লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য:
i) প্রথম স্বীকার্য: একে আপেক্ষিকতার নীতি বলা হয়।
ii) দ্বিতীয় স্বীকার্য: একে আলোর দ্রুতির ধ্রুবতার নীতি বলা হয়।
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের দ্বিতীয় স্বীকার্যটি আলোর দ্রুতি সম্পর্কিত। এটি আইনস্টাইনের যুগান্তকারী দুটি স্বীকার্যের মধ্যে একটি, যা ১৯০৫ সালে প্রকাশিত হয়। এই স্বীকার্যটি পদার্থবিদ্যা এবং স্থান-কালের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দিয়েছে।
এই স্বীকার্য অনুসারে:
এই স্বীকার্যটি চিরায়ত পদার্থবিদ্যার ধারণার সাথে সাংঘর্ষিক। চিরায়ত পদার্থবিদ্যা অনুসারে, দ্রুতি আপেক্ষিক। কিন্তু আলোর দ্রুতি ধ্রুব হওয়ায়, স্থান এবং কালের ধারণাও আপেক্ষিক হয়ে যায়। এর ফলস্বরূপ:
আলোর দ্রুতি ধ্রুব হওয়ার কারণ হলো আলোর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। আলো হলো একটি তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ, যা ফোটন নামক কণা দ্বারা গঠিত। এই কণাগুলোর ভর শূন্য (massless)। ম্যাক্সওয়েলের তাড়িতচুম্বকীয় তত্ত্ব অনুসারে, শূন্য স্থানে তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গের দ্রুতি একটি ধ্রুবক, যা আলোর দ্রুতির সমান।
নিচের টেবিলে বিভিন্ন পর্যবেক্ষকের সাপেক্ষে আলোর দ্রুতি কেমন হবে, তা দেখানো হলো:
| পর্যবেক্ষকের অবস্থা | আলোর দ্রুতি |
|---|---|
| স্থির পর্যবেক্ষক | c |
| আলোর উৎসের দিকে ধাবমান পর্যবেক্ষক | c |
| আলোর উৎস থেকে দূরে ধাবমান পর্যবেক্ষক | c |
| আলোর উৎসের সাথে একই দিকে চলমান পর্যবেক্ষক | c |
উপরের টেবিল থেকে স্পষ্ট যে, পর্যবেক্ষকের গতি যাই হোক না কেন, আলোর দ্রুতি সবসময় 'c' এর সমান থাকে।
বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের এই স্বীকার্যটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং আমাদের মহাবিশ্বের ধারণা বদলে দিয়েছে। 🌌
```