α(1,4) বন্ধন: এটি একটি গ্লাইকোসিডিক বন্ধন (Glycosidic bond) যা সাধারণত শর্করার মধ্যে দেখা যায়।
সংজ্ঞা: এই বন্ধনটি একটি কার্বন ১ নম্বর অক্ষর থেকে হাইড্রোজেন (অথবা হাইড্রক্সিল গ্রুপ) সরিয়ে নিয়ে অন্য একটি শর্করার কার্বন ৪ নম্বর অক্ষরকে সংযুক্ত করে তৈরি হয়।
গঠন: এই বন্ধনটি সাধারণত অ্যালফা-গ্লাইকোসিডিক বন্ধন নামে পরিচিত, যেখানে কার্বন ১ থেকে যুক্ত হয় এবং এটি মূলত শর্করার গঠনকে স্থিতিশীল করে।
উদাহরণ: স্টার্চ, গ্লাইকোজেন ইত্যাদি জৈব পদার্থের গঠনে এই বন্ধন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:
এই অপশনটি নির্দেশ করে যে, এই জৈব রাসায়নিক পদার্থটি শুধুমাত্র উদ্ভিদদেহে পাওয়া যায়।
অর্থাৎ, এটি শুধুমাত্র উদ্ভিদ থেকে সংশ্লিষ্ট অংশে বা উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে সীমিত।
অন্য কোন প্রাণী বা পরিবেশে এই পদার্থের উপস্থিতি উল্লেখ করা হয়নি।
এটি সাধারণত উদ্ভিদে প্রাকৃতিকভাবে তৈরী হয় এবং উদ্ভিদে তাদের মূল কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option C Explanation:
প্রোটিন ও অ্যামিনো অ??যাসিড উভয়ই উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় দেহে পাওয়া যায়।
এই পদার্থগুলি জীবের বিভিন্ন স্তরে গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয়ই এই ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থের প্রয়োজন হয় তাদের জীবনক্রিয়ার জন্য।
অতএব, এই ধরনের পদার্থগুলি শুধুমাত্র এক প্রকার জীবের দেহে পাওয়া যায় না, বরং উভয় দেহেই পাওয়া যায়।
Option D Explanation:
পানিতে দ্রবনীয়: এই ধরনের পদার্থ পানির সাথে সহজে মিশে যায় এবং দ্রবণ তৈরি করে। যেমন: অনেক মৌলিক ও জৈবিক যৌগ, যেমন গ্লুকোজ ও সোডিয়াম ক্লোরাইড পানিতে সহজে দ্রবীভূত হয়।
বিজারক পদার্থ: এই ধরনের পদার্থ পানির সাথে মিশে না বা খুব কম মিশে। যেমন: অ্যালকোহল বা অ্যাসিটোন, যা পানির সাথে মিলেমিশে না বা খুবই কম মিলিত হয়।
উদাহরণ: পানিতে দ্রবনীয় ও বিজারক পদার্থের মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য এই বৈশিষ্ট্য গুরুত্বপূর্ণ।