টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ভাইরাসমুক্ত উদ্ভিদ তৈরিতে নিচের কোন পদ্ধতি বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে বহুল প্রচলিত-

A. মেরিস্টেম কালচার
B. ক্যালাস কালচার
C. হ্যাপ্লয়েড কালচার
D. প্রোটোপ্লাস্ট কালচার
সঠিক উত্তরঃ A. মেরিস্টেম কালচার
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

ভাইরাসমুক্ত উদ্ভিদ উৎপাদনে মেরিস্টেম কালচার: বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত পদ্ধতি 🌱

ভাইরাসজনিত রোগ ফসলের একটি প্রধান সমস্যা। এটি ফলন কমিয়ে দেয় এবং গুণগত মান নষ্ট করে। এই সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত একটি কৌশল হলো মেরিস্টেম কালচার।

মেরিস্টেম কালচার কী? 🤔

মেরিস্টেম কালচার হলো একটি মাইক্রোপ্রোপাগেশন (Micropropagation) পদ্ধতি। উদ্ভিদের শীর্ষMeristem ( ভাজক টিস্যু) অঞ্চল, যেমন - কাণ্ড অথবা মূলের অগ্রভাগ থেকে খুব ছোট আকারের মেরিস্টেম সংগ্রহ করে জীবাণুমুক্ত (Sterile) পরিবেশে পুষ্টি সমৃদ্ধ মাধ্যমে (Nutrient Medium) প্রতিস্থাপন করা হয়। মেরিস্টেম অঞ্চলে ভাইরাসের উপস্থিতি কম থাকার কারণে চারাগুলো ভাইরাস মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কেন মেরিস্টেম কালচার বাংলাদেশে এত জনপ্রিয়? 🇧🇩

  • ভাইরাস মুক্ত চারা উৎপাদন 💯
  • দ্রুত বংশবিস্তার 🚀
  • কম জায়গায় বেশি চারা উৎপাদন 🏭
  • গুণগত মান সম্পন্ন চারা 🥇
  • বছরব্যাপী চারা উৎপাদন 📅

মেরিস্টেম কালচারের ধাপসমূহ 🪜

  1. মেরিস্টেম সংগ্রহ: উদ্ভিদের শীর্ষভাগ থেকে ছোট মেরিস্টেম সংগ্রহ করা হয়।
  2. জীবাণুমুক্তকরণ: সংগৃহীত মেরিস্টেমকে জীবাণুমুক্ত করা হয়।
  3. ইনোকুলেশন: জীবাণুমুক্ত মেরিস্টেমকে পুষ্টি মাধ্যমে স্থাপন করা হয়।
  4. বৃদ্ধি ও বিস্তার: মেরিস্টেম ধীরে ধীরে চারাতে পরিণত হয় এবং সংখ্যাবৃদ্ধি করা হয়।
  5. acclimatization ( পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়ানো ): চারাগুলোকে ধীরে ধীরে প্রাকৃতিক পরিবেশে খাপ খাওয়ানো হয়।

মেরিস্টেম কালচারের সুবিধা এবং অসুবিধা 📊

সুবিধা 👍 অসুবিধা 👎
ভাইরাস মুক্ত চারা উৎপাদন উচ্চ প্রযুক্তি এবং দক্ষ জনবল প্রয়োজন
দ্রুত বংশবিস্তার initial investment (প্রাথমিক বিনিয়োগ) বেশি।
কম জায়গায় বেশি চারা দূষণ (Contamination) একটি বড় সমস্যা

বাণিজ্যিক ব্যবহার 💰

বাংলাদেশে বিভিন্ন ফল, সবজি ও ফুলের ভাইরাসমুক্ত চারা তৈরিতে মেরিস্টেম কালচার বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • কলা 🍌
  • আলু 🥔
  • স্ট্রবেরি 🍓
  • অর্কিড 🌸

সফলতার উদাহরণ 🏆

বাংলাদেশে অনেক সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সফলভাবে মেরিস্টেম কালচারের মাধ্যমে ভাইরাসমুক্ত চারা উৎপাদন করে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করছে। এর ফলে ফসলের উৎপাদনশীলতা বেড়েছে এবং কৃষকরা লাভবান হচ্ছে।

