টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

প্লাজমা কোষ তৈরি করে -

A. অ্যান্টিবডি 
B. শ্বেত বস্তু
C. হেপারিন 
D. উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তরঃ A. অ্যান্টিবডি 
Explanation:

Another Explanation (5):

প্লাজমা কোষ এবং অ্যান্টিবডি: একটি একাডেমিক আলোচনা

প্লাজমা কোষ এবং অ্যান্টিবডি মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নিচে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

প্লাজমা কোষ (Plasma Cells)

  • প্লাজমা কোষ কী? 🤔 প্লাজমা কোষ হলো বিশেষায়িত বি লিম্ফোসাইট (B lymphocytes), যা অ্যান্টিবডি তৈরি করে।
  • কোথায় তৈরি হয়? 🦴 এগুলি অস্থিমজ্জাতে (bone marrow) তৈরি হয়।
  • কাজ কী? 💪 এদের প্রধান কাজ হলো অ্যান্টিবডি তৈরি ও নিঃসরণ করা, যা প্যাথোজেনকে (pathogen) নিষ্ক্রিয় করে।
  • জীবনকাল: ⏳ প্লাজমা কোষের জীবনকাল কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে।
  • বৈশিষ্ট্য:
    • এরা ডিম্বাকৃতির এবং এদের সাইটোপ্লাজম (cytoplasm) বেশ বড় হয়।
    • নিউক্লিয়াসটি কোষের একপাশে অবস্থান করে।

অ্যান্টিবডি (Antibodies)

অ্যান্টিবডি, যা ইমিউনোগ্লোবুলিন (Immunoglobulin) নামেও পরিচিত, একটি গ্লাইকোপ্রোটিন। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য অত্যাবশ্যকীয়।

  • অ্যান্টিবডি কী? 🛡️ অ্যান্টিবডি হলো প্রোটিন, যা শরীর কোনো অ্যান্টিজেন (antigen)-এর সংস্পর্শে এলে তৈরি করে।
  • অ্যান্টিজেনের সাথে বন্ধন: 🤝 প্রতিটি অ্যান্টিবডি একটি নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হতে পারে।
  • প্রকারভেদ: 📚 অ্যান্টিবডি প্রধানত পাঁচ প্রকার:
    1. IgG: সবচেয়ে প্রাচুর্যপূর্ণ অ্যান্টিবডি। এটি প্লাসেন্টা অতিক্রম করতে পারে।
    2. IgM: এটি প্রথম অ্যান্টিবডি যা সংক্রমণের শুরুতে তৈরি হয়।
    3. IgA: এটি শ্লেষ্মা ঝিল্লি (mucous membrane) এবং লালাতে পাওয়া যায়।
    4. IgE: অ্যালার্জি (allergy) প্রতিক্রিয়ার সাথে জড়িত।
    5. IgD: বি কোষের পৃষ্ঠে পাওয়া যায় এবং বি কোষের সক্রিয়করণে (activation) ভূমিকা রাখে।
  • কাজ: 🎯
    • প্যাথোজেনকে চিহ্নিত ও নিষ্ক্রিয় করা।
    • ম্যাক্রোফেজ (macrophage) এবং অন্যান্য ইমিউন কোষকে আকৃষ্ট করা।
    • কমপ্লিমেন্ট সিস্টেম (complement system) সক্রিয় করা।

প্লাজমা কোষ এবং অ্যান্টিবডির মধ্যে সম্পর্ক

প্লাজমা কোষ অ্যান্টিবডি তৈরি করে এবং নিঃসরণ করে। অ্যান্টিবডিগুলো তখন রক্ত ​​​​প্রবাহে এবং অন্যান্য শারীরিক তরলে ভ্রমণ করে প্যাথোজেনকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। 🦸

সংক্ষেপে

প্লাজমা কোষ অ্যান্টিবডি তৈরির মাধ্যমে আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। অ্যান্টিবডিগুলো শরীরের সুরক্ষায় প্রথম সারির যোদ্ধা। 💯

প্লাজমা কোষ এবং অ্যান্টিবডি: সংক্ষিপ্ত তুলনা
বৈশিষ্ট্য প্লাজমা কোষ অ্যান্টিবডি
উৎপাদনস্থল অস্থিমজ্জা (Bone marrow) প্লাজমা কোষ
কাজ অ্যান্টিবডি তৈরি ও নিঃসরণ প্যাথোজেনকে নিষ্ক্রিয় করা
ধরন বিশেষায়িত বি লিম্ফোসাইট গ্লাইকোপ্রোটিন

আশা করি, এই আলোচনা প্লাজমা কোষ এবং অ্যান্টিবডি সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট করতে সাহায্য করবে। 😊

Option A Explanation:
  • অ্যান্টিবডি (Antibody):
  • একটি প্রোটিন যা শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা তৈরি হয়।
  • এটি বিশেষভাবে রোগজীবাণু বা বিষের সাথে যুক্ত হয়ে তাদের নিষ্ক্রিয় করে বা ধ্বংস করে।
  • অ্যান্টিবডি সাধারণত বৃত্তাকার বা Y-আকৃতির হয় এবং এর অংশগুলোতে বিশেষ স্থান থাকে যা অ্যান্টিজেনের সাথে সংযুক্ত হয়।
  • এটি মূলত লোহিত রক্তকণিকা বা প্লাজমা সেলে উৎপন্ন হয়।
  • অ্যান্টিবডি রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং বিভিন্ন টিকা বা সংক্রমণের সময় শরীরের প্রতিরক্ষামূলক প্রতিক্রিয়া বৃদ্ধি করে।
Option B Explanation:
  • শ্বেত বস্তু (White Blood Cells):
  • শ্বেত রক্তকণিকা বা শ্বেত কোষ হলো রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যা ইমিউন সিস্টেমে অংশগ্রহণ করে।
  • এরা রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং শরীরের সংক্রমণ প্রতিরোধ করে।
  • শ্বেত কোষ তৈরি হয় মূলত অস্থিসন্ধি মজ্জা (Bone Marrow) থেকে।
  • প্রকারভেদে শ্বেত কোষের মধ্যে নিউট্রোফিল, ল্যিমোফোসাইট, মনোফিল, ইোসিনোফিল ও বেসোফিল অন্তর্ভুক্ত।
Option C Explanation:

হেপারিনের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: অ্যাণ্টি-কোয়াগুল্যান্ট বা রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধকারী
  • প্রয়োগ: রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ডেথে বা বৃহৎ অস্ত্রোপচারের সময়
  • কাজের পদ্ধতি: এটি অ্যান্টি-থ্রম্বিন III এর কার্যকারিতা বাড়িয়ে থ্রম্বিন (প্রোটিন কাইনেস) এর কাজ বন্ধ করে দেয়, ফলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়
  • প্রকারভেদ: মূলত হেপারিনের বিভিন্ন ধরন আছে: এনজাইমেটিক হেপারিন, আনঅ্যাজমেটিক হেপারিন, ফ্যাক্টর এক্স a ইনহিবিটার ইত্যাদি
  • উপকারিতা: দ্রুত কাজ করে, ইনজেকশনের মাধ্যমে দেওয়া হয়, এবং সাধারণত হাসপাতালে ব্যবহৃত হয়
  • প্রতিক্রিয়া ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: হেপারিনের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারে হেমোরাজ বা হেপারিনের ইনজেকশন সংক্রান্ত রক্তপাত হতে পারে, এছাড়াও হেপারিন-প্রেরিত আইএনএস বা হেপারিনের অ্যালার্জির সম্ভাবনা থাকে