টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিচের কোন আয়নিক যৌগটিতে সবচেয়ে বেশি পোলারায়ন ঘটে?

A.

LiCl

B.

BeCl2

C.

NaCl 

D.

MgCl2

সঠিক উত্তরঃ B.

BeCl2

Explanation:

Another Explanation (5):

আয়নিক যৌগে পোলারায়ন: BeCl2 কেন বেশি? 🤔

আয়নিক যৌগে পোলারায়ন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের চার্জ ঘনত্ব এবং আকারের ওপর এটি নির্ভর করে। পোলারায়ন যত বেশি, আয়নিক যৌগের আয়নিক বৈশিষ্ট্য তত কম এবং সমযোজী বৈশিষ্ট্য তত বেশি। নিচে BeCl2 যৌগে কেন পোলারায়ন বেশি ঘটে, তা ব্যাখ্যা করা হলো:

পোলারায়ন কী? 🧐

পোলারায়ন হলো অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘকে ক্যাটায়ন কর্তৃক আকর্ষিত ও বিকৃত করার ক্ষমতা। যখন একটি ক্যাটায়ন একটি অ্যানায়নের কাছাকাছি আসে, তখন ক্যাটায়নের ধনাত্মক চার্জ অ্যানায়নের ইলেকট্রন মেঘকে নিজের দিকে টানে। এর ফলে অ্যানায়নের আকার বিকৃত হয়ে যায়।

পোলারায়নের কারণসমূহ 📝

  1. ক্যাটায়নের আকার (Size of Cation): ক্যাটায়নের আকার যত ছোট হবে, এর চার্জ ঘনত্ব তত বেশি হবে এবং পোলারায়ন ক্ষমতা তত বাড়বে। 🤏
  2. ক্যাটায়নের চার্জ (Charge of Cation): ক্যাটায়নের চার্জ যত বেশি হবে, অ্যানায়নকে পোলারিত করার ক্ষমতা তত বাড়বে। ➕➕
  3. অ্যানায়নের আকার (Size of Anion): অ্যানায়নের আকার যত বড় হবে, এর ইলেকট্রন মেঘ তত সহজে বিকৃত করা যাবে, ফলে পোলারায়ন বাড়বে। 🎈
  4. অ্যানায়নের চার্জ (Charge of Anion): অ্যানায়নের চার্জ যত বেশি হবে, পোলারায়িত হওয়ার প্রবণতা তত বাড়বে। ➖➖

BeCl2-এ পোলারায়ন বেশি হওয়ার কারণ 💡

BeCl2 যৌগে বেরিলিয়াম (Be2+) ক্যাটায়ন এবং ক্লোরাইড (Cl-) অ্যানায়ন বিদ্যমান। এখানে পোলারায়ন বেশি হওয়ার কারণগুলো হলো:

  • বেরিলিয়ামের ছোট আকার: বেরিলিয়াম পর্যায় সারণীর ২য় গ্রুপের প্রথম মৌল। এর আকার তুলনামূলকভাবে ছোট। ছোট আকারের কারণে এর চার্জ ঘনত্ব অনেক বেশি। 🎯
  • উচ্চ চার্জ ঘনত্ব: Be2+ আয়নের ছোট আকারের জন্য এর চার্জ ঘনত্ব অনেক বেশি। এই উচ্চ চার্জ ঘনত্ব Cl- আয়নের ইলেকট্রন মেঘকে সহজে পোলারিত করতে পারে। ⚡

অন্যান্য আয়নিক যৌগের সাথে তুলনা ⚖️

ক্ষারীয় মৃত্তিকা ধাতুগুলোর মধ্যে (Group 2 elements) বেরিলিয়ামের আকার সবচেয়ে ছোট হওয়ায় এর পোলারায়ন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। ম্যাগনেসিয়াম (Mg2+), ক্যালসিয়াম (Ca2+), স্ট্রনসিয়াম (Sr2+) এবং বেরিয়াম (Ba2+) এর আকার বেরিলিয়ামের চেয়ে বড় হওয়ায় তাদের পোলারায়ন ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।

ফাজানের নিয়ম (Fajan's Rule) ⚙️

ফাজানের নিয়ম অনুযায়ী, ছোট আকারের ক্যাটায়ন এবং বড় আকারের অ্যানায়ন পোলারায়নকে উৎসাহিত করে। BeCl2 এই নিয়মটি অনুসরণ করে।

পোলারায়নের প্রভাব 💥

পোলারায়নের কারণে আয়নিক যৌগের গলনাঙ্ক (melting point) এবং দ??রবণীয়তা (solubility) কমে যায় এবং সমযোজী বৈশিষ্ট্য বৃদ্ধি পায়।

সংক্ষেপে 📊

বৈশিষ্ট্য BeCl2
ক্যাটায়নের আকার ছোট 🤏
চার্জ ঘনত্ব উচ্চ ⚡
পোলারায়ন ক্ষমতা বেশি 👍
আয়নিক বৈশিষ্ট্য কম 👎
সমযোজী বৈশিষ্ট্য বেশি 👍

আশা করি, BeCl2-এ কেন পোলারায়ন বেশি ঘটে, তা তোমরা বুঝতে পেরেছ। Happy learning! 📚😊