টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মিয়োসিস এর বিশেষত্ব-

A. এই বিভাজনে দুইটি অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়
B. কোন প্রকার ক্রসিং অভার ঘটে না
C. মিয়োসিসের মাধ্যমে প্রত্যেকটি জীবে ক্রোমোসোম সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে
D. নিউক্লিয়াসের পর্যায়মধ্যক দশা দীর্ঘস্থায়ী
সঠিক উত্তরঃ C. মিয়োসিসের মাধ্যমে প্রত্যেকটি জীবে ক্রোমোসোম সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে
Explanation: মিয়োসিসের সময় ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসে এবং ক্রসিং ওভারের মাধ্যমে জেনেটিক বৈচিত্র্য তৈরি হয়। সঠিক উত্তর C। A ভুল, কারণ মিয়োসিসে চারটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়; B ভুল, কারণ ক্রসিং ওভার ঘটে; D ভুল, কারণ নিউক্লিয়াসের পর্যায়মধ্যক দশা দীর্ঘস্থায়ী নয়। নোট: মিয়োসিস জেনেটিক ভিন্নতা এবং ক্রোমোসোম সংখ্যা স্থির রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
Another Explanation (5):

মিয়োসিসের বিশেষত্ব

মিয়োসিস হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জৈবিক জীবের গাণিতিক ক্রোমোসোম সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে। এটি মূলতঃ যৌগিক বিভাজনের একটি প্রক্রিয়া, যা জৈবিক জীবের প্রজনন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে মিয়োসিসের বিশেষত্বসমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হলো:

  • 🔍 ক্রোমোসোম সংখ্যা বজায় রাখা: মিয়োসিসের মাধ্যমে প্রত্যেকটি জীবে ক্রোমোসোমের সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে, যেমন মানবদেহে ২৯৬ জোড়া ক্রোমোসোম।
  • 🧬 গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এটি জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে, যা প্রজননে সহায়ক।
  • 🎯 দুটি ধাপে বিভাজন: প্রাথমিক বিভাজন (মিয়োসিস I) এবং দ্বিতীয় বিভাজন (মিয়োসিস II) হয়।
  • 🔄 আনুবংশিক বৈচিত্র্য: ক্রোমোসোমের ক্রসওভারে নতুন সংমিশ্রণ সৃষ্টি হয়, যা প্রজননে বৈচিত্র্য আনে।

মিয়োসিসের প্রক্রিয়া ও বিশেষত্বের তুলনা

বিশেষত্ব বিবরণ
ক্রোমোসোমের সংখ্যা প্রতিটি জীবের ক্রোমোসোমের সংখ্যা নির্দিষ্ট ও স্থায়ী থাকে।
গণনা বৃদ্ধি মিয়োসিসের মাধ্যমে জৈবিক জীবের ক্রোমোসোম সংখ্যা অর্ধেকে নেমে আসে, যা প্রজননের সময় পুনরায় বৃদ্ধি পায়।
বিবিধতা ক্রসওভার ও আলট্যারেশন দ্বারা জেনেটিক বৈচিত্র্য সৃষ্টি হয়।

অতএব, মিয়োসিসের মাধ্যমে প্রত্যেকটি জীবে ক্রোমোসোম সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে এবং এটি জীবের প্রজনন ও বৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 🌱🧬✨

Option A Explanation:
  • এই বিভাজনে দুইটি অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়:
    • মিয়োসিসের ফলাফল হলো দুইটি পৃথক ও স্বতন্ত্র ডিভিশনের মাধ্যমে দুইটি নতুন কোষের উৎপত্তি।
    • প্রতিটি কোষে জিনের সংখ্যা হুবহু মূল কোষের মতোই থাকে।
    • এটি সাধারণত প্রজনন কোষ (যেমন ডিম্বাণু ও শুক্রাণু) তৈরিতে কার্যকর।
    • প্রক্রিয়াটি মূল কোষের ক্রোমোসোমের সংখ্যা অর্ধেক করে দেয়, ফলে বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।
Option B Explanation:
  • ক্রসিং ওভার: এটি একটি জেনেটিক প্রক্রিয়া যেখানে ক্রোমোসোমের ক্রসিং হয়, ফলে জেনেটিক বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায়।
  • মিয়োসিসে: সাধারণত ক্রসিং ওভার ঘটে না, বা খুবই দুর্লভ।
  • কারণ: মিয়োসিসের প্রথম ধাপে ক্রসিং ওভার কম বা হয় না, যা জেনেটিক বিভাজনের নির্ভুলতা নিশ্চিত করে।
  • উপকারিতা: এর ফলে জেনেটিক সামঞ্জস্যতা বজায় থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় জেনেটিক পরিবর্তন এড়ানো হয়।
Option C Explanation:
  • মিয়োসিসের মাধ্যমে জীনবৈচিত্র্য বৃদ্ধি পায় কারণ এটি জীনসমূহের নতুন সংমিশ্রণ সৃষ্টি করে।
  • প্রতিটি জীবে ক্রোমোসোমের সংখ্যা নির্দিষ্ট থাকে কারণ মিয়োসিসের সময় ক্রোমোসোমের বিভাজন সম্পূর্ণভাবে হয় এবং প্রতিটি কোষে সমান সংখ্যক ক্রোমোসোম থাকে।
  • এটি ডিপ্লয়েড জীনবৈচিত্র্য বজায় রাখতে সহায়তা করে, যাতে প্রজননকালে ক্রোমোসোমের সংখ্যায় কোন পরিবর্তন হয় না।
  • অর্থাৎ, প্রত্যেকটি জীবে ক্রোমোসোমের সংখ্যা একই থাকে, যা জীনসংখ্যার স্থিতিশীলতা রক্ষা করে।
Option D Explanation:
  • নিউক্লিয়াসের পর্যায়মধ্যক দশা (Metaphase) দীর্ঘস্থায়ী: এই পর্যায়টি মিয়োসিসে খুব গুরুত্বপূর্ণ কারণ এখানে ক্রোমোসোমগুলো সঠিকভাবে আয়ত এবং সারিবদ্ধ হয়।
  • অন্য কোষ বিভাজনের তুলনায়, মিয়োসিসের এ পর্যায়টি বেশি সময় ধরে স্থায়ী থাকে, যা ক্রোমোসোমের সঠিক বিভাজন এবং নতুন কোষে সঠিক জীনসংখ্যা নিশ্চিত করে।
  • এটি নিশ্চিত করে ???ে, বিভাজনের সময় ক্রোমোসোমগুলো ঠিকভাবে সারিবদ্ধ থাকায় বিভাজন সঠিকভাবে সম্পন্ন হয় এবং বিভ্রান্তি কমে যায়।