টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোনটি ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন সৃষ্টি করে?

A. টেট্রাসাইক্লিন
B. ক্লোরোমাইসিন
C. স্ট্রেপ্টোমাইসিন
D. নিওমাইসিন
সঠিক উত্তরঃ C. স্ট্রেপ্টোমাইসিন
Explanation: প্রশ্ন: কোনটি ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন সৃষ্টি করে?
Another Explanation (5):

প্রশ্ন: কোনটি ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন সৃষ্টি করে?

উত্তর: স্ট্রেপ্টোমাইসিন

স্ট্রেপ্টোমাইসিন একটি এন্টিবায়োটিক, যা মূলত টিবি-ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। তবে, এটি যখন ট্রান্সলেশনের শুরুতে ব্যবহার করা হয়, তখন এটি প্রোটিন সংশ্লেষণ (প্রোটিন সিনথেসিস) প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি করে, যার ফলে ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে প্রোটিন উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি করে।

অ্যাকাডেমিক ব্যাখ্যা:

স্ট্রেপ্টোমাইসিন একটি অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড এন্টিবায়োটিক, যা রাইবোসোমে প্রবেশ করে ৩০S সাবইউনিটের সাথে যুক্ত হয়। এর ফলে, tRNA এর অটোসাইড আনুষঙ্গিক স্থান বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং ফলস্বরূপ, নতুন পেপটাইড চেইন গঠনে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।

প্রভাব বিবরণ
প্রোটিন সংশ্লেষণে বাধা স্ট্রেপ্টোমাইসিন রাইবোসোমের ৩০S সাবইউনিটের সাথে সংযুক্ত হয়ে tRNA এর সঠিক অ্যাকসেস ব্লক করে দেয়। এতে নতুন অ্যামিনো অ্যাসিড চেইন গঠনে বিঘ্ন ঘটে।
ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন প্রোটিন সংশ্লেষণের সূচনালগ্নে স্ট্রেপ্টোমাইসিন এর উপস্থিতি ট্রান্সলেশনের প্রাথমিক ধাপগুলো ব্যাহত করে, ফলে প্রোটিন সংশ্লেষ প্রক্রিয়া ব্যর্থ হয়।

অতিরিক্ত তথ্য:

  • স্ট্রেপ্টোমাইসিন সাধারণত ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এর কারণে ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
  • এটি মূলত ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে দেয়, যা জীবাণুর বৃদ্ধি রোধ করে।

🌟🌟🌟

অতএব, ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন সৃষ্টি করে এমন এন্টিবায়োটিকের মধ্যে স্ট্রেপ্টোমাইসিন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

Option A Explanation:

টেট্রাসাইক্লিনের ব্যাখ্যা

  • ব্যবহার: এটি একটি broad-spectrum অ্যান্টিবায়োটিক যা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়, যেমন শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ, ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন ইত্যাদি।
  • প্রভাব: ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি ও পুনরুৎপাদন বন্ধ হয়।
  • পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: দাঁতের দাগ, হাড়ের বিকৃতি, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা, এবং কিছু ক্ষেত্রে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি হতে পারে।
  • ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন: টেট্রাসাইক্লিনের কারণে কিছু ক্ষেত্রে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ক্ষতি বা বিকৃতি হতে পারে, যা ট্রান্সলেশনের প্রক্রিয়াকে বিঘ্নিত করতে পারে।
Option B Explanation:

ক্লোরোমাইসিন

  • একটি এন্টিবায়োটিক যা ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সিনথেসিসে বাধা দেয়।
  • প্রথম ব্যবহৃত এন্টিবায়োটিকগুলোর মধ্যে একটি, বিশেষ করে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়।
  • প্রভাবের মাধ্যমে ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে সক্ষম।
  • অক্সিজেনেস, সেলুলাইটিস, এবং অন্যান্য কিছু ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
  • তবে, এটি কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যেমন রক্তের ক্ষতি, অ্যালার্জি, এবং কিডনি ক্ষতি সৃষ্টি করতে পারে।
Option C Explanation:
  1. স্ট্রেপ্টোমাইসিন: এটি একটি অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড এন্টিবায়োটিক যা মূলত টিউবারকিউলোসিসের চিকিত্সায় ব্যবহৃত হয়।
  2. প্রভাব:
    • ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে ব্যাকটেরিয়াল প্রোটিন সংশ্লেষকে বাধা দেয়, ফলে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায় না।
    • এই প্রভাব ট্রান্সলেশনের শুরুতেই বিঘ্ন সৃষ্টি করে, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী।
  3. প্রভাবের কারণ:
    • স্ট্রেপ্টোমাইসিন ৩০S রাইবোজ??মাল সাবইউনিটের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে mRNA এর সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।
    • এটি অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে প্রোটিন সংশ্লেষের প্রক্রিয়াকে বাধা দেয়, যার ফলে ব্যাকটেরিয়া নতুন কোষ তৈরি করতে পারে না।
Option D Explanation:
  • নিওমাইসিন: এটি একটি এন্টিবায়োটিক যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
  • এর কার্যকারিতা মূলত ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষণ বন্ধ করে দেয়।
  • তবে, ট্রান্সলেশনের সূচনালগ্নে এটি কিছু ক্ষেত্রে প্যাথোজেনের প্রোটিন সংশ্লেষণে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে, যা দেহের প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া বা স্বাভাবিক জীবাণুগুলির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
  • এটি সাধারণত অন্যান্য এন্টিবায়োটিকের সাথে মিলিতভাবে ব্যবহার হয়, তবে এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা কার্যপ্রণালীর কারণে ট্রান্সলেশনের প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হতে পারে।