মেরিস্টেম কালচার নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। 🌱👩‍🌾👨‍🌾

```
Option A Explanation: মেরিস্টেম কালচার হলো একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদের মূল বা কুঁড়ি অংশের ক্ষুদ্র অংশ বা কোষ আলাদাভাবে বাড়ানো হয়। এই পদ্ধতিতে মূলত উদ্ভিদের মূল বা কুঁড়ি থেকে ছোট ছোট টিস্যু বা কোষ সংগ্রহ করে একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে বৃদ্ধি করা হয়। এর ফলে উদ্ভিদের রোগমুক্ত অংশ তৈরি করা সম্ভব হয় এবং এটি উদ্ভিদের প্রজনন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ। মেরিস্টেম কালচারের মাধ্যমে দ্রুত এবং কার??যকরভাবে নতুন উদ্ভিদ তৈরি করা যায়, যা কৃষি ও গবেষণার ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation: ক্যালাস কালচার হল একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অঙ্গবিশেষ বা টিস্যু ক্যালাস নামে পরিচিত এক ধরনের শক্ত, কাঠামোগত স্তর তৈরি করে। এই ক্যালাস স্তর সাধারণত একটি সেন্ট্রাল ক্যালাস বা ক্যালাস পয়েন্টের চারপাশে গড়ে উঠে। এটি মূলত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা টিস্যু থেকে আলাদা করে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, যাতে তারা স্বতন্ত্রভাবে বৃদ্ধি বা বিভাজন করতে পারে। ক্যালাস কালচার প্রযুক্তি উদ্ভিদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা টিস্যু থেকে ক্লোন বা নতুন উদ্ভিদ তৈরি করতে সহায়ক, বিশেষ করে ভাইরাসমুক্ত বা রোগমুক্ত চারাগাছ উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation: হ্যাপ্লয়েড কালচার হলো একটি উদ্ভিদের কোষ বা টিস্যু থেকে সুস্থিত হ্যাপ্লয়েড (একক ক্রোমোসোম সেটবিশিষ্ট) কোষ বা উদ্ভিদ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত এক প্রকার প্রক্রিয়া। এই পদ্ধতিতে মূলত, একটি হ্যাপ্লয়েড কোষ বা টিস্যু থেকে ক্লোনাল উদ্ভিদ তৈরি করা হয়, যেখানে ক্রোমোসোমের সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থায় থাকে। এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় উদ্ভিদের জেনেটিক বৈচিত্র্য হ্রাস বা বৃদ্ধি করার জন্য, এবং বিশেষ করে হাইব্রিড বা জেনেটিকালি স্টেবল জাত তৈরি করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। হ্যাপ্লয়েড কালচার ব্যবহারে উদ্ভিদের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা সম্ভব হয় এবং বিভিন্ন গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য এই পদ্ধতি কার্যকরী।
Option D Explanation: প্রোটোপ্লাস্ট কালচার হল একটি উদ্ভিদের কোষ বা টিস্যু থেকে প্রোটোপ্লাস্ট (প্রোটোপ্লাস্ট: কোষের মূল ঝিল্লির বাইরে থাকা কোষের প্রাধান্যপ্রাপ্ত ঝিল্লি) সংগ্রহ করে তা নির্দিষ্ট পরিবেশে উন্নত করার একটি প্রযুক্তি। এই প্রক্রিয়ায়, সাধারণত, কোষের ঝিল্লি ছাড়ানো হয় এবং সেই প্রোটোপ্লাস্টকে বিভিন্ন ধরনের রঞ্জনবিদ্যা বা জৈবিক উপাদানে উ???্দীপিত করে উন্নত করা হয়। প্রোটোপ্লাস্ট কালচার ব্যবহৃত হয় উদ্ভিদের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে, যেখানে নতুন জেনেটিক বৈশিষ্ট্য যোগ বা পরিবর্তন করে ভাইরাসমুক্ত বা রোগপ্রতিরোধী উদ্ভিদ তৈরি করা হয়। এটি বিশেষ করে জেনেটিক পরিবর্তনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রোটোপ্লাস্টের মাধ্যমে জেনেটিক উপাদান পরিবর্তন সহজে সম্পন্ন হয়। এছাড়াও, এই পদ্ধতিতে উদ্ভিদের সংবেদনশীল টিস্যু বা কোষের বাইরে থাকা জৈবিক উপাদানগুলি আলাদা করে জেনেটিক স্ট্রাকচারে পরিবর্তন আনা যায়। এটি মূলত উদ্ভিদ প্রজনন, রোপণ পদ্ধতি উন্নত এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।