টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন প্রাণীতে একচক্রী রক্ত সংবহনতন্ত্র উপস্থিত?

A.

Poekilocerus pictus

B.

Labeo rohita

C.

Hydra vulgaris

D.

Home sapiens

সঠিক উত্তরঃ B.

Labeo rohita

Explanation:

Another Explanation (5):

একচক্রী রক্ত সংবহনতন্ত্র: Labeo rohita (রুই মাছ) এর ব্যাখ্যা

ভূমিকা

একচক্রী রক্ত সংবহনতন্ত্র এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে একবার পাম্প হয়ে সরাসরি ফুলকায় যায় এবং সেখান থেকে সারা শরীরে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে। এটি মূলত মাছের মধ্যে দেখা যায়। নিচে রুই মাছের (Labeo rohita) দেহে এই সংবহনতন্ত্রের ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য 🐠

  • হৃদপিণ্ড: রুই মাছের হৃদপিণ্ড একটি অলিন্দ (atrium) ও একটি নিলয় (ventricle) নিয়ে গঠিত।
  • রক্ত প্রবাহ:
    1. হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত প্রথমে ফুলকায় যায়।
    2. ফুলকায় রক্ত অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে।
    3. অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্ত সারা শরীরে বাহিত হয়।
    4. শরীর থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত পুনরায় হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে।
  • একমুখী প্রবাহ: রক্ত প্রবাহ একমুখী রাখার জন্য শিরাতে কপাটিকা (valve) থাকে।

একচক্রী সংবহনতন্ত্রের চিত্র

মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র
(চিত্র: মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র)

সংক্ষেপে রুই মাছের রক্ত সংবহনতন্ত্র 📊

অঙ্গ কার্যকারিতা
হৃদপিণ্ড ❤️ রক্ত পাম্প করে
ফুলকা 🌬️ গ্যাসীয় আদান প্রদানে সাহায্য করে (অক্সিজেন গ্রহণ ও কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ)
ধমনী হৃদপিণ্ড থেকে রক্ত শরীরের দিকে নিয়ে যায়
শিরা শরীর থেকে রক্ত হৃদপিণ্ডের দিকে নিয়ে যায়
কৈশিক জালিকা 🕸️ কোষে পুষ্টি সরবরাহ করে এবং বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করে

একচক্রী রক্ত সংবহনতন্ত্রের সুবিধা ও অসুবিধা 🤔

  • সুবিধা: তুলনামূলকভাবে সরল গঠন।
  • অসুবিধা: রক্তচাপ কম থাকে, তাই শক্তি সরবরাহে সীমাবদ্ধতা দেখা যায়।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় 💡

Labeo rohita বা রুই মাছের একচক্রী রক্ত সংবহনতন্ত্র তাদের জলজ জীবনযাত্রার জন্য উপযুক্ত। এই প্রক্রিয়া তাদের অক্সিজেন গ্রহণে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করতে সাহায্য করে।

আশা করি, এই ব্যাখ্যা Labeo rohita (রুই মাছ)-এর একচক্রী রক্ত সংবহনতন্ত্র বুঝতে সাহায্য করবে। 🐟🌊

Option A Explanation:
  • Poekilocerus pictus হলো একধরণের পোকা, যা সাধারণত গাছের পাতা ও শাখার উপর বাস করে।
  • এটি একটি ইনসেক্ট, যার রক্ত সংবহনতন্ত্র একচক্রী বা একধরনের রক্তনালীর মাধ্যমে পরিচালিত।
  • প্রাণীর দেহে রক্তের চলাচল সাধারণত সরু রক্তনালীর মাধ্যমে হয়, যা রক্তের পরিবহন ও অক্সিজেন সরবরাহে সহায়ক।
  • Poekilocerus pictus-এর রক্ত সংবহনতন্ত্র সাধারণত একচক্রী, অর্থাৎ একটিই প্রধান রক্তনালী বা ধমনী দিয়ে রক্তের পরিবহন হয়।
Option B Explanation:
  • Labeo rohita হল একটি স্বাদু পানি মাছ।
  • এটি সাধারণত বাংলাদেশের জলাশয়, নদী ও পুকুরে পাওয়া যায়।
  • এটি একটি অ্যাসিলোমেট প্রাণী নয়, কারণ অ্যাসিলোমেট প্রাণীরা সাধারণত পরজীবী বা ঝিল্লি যুক্ত প্রাণী।
  • Labeo rohita একটি রোহারি পরিবারের মাছ, যা মাছের খাদ্য ও মাছের চাষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • এটি শারীরিক গঠন ও জীবনচক্রের জন্য পরিচিত, তবে এটি অ্যাসিলোমেট শ্রেণীর প্রাণী নয়।
Option C Explanation:
  • প্রজাতি: Hydra vulgaris
  • শ্রেণী: প্রোটিস্টা বা কষের প্রাণী (Cnidaria)
  • অঙ্গসংস্থান: এটি একটি সরল, জলজ প্রাণী যেখানে সাধারণত একটি কেন্দ্রীয় গঠন থাকে এবং এর শরীরের বিভিন্ন অংশে শুঁড় বা ঝালর থাকে যা শিকার ধরা ও প্রতিরক্ষা কাজে ব্যবহৃত হয়।
  • জীবনচক্র: এটি সাধারণত অজৈব বা অস্থির জীবনচক্র সম্পন্ন করে এবং সহজে বিভাজিত হতে পারে।
  • জীববৈশিষ্ট্য: Hydra vulgaris একক কোষের গুচ্ছ বা কোষের সমন্বয়ে গঠিত নয়, বরং অনেক কোষের সমন্বয়ে গঠিত একটি প্রাণী।
Option D Explanation:

Home sapiens এর রক্ত সংবহনতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য:

  • একচক্রী রক্তনালী: হোমো স্যাপিয়েন্সের রক্ত সংবহনতন্ত্র একচক্রী অর্থাৎ একটি মূল রক্তনালী (আউটলেট) রয়েছে যা রক্তকে শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রবাহিত করে।
  • হৃদযন্ত্র: এটি একটি পাম্পের মত কাজ করে, রক্তকে পাম্প করে শরীরের মধ্যে প্রবাহিত করে।
  • রক্তের উপাদান: এর রক্তে লোহিত রক্তকণিকা, সাদা রক্তকণিকা ও প্লাটেলেটস থাকে, যা বিভিন্ন রকমের কার্য সম্পাদনে সহায়ক।
  • সিস্টেম: এটি একটি বন্ধ রক্তবাহিনী ব্যবস্থা (Closed circulatory system) যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গের মধ্যে রক্তের পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করে।