টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

একই মৌলের বিভিন্ন আইসোটোপের পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া-

A. ব্যাপন
B. আয়ন বিনিময়
C. উধ্বপাতন
D. ইলেক্ট্রোফোরেসিস
সঠিক উত্তরঃ A. ব্যাপন
Explanation:

গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রয়োগ

  • বিভিন্ন গ্যাসের আণবিক ভর নির্ণয়।
  • গ্যাস মিশ্রণের উপাদান সমূহ পৃথকীকরণ।
  • একই মৌলের বিভিন্ন আইসোটোপের পৃথকীকরণ। 
Another Explanation (5):

একই মৌলের বিভিন্ন আইসোটোপের পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া: ব্যাপন ⚗️

ভূমিকা

কোনো মৌলের আইসোটোপগুলো একই পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট হলেও এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। ভরের এই ভিন্নতার কারণে এদের ভৌত ধর্মে সামান্য পার্থক্য দেখা যায়। এই সামান্য পার্থক্যকে কাজে লাগিয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আইসোটোপগুলোকে পৃথক করা যায়।

ব্যাপন (Diffusion) কী?

ব্যাপন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো পদার্থ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলের দিকে ছড়িয়ে পড়ে যতক্ষণ না পর্যন্ত ঘনত্ব সর্বত্র সমান হয়। গ্যাসের ক্ষেত্রে, ব্যাপনের হার গ্যাসীয় অণুর ভরের উপর নির্ভরশীল। হালকা গ্যাস ভারী গ্যাসের তুলনায় দ্রুত ব্যাপিত হয়।

আইসোটোপ পৃথকীকরণে ব্যাপনের মূলনীতি

আইসোটোপগুলোর ভর ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ব্যাপন হারও ভিন্ন হয়। হালকা আইসোটোপগুলো ভারী আইসোটোপের চেয়ে দ্রুত ব্যাপিত হয়। এই নীতির উপর ভিত্তি করে গ্যাসীয় ব্যাপন পদ্ধতিতে আইসোটোপগুলোকে পৃথক করা হয়। ইউরেনিয়াম আইসোটোপ পৃথকীকরণের জন্য এই পদ্ধতি বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়।

গ্যাসীয় ব্যাপন পদ্ধতি

গ্যাসীয় ব্যাপন পদ্ধতিতে ইউরেনিয়াম হেক্সাফ্লোরাইড (UF6) গ্যাস ব্যবহার করা হয়। এই গ্যাসকে একটি বিশেষ ঝিল্লির (membrane) মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করা হয়। ঝিল্লির সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে হালকা আইসোটোপ (যেমন: 235UF6) ভারী আইসোটোপের (যেমন: 238UF6) তুলনায় সামান্য দ্রুত গতিতে অতিক্রম করে।
💨💨💨💨💨💨💨💨💨💨💨💨💨💨
এই প্রক্রিয়া একাধিকবার পুনরাবৃত্তি করার মাধ্যমে আইসোটোপগুলোর মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য তৈরি করা যায় এবং এদেরকে পৃথক করা সম্ভব হয়।

ব্যাপন প্রক্রিয়ার সুবিধা ও অসুবিধা

সুবিধা 👍 অসুবিধা 👎
  • কার্যকরী এবং বহুল ব্যবহৃত পদ্ধতি
  • বৃহৎ পরিসরে আইসোটোপ পৃথকীকরণ সম্ভব
  • অনেক বেশি শক্তি প্রয়োজন হয় ⚡
  • জটিল এবং ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া 💰
  • পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে ☢️

বিভিন্ন আইসোটোপ পৃথকীকরণ কৌশল ⚙️

  1. গ্যাসীয় ব্যাপন (Gaseous Diffusion)
  2. তাপীয় ব্যাপন (Thermal Diffusion)
  3. গ্যাস সেন্ট্রিফিউজ (Gas Centrifuge)
  4. লেজার আইসোটোপ সেপারেশন (Laser Isotope Separation)

ব্যবহারিক প্রয়োগ 🧪

* নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টে জ্বালানি হিসেবে ইউরেনিয়াম-২৩৫ ব্যবহার করা হয়। * চিকিৎসা ক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়। 🩺 * প্রাচীন প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ক গবেষণা ও বিভিন্ন বস্তুর বয়স নির্ধারণে এই পদ্ধতি কাজে লাগে। ⏳

উপসংহার

ব্যাপন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একই মৌলের বিভিন্ন আইসোটোপকে পৃথক করা যায়। যদিও এটি একটি জটিল এবং ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া, তবুও এর ব্যবহারিক গুরুত্ব অনেক বেশি। আইসোটোপ পৃথকীকরণের অন্যান্য আধুনিক পদ্ধতিগুলোর উন্নয়ন এই প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত এবং পরিবেশ-বান্ধব করে তুলছে। 🌍🌱