টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি সেক্স লিংকড রোগ নয়?

A. থ্যালাসেমিয়া
B. জুভেনাইল গ্লোকামা
C. হিমোফিলিয়া
D. মায়োপিয়া
সঠিক উত্তরঃ A. থ্যালাসেমিয়া
Explanation:

Another Explanation (5):

সেক্স-লিঙ্কড রোগ নয়: থ্যালাসেমিয়া 🧬

সেক্স-লিঙ্কড রোগ কী? 🤔

সেক্স-লিঙ্কড রোগ হলো সেই রোগগুলি, যেগুলির জিন সেক্স ক্রোমোজোমে (X বা Y ক্রোমোজোম) অবস্থিত। যেহেতু পুরুষ এবং মহিলাদের সেক্স ক্রোমোজোমের গঠন ভিন্ন (পুরুষদের XY এবং মহিলাদের XX), তাই এই রোগগুলির প্রকাশভঙ্গিতে পার্থক্য দেখা যায়।

কিছু সাধারণ সেক্স-লিঙ্কড রোগ:

  • হিমোফিলিয়া 🩸
  • বর্ণান্ধতা 🌈
  • ডুশেন মাসকুলার ডিস্ট্রফি 💪

থ্যালাসেমিয়া কী? 🩸

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। এই রোগে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না। হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা অক্সিজেন পরিবহনে সাহায্য করে। থ্যালাসেমিয়া সেক্স ক্রোমোজোম দ্বারা বাহিত নয়।

থ্যালাসেমিয়ার কারণ:

  1. অটোসোমাল রিসেসিভ জিন (Autosomal recessive gene)🧬
  2. জিনগত ত্রুটি 🧬

কেন থ্যালাসেমিয়া সেক্স-লিঙ্কড নয়? 🤷‍♀️

থ্যালাসেমিয়ার জন্য দায়ী জিনগুলি সেক্স ক্রোমোজোমে (X বা Y) অবস্থিত নয়। এই জিনগুলি অটোসোমে (non-sex chromosomes) অবস্থিত। অটোসোমাল রোগ নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যেই সমানভাবে হতে পারে, যদি তারা রোগের জন্য দায়ী জিন বহন করে।

সেক্স-লিঙ্কড এবং অটোসোমাল রোগের মধ্যে পার্থক্য: 📊

বৈশিষ্ট্য সেক্স-লিঙ্কড রোগ অটোসোমাল রোগ (যেমন: থ্যালাসেমিয়া)
জিনের অবস্থান 📍 সেক্স ক্রোমোজোম (X বা Y) অটোসোম (non-sex chromosomes)
উত্তরাধিকারের ধরণ 👪 পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে ভিন্নতা দেখা যায়। নারী ও পুরুষ উভয়েই সমানভাবে আক্রান্ত হতে পারে।
উদাহরণ 💡 হিমোফিলিয়া, বর্ণান্ধতা থ্যালাসেমিয়া, সিস্টিক ফাইব্রোসিস

থ্যালাসেমিয়া হলে কি হয়? 🤕

  • দুর্বলতা 😫
  • ক্লান্তি 😩
  • শ্বাসকষ্ট 😮‍💨
  • শারীর???ক বৃদ্ধি ব্যাহত stunted growth 👶

সুতরাং, থ্যালাসেমিয়া সেক্স-লিঙ্কড রোগ নয়। এটি একটি অটোসোমাল রোগ। ❤️

Option A Explanation:
  • থ্যালাসেমিয়া হল একটি জেনেটিক রক্তের রোগ যা হিমোগ্লোবিনের গঠনে ত্রুটি সৃষ্টি করে।
  • এটি মূলত রক্তের অপ্রতুল বা অস্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের কারণে হয়।
  • রোগের কারণে রক্তে অ্যানিমিয়া দেখা দেয়, যার ফলে শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি, ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।
  • প্রধানত দেহে অপ্রতুল আকারের লোহিত রক্তকণিকা তৈরি হয়, যা রক্তের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
  • এটি একটি জেনেটিক রোগ, যা সাধারণত পরিবারে পিতামাতা থেকে সন্তানের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।
Option B Explanation: ```html
  • জুভেনাইল গ্লোকামা: এটি একটি চোখের রোগ যা সাধারণত শিশু ও কিশোর বয়সে দেখা দেয়।
  • প্রধানত চোখের অভ্যন্তরীণ দৃষ্টিসংক্রান্ত সমস্যা দ্বারা ঘটে।
  • এটি সাধারণত চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধি এবং চোখের গ্লুকোমা সম্পর্কিত।
  • সাধারণ লক্ষণসমূহ: চোখে ধাঁধা দেখা, দৃষ্টি দুর্বলতা, ও চোখে ব্যথা।
  • সাধারণত এটি সেক্স লিংকড রোগ নয় এবং এর নির্ণয় ও চিকিৎসা আলাদা।
```
Option C Explanation:

হিমোফিলিয়া

  • সংজ্ঞা: হিমোফিলিয়া একটি রক্তের রোগ যেখানে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।
  • প্রধান কারণ: এই রোগে নির্দিষ্ট কিছু প্রোটিন বা ফ্যাক্টর (বিশেষ করে ফ্যাক্টর VIII বা IX) কম বা অনুপস্থিত থাকে।
  • প্রভাব: এটি সাধারণত বার্ধক্য বা গুরুতর আঘাতের পরে অপ্রত্যাশিত রক্তক্ষরণ ঘটাতে পারে।
  • প্রভাবের ক্ষেত্র: রক্তপাতের কারণে পেশী, জোড়, হাড় বা সাধারণত শরীরের অন্যান্য অংশে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
  • চিকিৎসা: রক্ত জমাট বাঁধার জন্য কৃত্রিম ফ্যাক্টর সরবরাহ বা অন্যান্য থেরাপি ব্যবহার করা হয়।
Option D Explanation:
  • মায়োপিয়া (Myopia): এটি একটি চোখের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, যেখানে দূরের বস্তুগুলো স্পষ্টভাবে দেখা যায় না।
  • কার্যপ্রণালী: এই সমস্যা সাধারণত চোখের কর্নিয়ার বা লেন্সের গঠনগত পরিবর্তনের কারণে হয়, যা চোখের অভ্যন্তরীণ আলোর ফোকাসকে ঠিকভাবে রাখতে পারে না।
  • প্রভাব: এটি সাধারণত চোখের দৃষ্টি দুর্বল করে, তবে চলৎশক্তিহীনতার কারণ নয়।
  • সাধারণ উপসর্গ: দূরের বস্তুগুলো অস্পষ্ট দেখা, চোখের ক্লান্তি, মাথা ব্যথা।
  • চিকিৎসা: চশমা বা কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহারে এই সমস্যা সমাধান করা যায়। প্রয়োজনে লেজার সার্জারির অপশনও থাকতে পারে।