকারী হরমোন কোনটি?

A.

গ্লুকোকর্টিকয়েড 

B.

অ্যাড্রেনালিন

C.

ইস্ট্রোজেন

D.

ভ্যাসোপ্রেসিন

সঠিক উত্তরঃ B.

অ্যাড্রেনালিন

Explanation:

Another Explanation (5): ```html

মানুষের হৃৎস্পন্দন ও রক্তচাপ বৃদ্ধিকারী হরমোন: অ্যাড্রেনালিন 🩺

অ্যাড্রেনালিন, যা এপিনেফ্রিন নামেও পরিচিত, একটি হরমোন এবং নিউরোট্রান্সমিটার। এটি মূলত অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। আমাদের শরীরে যখন কোনো জরুরি অবস্থা বা স্ট্রেস তৈরি হয়, তখন অ্যাড্রেনালিন ক্ষরণ বেড়ে যায়।

অ্যাড্রেনালিনের কাজসমূহ 🎯:

  • হৃৎস্পন্দন বৃদ্ধি 💓
  • রক্তচাপ বৃদ্ধি ⬆️
  • শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত করা 💨
  • পেশী শক্তি বৃদ্ধি 💪
  • গ্লুকোজ নিঃসরণ (রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি) 🍬
  • মনোযোগ বৃদ্ধি 👀

অ্যাড্রেনালিন কিভাবে কাজ করে? 🤔

অ্যাড্রেনালিন মূলত আলফা (α) এবং বিটা (β) রিসেপ্টরগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করে। এই রিসেপ্টরগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশে, যেমন - হৃদপিণ্ড, রক্তনালী, ফুসফুস ইত্যাদিতে অবস্থিত।

রিসেপ্টর অবস্থান প্রভাব
α₁ রিসেপ্টর রক্তনালী রক্তনালী সংকুচিত করে রক্তচাপ বাড়ায় 🩸
β₁ রিসেপ্টর হৃদপিণ্ড হৃৎস্পন্দন ও হৃদপিণ্ডের সংকোচন ক্ষমতা বাড়ায় 💖
β₂ রিসেপ্টর ফুসফুস, রক্তনালী শ্বাসনালী প্রসারিত করে এবং কিছু রক্তনালী প্রসারিত করে 🌬️

কখন অ্যাড্রেনালিন নিঃসৃত হয়? ⏰

বিভিন্ন পরিস্থিতিতে অ্যাড্রেনালিন নিঃসৃত হতে পারে, যেমন:

  1. ভয় বা আতঙ্ক 😱
  2. রাগ 😠
  3. শারীরিক পরিশ্রম 🏋️‍♀️
  4. মানসিক চাপ 🤯
  5. গুরুতর আঘাত 🤕
  6. অ্যালার্জি 🤧

অ্যাড্রেনালিনের অতিরিক্ত ক্ষরণ ⚠️:

অ্যাড্রেনালিনের অতিরিক্ত ক্ষরণ শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এর ফলে অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, উচ্চ রক্তচাপ, উদ্বেগ এবং ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️:

  • অ্যাড্রেনালিন জীবন রক্ষাকারী হরমোন হিসেবেও পরিচিত।
  • এটি এনাফিল্যাক্সিসের (মারাত্মক অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া) চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
  • অ্যাড্রেনালিন ইনজেকশন "এপিপেন" নামে পরিচিত।

সুতরাং, অ্যাড্রেনালিন একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা আমাদের শরীরকে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে সাহায্য করে। 👍

```
Option A Explanation:
  • গ্লুকোকর্টিকয়েড: এটি একটি হরমোন যা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ হয়।
  • প্রধান কাজ: দেহে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বৃদ্ধি করা, প্রদাহ কমানো, এবং স্ট্রেসের প্রতিক্রিয়া হিসেবে কাজ করা।
  • প্রসব্ধি বা প্রসবের সময়ের সরাসরি প্রভাব নেই।
  • অতিরিক্ত মাত্রায় গ্লুকোকর্টিকয়েডের ব্যবহার স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া ব্যাহত করতে পারে।
Option B Explanation:
  • অ্যাড্রেনালিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসরিত হয়।
  • প্রধানত এই হরমোনটি শরীরে স্ট্রেস বা আতঙ্কের সময় মুক্তি পায়।
  • এর কাজের মধ্যে রয়েছে হার্টের স্পন্দন বৃদ্ধি, রক্তচাপ বাড়ানো, এবং ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীরকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সাহায্য করা।
  • তবে, এটি সরাসরি সন্তান প্রসবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মনে হয় না।
Option C Explanation:
  1. প্রজনন স্বাস্থ্য: ইস্ট্রোজেন মহিলাদের প্রজনন সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  2. অন্ডকোষ ও জরায়ু বৃদ্ধিতে সহায়ক: এটি জরায়ু ও অন্ডকোষের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  3. গর্ভাবস্থার জন্য প্রস্তুতি: গর্ভাবস্থার সময় জরায়ুর পৃষ্ঠের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে।
  4. শারীরিক পরিবর্তন: মহিলাদের দেহে বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তনের জন্য দায়ী, ???েমন স্তনের উন্নয়ন ও হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি।
  5. অন্য হরমোনের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন: প্রোল্যাকটিন এবং অন্যান্য হরমোনের সাথে মিলিত হয়ে গর্ভাবস্থার স্বাভাবিকতা বজায় রাখে।
Option D Explanation:
  • ভ্যাসোপ্রেসিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত হাইপোথ্যালামাসে উৎপন্ন হয় এবং পোষ্টেরিয়র পিটুইটারি গ্রন্থি দ্বারা নিঃসৃত হয়।
  • প্রধান কাজ: শরীরের জলসম্মিলন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিরা ও কিডনি কর্তৃক জল শোষণের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, ফলে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় এবং শরীরের জলসমতা বজায় থাকে।
  • প্রভাব: যদি শরীরে জল কম হয় বা ডিহাইড্রেশন হয়, তবে ভ্যাসোপ্রেসিনের নিঃসরণ বাড়ে, যা প্রস্রাব কমিয়ে জল ধরে রাখতে সহায়তা করে।
  • উদাহরণ: এই হরমোনের কার্যকলাপের ফলে প্রস্রাবের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।