টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

XX-XO পদ্ধতিতে লিঙ্গ নির্ধারণ হয় কোন প্রাণীতে?

A.

ঘাসফড়িং

B. ড্রসোফিলা
C.

গিনিপিগ

D.

মানুষ

সঠিক উত্তরঃ A.

ঘাসফড়িং

Explanation:



Another Explanation (5):

XX-XO লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি: ঘাসফড়িং এর প্রেক্ষাপট 🦗

XX-XO লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি একটি বিশেষ প্রকার লিঙ্গ নির্ধারণ প্রক্রিয়া, যা কিছু নির্দিষ্ট প্রাণীতে দেখা যায়। এর মধ্যে ঘাসফড়িং অন্যতম। এই পদ্ধতিতে স্ত্রী এবং পুরুষ লিঙ্গের মধ্যে ক্রোমোজোমের সংখ্যাগত ভিন্নতা দেখা যায়। মানুষের মতো এখানে Y ক্রোমোজোম থাকে না।

এই পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • স্ত্রী ঘাসফড়িং: এদের দেহে দুটি X ক্রোমোজোম (XX) থাকে। ♀️
  • পুরুষ ঘাসফড়িং: এদের দেহে একটি X ক্রোমোজোম (XO) থাকে। এখানে "O" দ্বারা X ক্রোমোজোমের অনুপস্থিতি বোঝানো হয়। ♂️

লিঙ্গ নির্ধারণের প্রক্রিয়া:

নিচে একটি টেবিলের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি দেখানো হলো:

বৈশিষ্ট্য স্ত্রী ঘাসফড়িং (XX) ♀️ পুরুষ ঘাসফড়িং (XO) ♂️
গ্যামেট উৎপাদন শুধুমাত্র X ক্রোমোজোমযুক্ত ডিম্বাণু তৈরি হয় (X)। 🥚 দুই ধরনের শুক্রাণু তৈরি হয়: X ক্রোমোজোমযুক্ত (X) এবং X ক্রোমোজোমবিহীন (O)। spermatozoa
নিষেক প্রক্রিয়া ডিম্বাণু (X) + শুক্রাণু (X) = XX (স্ত্রী) ♀️ ডিম্বাণু (X) + শুক্রাণু (O) = XO (পুরুষ) ♂️
সন্তান যদি ডিম্বাণু X বিশিষ্ট শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয় তবে স্ত্রী সন্তান (XX) জন্ম নেয়। 👧 ডিম্বাণু যদি O বিশিষ্ট শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয় তবে পুরুষ সন্তান (XO) জন্ম নেয়। 👦

XX-XO পদ্ধতির সুবিধা ও অসুবিধা:

  • সুবিধা: লিঙ্গ নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি বেশ সরল এবং সহজেই বোঝা যায়। 👍
  • অসুবিধা: এই পদ্ধতিতে ক্রোমোজোমের সংখ্যাগত ভিন্নতার কারণে কিছু জিনগত সমস্যা দেখা যেতে পারে। 👎

অন্যান্য উদাহরণ:

ঘাসফড়িং ছাড়াও কিছু কীট এবং নেমাটোডে এই প্রকার লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি দেখা যায়। 🐛

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

  1. এই লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি পরিবেশের উপর নির্ভরশীল নয়। 🌱
  2. ক্রোমোজোমের সংখ্যা এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। 🧬

আশা করি, XX-XO লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি এবং ঘাসফড়িং এর উদাহরণটি আপনারা ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। 😊

Option A Explanation:

ঘাসফড়িং এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • প্রজাতি: ঘাসফড়িং (Crickets)
  • প্রজনন: প্রজনন জন্য পুঞ্জাক্ষি বা অণ্ডকোষ ব্যবহার করে
  • অঙ্গ: পুঞ্জাক্ষি একটি বিশেষ অঙ্গ যা পাখির বা অন্যান্য কিছু প্রাণীর মধ্যে দেখা যায় না
  • বৈশিষ্ট্য: পুঞ্জাক্ষি মূলত প্রজননের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এর মাধ্যমে ডিমের সঞ্চয় ও মুক্তি ঘটে
  • অন্য নাম: এটি সাধারণত "অণ্ডকোষ" বা "অণ্ডপ্রজনন অঙ্গ" হিসেবেও পরিচিত
Option B Explanation:
  1. প্রজাতি: ড্রসোফিলা (Drosophila) বা ফলের মাছি
  2. লিঙ্গ নির্ধারণের পদ্ধতি: XX-XO পদ্ধতি
  3. ক্রিয়াবলী: এই পদ্ধতিতে, লিঙ্গ নির্ধারিত হয় ক্রোমোজোমের ভিত্তিতে। মহিলাদের জন্য দুটি X ক্রোমোজোম এবং পুরুষদের জন্য একটি X ক্রোমোজোম এবং একটি অপ্রয়োজনীয় ক্রোমোজোম (অক্স) থাকে।
  4. উপকারিতা: এই পদ্ধতি গবেষণার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি লিঙ্গ নির্ধারণের জৈবিক প্রক্রিয়াগুলি বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  5. প্রয়োগ: জেনেটিক গবেষণা, বংশবৃদ্ধি প্রক্রিয়া এবং ডসোফিলা জীববৈচিত্র্য বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
  • গিনিপিগের লিঙ্গ নির্ধারণের পদ্ধতি: গিনিপিগে, লিঙ্গ নির্ধারণের জন্য XX-XO পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
  • XX-XO পদ্ধতি: এই পদ্ধতিতে, মহিলাদের জন্য দুটি X ক্রোমোজোম (XX) এবং পুরুষদের জন্য একটি X এবং একটি Y ক্রোমোজোম (XO বা XY) থাকে।
  • প্রজনন প্রক্রিয়া: পুরুষের Y ক্রোমোজোমের উপস্থিতি নির্ভর করে সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয়। যদি Y ক্রোমোজোম থাকে, তবে ছেলে (পুরুষ) হয়; যদি Y না থাকে, তবে মেয়ে (মহিলা) হয়।
  • উপকারিতা: এই পদ্ধতি দ্বারা লিঙ্গ নির্ধারণ সহজে বোঝা যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা যায়।
Option D Explanation:
  • প্রজনন: মানুষ ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাসের প্রধান পোষকদেহ, যেখানে এই ভাইরাসের প্রজনন ও সংক্রমণ ঘটে।
  • সংক্রমণ: মানুষ এই ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা সাধারণত শ্বাসতন্ত্রের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
  • উপসর্গ: সংক্রমণের ফলে সাধারণত শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ক্লান্তি ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
  • প্রতিরোধ: উপযুক্ত ভ্যাকসিন ও সতর্কতা অবলম্বন করে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমানো যায়।