টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

ইমার্জিং ভাইরাস-

  1. HIV
  2. SARS
  3. Ebola

নিচের কোনটি সঠিক?

A.

i ও ii

B.

ii ও iii

C.

i ও iii

D.

i,ii ও iii

সঠিক উত্তরঃ D.

i,ii ও iii

Explanation:

Another Explanation (3):

প্রশ্নটি হলো: "ইমার্জিং ভাইরাস- HIV, SARS, Ebola। নিচের কোনটি সঠিক?"

এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো D. i, ii ও iii।

ব্যাখ্যা:

  • ইমার্জিং ভাইরাস হলো সেইসব ভাইরাস, যা সাম্প্রতিক সময়ে আবির্ভূত হয়েছে বা যাদের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • HIV (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস), SARS (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি সিনড্রোম), এবং Ebola (ইবোলা ভাইরাস) এই তিনটি ভাইরাসই ইমার্জিং ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত।
  • HIV ১৯৮০-এর দশকে আবির্ভূত হয় এবং এইডস রোগের কারণ।
  • SARS ২০০২-২০০৩ সালে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর সমস্যার সৃষ্টি করে।
  • Ebola ২০১৪-২০১৬ সালে পশ্চিম আফ্রিকায় মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং মারাত্মক হেমোরেজিক ফিভারের কারণ হয়।

এখানে অন্যান্য বিকল্পগুলির ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

  • A. i ও ii: এই উত্তরটি সঠিক নয়, কারণ Ebola ভাইরাসও ইমার্জিং ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত।
  • B. ii ও iii: এই উত্তরটি সঠিক নয়, কারণ HIV ভাইরাসও ইমার্জিং ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত।
  • C. i ও iii: এই উত্তরটি সঠিক নয়, কারণ SARS ভাইরাসও ইমার্জিং ভাইরাসের অন্তর্ভুক্ত।

তাই, সঠিক উত্তর হলো D. i, ii ও iii।

 
Another Explanation (5): ```html

ইমার্জিং ভাইরাস🦠

ইমার্জিং ভাইরাস বলতে নতুনভাবে আত্মপ্রকাশ করা অথবা পূর্বে পরিচিত কিন্তু দ্রুত বিস্তার লাভ করা ভাইরাসগুলোকে বোঝায়। এই ভাইরাসগুলো জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করতে পারে। নিচে উল্লিখিত ভাইরাসগুলো সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়েছে:

গুরুত্বপূর্ণ ইমার্জিং ভাইরাসসমূহ:

  1. HIV (Human Immunodeficiency Virus) 😢: এই ভাইরাসটি এইডস (AIDS) রোগের কারণ। এটি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়।
  2. SARS (Severe Acute Respiratory Syndrome) 😷: এটি একটি মারাত্মক শ্বাসতন্ত্রের রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস। ২০০৩ সালে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পরেছিল।
  3. Ebola 😫: ইবোলা ভাইরাস একটি মারাত্মক হেমোরেজিক ফিভার সৃষ্টিকারী ভাইরাস। এর সংক্রমণ হার এবং মৃত্যুর ঝুঁকি অনেক বেশি।

ভাইরাসগুলোর তুলনামূলক চিত্র:

ভাইরাসের নাম আবির্ভাবের বছর প্রধান লক্ষণ বিস্তারের মাধ্যম চিকিৎসা/প্রতিরোধ
HIV ১৯৮০-এর দশক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, সুযোগসন্ধানী সংক্রমণ শারীরিক তরল (যেমন: রক্ত, বীর্য) অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (ART)
SARS ২০০২-২০০৩ জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট শ্বাসতন্ত্রের ড্রপলেট সাপোর্টিভ চিকিৎসা, ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চলছে
Ebola ১৯৭৬ জ্বর, রক্তক্ষরণ, অভ্যন্তরীণ অঙ্গের ক্ষতি শারীরিক তরল, সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শ সাপোর্টিভ চিকিৎসা, ভ্যাকসিন ও অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ বিদ্যমান

ইমার্জিং ভাইরাস মোকাবেলার উপায়:

  • স surveillance বৃদ্ধি: নতুন ভাইরাস সনাক্ত করতে নিয়মিত নজরদারি করা। 🔎
  • দ্রুত শনাক্তকরণ: দ্রুত এবং নির্ভুল রোগ নির্ণয়ের জন্য উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার। 🧪
  • গবেষণা ও উন্নয়ন: ভাইরাস সম্পর্কে আরও জানতে এবং কার্যকর চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন তৈরি করতে গবেষণা করা। 🔬
  • জনসচেতনতা বৃদ্ধি: ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনগণের মধ্যে সঠিক তথ্য প্রচার করা। 📢
  • আন্তর্জাতিক সহযোগিতা: ভাইরাস মোকাবেলা এবং তথ্য আদান প্রদানে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। 🤝

ইমার্জিং ভাইরাসগুলো বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এই ভাইরাসগুলোর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। 🙏

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (CDC)

```