লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র (স্বাধীনভাবে বিন্যাস সূত্র) অনুযায়ী, দুটি ভিন্ন বৈশিষ্ট্যযুক্ত জীবের মধ্যে সংকরায়ণ ঘটালে প্রথম বংশধরে (F1) উভয় বৈশিষ্ট্যই প্রকটভাবে প্রকাশ পায়। কিন্তু দ্বিতীয় বংশধরে (F2) বৈশিষ্ট্যগুলো 9:3:3:1 অনুপাতে আলাদা হয়ে যায়। এপিস্ট্যাসিস হলো মেন্ডেলের এই সূত্রের একটি ব্যতিক্রম।
এপিস্ট্যাসিস হলো একটি বংশাণু взаимодействия, যেখানে একটি বংশাণুর প্রকাশ অন্য একটি বংশাণু দ্বারা প্রভাবিত বা ঢাকা পড়ে যায়। অর্থাৎ, একটি জিন অন্য একটি জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়।
এপিস্ট্যাসিসের একটি বিশেষ ক্ষেত্রে, F2 বংশধরে ফিনোটাইপের অনুপাত ১২:৩:১ হতে দেখা যায়। নিচে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:
লাউয়ের ফলের রং এপিস্ট্যাসিসের একটি ভালো উদাহরণ। এখানে দুটি জিন রং নির্ধারণ করে:
যদি একটি লাউয়ের জিনোটাইপ WW অথবা Ww হয়, তবে এর ফল সাদা হবে, কারণ W জিন Y জিনকে প্রকাশ করতে দেবে না। শুধুমাত্র যখন জিনোটাইপ ww হবে, তখনই Y জিন তার বৈশিষ্ট্য (হলুদ অথবা সবুজ) প্রকাশ করতে পারবে।
| জিনোটাইপ | ফিনোটাইপ (ফলের রং) |
|---|---|
| WWYY, WWYy, WWyy, WwYY, WwYy, Wwyy | সাদা ⚪ |
| wwYY, wwYy | হলুদ 🟡 |
| wwyy | সবুজ 🟢 |
আশা করি, এপিস্ট্যাসিস এবং এর ফলাফল (১২:৩:১) সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। 👍
```