Another Explanation (5): প্রশ্নের উত্তর হলো:
"ii, iii"। নিচে এর উপযুক্ত ব্যাখ্যা দেয়া হলো:
- এরা সুকেন্দ্রিক:
ব্যাকটেরিয়া সাধারণত সুকেন্দ্রিক (নিউক্লিয়াস বা পরিপাককেন্দ্রের বাইরে) হয়। তাদের জৈবিক কার্যক্রম মূলত সুকেন্দ্রিক কোষে সংঘটিত হয়, যেখানে ডিএনএ ও অন্যান্য কার্যকরী উপাদান থাকে। এই বৈশিষ্ট্য তাদের পারমাণবিক (নিউক্লিয়াসযুক্ত) জীবজন্তু বা উদ্ভিদের থেকে আলাদা করে।
- রাইবোসোম ৭০S মানের:
ব্যাকটেরিয়ার রাইবোসোমের আকার ৭০S (সেন্টি সোবার্ট)। এটি তাদের প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য দায়ী। এই আকারের রাইবোসোম অন্যান্য ইউক্লিয়োট জীবের (যেমন প্রাণী বা উদ্ভিদ) ৮৫S আকারের রাইবোসোম থেকে আলাদা।
- বংশবৃদ্ধির প্রধান প্রক্রিয়া দ্বি-ভাজন:
ব্যাকটেরিয়া মূলত দ্বি-ভাজন (অ্যামিটোটিক) পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। এর অর্থ হলো, তারা দ্বিগুণ ডিএনএ তৈরি করে এবং দুইটি নতুন কোষ গঠন করে। এটি তাদের দ্রুত বর্ধন ও পুনরুত্পাদনের জন্য দায়ী।
সুতরাং, উপরের বৈশিষ্ট্যগুলোই ব্যাকটেরিয়ার মূল পরিচিতিগুলোর মধ্যে পড়ে, যা তাদের সুকেন্দ্রিকতা, রাইবোসোমের আকার এবং বংশবৃদ্ধির পদ্ধতি নির্দেশ করে।