টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিডারীয়দের দংশন অঙ্গাণু কোনটি?

A. নেমাটোসিস্ট
B. সিলেন্টরন
C. ট্রাকোফোর
D. ওমাটিডিয়াম
সঠিক উত্তরঃ A. নেমাটোসিস্ট
Explanation:

Another Explanation (5):

নিডারীয়দের দংশন অঙ্গাণু: নেমাটোসিস্ট 🔬

নিডারিয়া পর্বের (যেমন: জেলিফিশ 🌊, প্রবাল 🪸, হাইড্রা ইত্যাদি) প্রাণীদের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তাদের দংশন করার ক্ষমতা। এই দংশন ক্ষমতার মূল কারণ হলো নেমাটোসিস্ট নামক একটি বিশেষ অঙ্গাণু। এটি শিকার ধরা 🎣 এবং আত্মরক্ষার 🛡️ কাজে ব্যবহৃত হয়।

নেমাটোসিস্ট কী? 🤔

নেমাটোসিস্ট হলো নিডারোসাইট নামক কোষের মধ্যে অবস্থিত একটি থলির মতো গঠন। এর মধ্যে একটি পেঁচানো সুতার মতো অংশ থাকে যা ট্রিগার হলে খুব দ্রুত বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়।

নেমাটোসিস্টের গঠন ⚙️

  • নিডারোসিস্ট (Nematocyst): এটি একটি ক্যাপসুলের মতো গঠন, যার মধ্যে বিষাক্ত তরল 🧪 এবং পেঁচানো সুতা থাকে।
  • অপেরকুলাম (Operculum): এটি ক্যাপসুলের ঢাকনা যা ট্রিগার হলে খুলে যায়।
  • সুতা (Thread): এটি পেঁচানো অবস্থায় থাকে এবং ট্রিগার হওয়ার সাথে সাথে বাইরের দিকে নিক্ষিপ্ত হয়। সুতার অগ্রভাগে ধারালো কাঁটা 🔪 থাকতে পারে।
  • নিডোসিল (Cnidocil): এটি ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। কোনো কিছু স্পর্শ করলে এটি সংবেদী হয়ে সুতা নিক্ষেপে সাহায্য করে।

নেমাটোসিস্টের প্রকারভেদ 📊

বিভিন্ন ধরনের নিডারীয় প্রাণীতে বিভিন্ন প্রকার নেমাটোসিস্ট দেখা যায়। এদের মধ্যে কয়েকটি প্রধান প্রকার নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. পেনিট্রেন্ট (Penetrant): এটি শিকারের দেহে প্রবেশ করে বিষাক্ত তরল ঢেলে দেয়।
  2. গ্লুটিনেন্ট (Glutinant): এটি শিকারকে আঁঠালো রস দিয়ে ধরে রাখতে সাহায্য করে।
  3. ভলভেন্ট (Volvent): এটি শিকারের চারপাশে পেঁচিয়ে ধরে।

নেমাটোসিস্টের কার্যক্রম 🎯

যখন কোনো শিকার বা শত্রু নিডারোসাইটের সংস্পর্শে আসে, তখন নিডোসিল ট্রিগার হিসেবে কাজ করে। এর ফলে অপেরকুলাম খুলে যায় এবং পেঁচানো সুতা দ্রুত বেগে বাইরে নিক্ষিপ্ত হয়। সুতাটি শিকারের দেহে প্রবেশ করে বিষাক্ত তরল নিঃসরণ করে, যা শিকারকে অবশ করে দেয় বা মেরে ফেলে।

নেমাটোসিস্টের ব্যবহারিক প্রয়োগ 🧪

ব্যবহার বর্ণনা
শিকার ধরা 🎣 ক্ষুদ্র জলজ প্রাণীদের শিকার করতে ব্যবহৃত হয়।
আত্মরক্ষা 🛡️ শত্রুর আক্রমণ থেকে নিজেকে বাঁচাতে ব্যবহৃত হয়।
আঁকড়ে ধরা 🧗‍♀️ কোনো বস্তুর সাথে আটকে থাকতে সাহায্য করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • কিছু জেলিফিশের নেমাটোসিস্ট মানুষের জন্য মারাত্মক হতে পারে ☠️।
  • ভিনেগার (Vinegar) 🩹দংশনের জ্বালা কমাতে সাহায্য করতে পারে।
  • সব নিডারীয় প্রাণী মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় 🤗।

আশা করি, নেমাটোসিস্ট সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন! 👍

Option A Explanation:
  • নেমাটোসিস্ট: এটি হাইড্রা বা অন্যান্য কনট্যামিনেটেড জীবের শরীরের গ্লুটিন্যান্ট উপাদানসমূহের একটি অংশ।
  • নেমাটোসিস্ট সাধারণত গ্লুটিন্যান্টের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং এটি জীবের শারীরিক গঠন ও রক্ষাকবচের কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি প্রাথমিকভাবে প্রোটিনসের সমন্বয়ে গঠিত হয়, যা গ্লুটিন্যান্টের মূল কাঠামো গঠন করে।
Option B Explanation:

সিলেন্টরন (Silentron) এর ব্যাখ্যা

  • প্রকার: এটি একটি পোকামাকড়ের দংশন অঙ্গাণু বা পরজীবী নয়।
  • বর্ণনা: সিলেন্টরন হলো এক প্রকার অপ্রচলিত বা অপ্রকাশ্য শব্দ, যা সাধারণত অপ্রকাশ্য বা অদৃশ্য রূপে থাকতে পারে।
  • ব্যবহার: বিজ্ঞানে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে এই শব্দের ব্যবহার সাধারণত অপ্রকাশ্য বা অদৃশ্য উপাদান বোঝাতে হয়।
  • বিশেষত্ব: এটি কোনও নির্দিষ্ট অঙ্গ বা দংশন অঙ্গাণু নয়, বরং এর অর্থ বা ব্যবহার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী বিভিন্ন হতে পারে।
Option C Explanation: ```html
  • ট্রাকোফোর: এটি একটি পরজীবী অঙ্গাণু যা সাধারণত মানুষের চোখের কনজাংটিভা বা চোখের কোষে বাস করে।
  • এটি একটি পরজীবী কৃমি, যা চোখে দৃষ্টি সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
  • প্রধানত এটি অন্ধত্বের কারণ হতে পারে যদি যথাযথ চিকিৎসা না নেওয়া হয়।
  • উপসর্গসমূহে চোখে জ্বালা, লালভাব, অস্বস্তি এবং চোখের মধ্যে রঙিন দৃষ্টিতে পরিবর্তন দেখা যায়।
```
Option D Explanation: ```html
  • অঙ্গাণু নাম: ওমাটিডিয়াম
  • প্রকার: পরজীবী অঙ্গাণু
  • অস্তিত্বের স্থান: শারীরিক তরলে, বিশেষ করে রক্তে
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এটি একটি জলজ অঙ্গাণু যা পরজীবী হিসেবে কাজ করে এবং অনেক সময় মানবদেহের মধ্যে বিভিন্ন রোগের কারণ হয়।
  • সংক্রমণ: এর দংশন বা সংস্পর্শে আসলে বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে, যেমন ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ইত্যাদি।
```