টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

T2 Viras এর নিউক্লিক এসিড হচ্ছে-

A. DNA 
B. RNA
C. DNA এবং RNA
D. অন্যান্য
সঠিক উত্তরঃ A. DNA 
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

T2 ভাইরাস: নিউক্লিক অ্যাসিড এবং গঠন🦠🧬

T2 ভাইরাস একটি ব্যাকটেরিওফাজ। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি ব্যাকটেরিয়ার (যেমন: E. coli) মধ্যে সংক্রমণ ঘটায়। এর নিউক্লিক অ্যাসিড DNA (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড)।

T2 ভাইরাসের গঠন:

T2 ভাইরাসের গঠন বেশ জটিল। নিচে এর প্রধান অংশগুলো আলোচনা করা হলো:

গঠনগত উপাদানসমূহ:

  1. ক্যাপসিড (Capsid): এটি প্রোটিন দিয়ে তৈরি এবং ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে। অনেকটা সুরক্ষা কবচের মতো🛡️।
  2. নিউক্লিক অ্যাসিড (Nucleic Acid): T2 ভাইরাসের ক্ষেত্রে এটি DNA। এই DNA ভাইরাসের বংশগতির তথ্য বহন করে।
  3. লেজ (Tail): এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
  4. বেস প্লেট (Base Plate): লেজের শেষ প্রান্তে অবস্থিত এবং এটি ব্যাকটেরিয়ার কোষের প্রাচীরে ভাইরাসকে আটকাতে সাহায্য করে।
  5. স্পাইক (Spikes): বেস প্লেটের সাথে যুক্ত থাকে এবং ব্যাকটেরিয়ার কোষের প্রাচীর ভেদ করতে সাহায্য করে।

T2 ভাইরাসের গঠন ছকের মাধ্যমে:

উপাদান কাজ বৈশিষ্ট্য
ক্যাপসিড DNA কে রক্ষা করা প্রোটিন নির্মিত🛡️
DNA বংশগতির তথ্য বহন করা ডাবল স্ট্র্যান্ডেড🧬
লেজ ব্যাকটেরিয়ার সাথে যুক্ত হওয়া নলাকার
বেস প্লেট সংযুক্তিতে সাহায্য করা ষড়ভুজাকার
স্পাইক কোষ প্রাচীর ভেদ করা সূক্ষ্ম তন্তু 🔪

T2 ভাইরাসের জীবনচক্র:

T2 ভাইরাস লাইটিক চক্রের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। নিচে এর ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো:

  • সংযুক্তি (Attachment): ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার কোষের সাথে যুক্ত হয়।
  • প্রবেশ (Penetration): ভাইরাস তার DNA ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবেশ করায়।
  • সংশ্লেষণ (Synthesis): ভাইরাসের DNA ব্যবহার করে নতুন ভাইরাস কণা তৈরি হয়।
  • পরিণতি (Maturation): নতুন ভাইরাস কণাগুলো একত্রিত হয়ে পূর্ণাঙ্গ ভাইরাসে পরিণত হয়।
  • মুক্তি (Release): ব্যাকটেরিয়ার কোষ ফেটে যায় এবং নতুন ভাইরাস কণাগুলো মুক্ত হয়।💥

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  • T2 ভাইরাস শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়াকে আক্রমণ করে।
  • ভাইরাসটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়।🔬
  • ভাইরাস🦠 খুবই ছোট এবং এদের গঠন বেশ জটিল হতে পারে।

আশা করি, এই ব্যাখ্যা T2 ভাইরাস সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে।😊

আরও জানতে আগ্রহী হলে, প্রশ্ন করতে পারেন।🤔

ধন্যবাদ!🙏

```
Option A Explanation:
  • DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লেইক অ্যাসিড): DNA হলো একটি জৈবিক অণু যা জীবের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। এটি ডাবল হেলিক্যাল আকারে গঠিত এবং জীবের বৃদ্ধি, বিকাশ, পুনরুত্পাদন ও প্রজননের জন্য অপরিহার্য।
  • গঠন: DNA এর মূল উপাদান হলো নিউক্লিওটাইড, যা নিউক্লোটাইডের সংমিশ্রণে গঠিত। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডে থাকে একটি ফসফেট গ্রুপ, একটি শর্করা (ডিঅক্সিরাইবো), এবং একটি নাইট্রোজেন বেস।
  • কার্যপ্রণালী: DNA এর মাধ্যমে জীবের জেনেটিক তথ্য প্রেরিত হয় এবং এটি প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্রকার: বিভিন্ন ধরনের DNA রয়েছে, যেমন চROMOSোমের মধ্যে থাকা ডি.এন.এ., মাইটোকন্ড্রিয়াল ডি.এন.এ, ইত্যাদি।
Option B Explanation:
  • RNA (রাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড): ভিরয়েডের গাঠনিক উপাদান হলো RNA। এটি এক ধরনের ক্ষুদ্র, সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড নিউক্লিক অ্যাসিড যা ডিএনএ’র তুলনায় খুবই ছোট।
  • প্রোটিনের অভাব: ভিরয়েডের মধ্যে কোনও প্রোটিনের উপস্থিতি দেখা যায় না। তারা কেবলমাত্র RNA দ্বারা গঠিত।
  • গঠন: ভিরয়েডের RNA সাধারণত সিঙ্গল-স্ট্র্যান্ডেড এবং বাঁকানো বা ক্রস-সেকশনাল গঠন ধারণ করে, যা তাদের স্থিতিশীলতা ও কার্যকলাপে সহায়তা করে।
Option C Explanation:
  • DNA (ডিএনএ): ডিএনএ বা ডিঅক্সিরাইবোনিউ클িক অ্যাসিড হলো জীবের জেনেটিক তথ্যের মূল উপাদান। এটি দ্বি-সুতারাকার (double helix) গঠনযুক্ত এবং জীবের কোষে জেনেটিক কোড সংরক্ষণ করে।
  • RNA (আরএনএ): আরএনএ বা রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হলো জেনেটিক তথ্যের অনুলিপি বা পরিবহনকারী। এটি বিভিন্ন ধরণের রাইবোনিউক্লিয়োটাইডের সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রোটিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  1. প্রোটিনের গঠন ও সংক্রান্ত উপাদান: কিছু প্রোটিনের গঠনে নিউক্লিক এসিডের অংশবিশেষ বা সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে কাজ করে।
  2. সেলুলার রসায়ন ও কেমিক্যাল কম্পোনেন্ট: বিভিন্ন কেমিক্যাল যৌগ বা অণু, যেমন ফসফোলিপিড, লিপিড বা অন্যান্য জৈব যৌগের মধ্যে নিউক্লিক এসিডের উপস্থিতি থাকতে পারে।
  3. অন্য জৈব যৌগের অংশ: কিছু জৈব যৌগ বা অণু, যা জৈবিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ, তারা নিউক্লিক এসিডের সাথে সম্পর্কিত বা সংশ্লেষিত হতে পারে।
  4. প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম যৌগ: কিছু কৃত্রিম বা উদ্ভাবনী যৌগ বা উপাদান, যা জীববৈচিত্র্য বা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়, তারা "অন্য" ক্যাটেগরিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।