টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

রক্তের প্লাজমা Na+ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে-

A. অ্যালডোস্টেরন
B. প্রোজেস্টেরন
C.  ইস্ট্রোজেন
D. ভ্যাসোপ্রেসিন
সঠিক উত্তরঃ A. অ্যালডোস্টেরন
Explanation:

Another Explanation (5):

রক্তের প্লাজমা Na+ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অ্যালডোস্টেরনের ভূমিকা

রক্তের প্লাজমায় সোডিয়াম আয়ন (Na+) এর মাত্রা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অত্যাবশ্যক। এই মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অ্যালডোস্টেরন নামক হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিচে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

অ্যালডোস্টেরন কী? 🤔

অ্যালডোস্টেরন হলো অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (Adrenal gland) থেকে নিঃসৃত হওয়া একটি স্টেরয়েড হরমোন। এটি প্রধানত বৃক্কের (Kidney) দূরবর্তী সংবর্তন নালিকায় (Distal convoluted tubule) কাজ করে Na+ এবং K+ এর পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করে।

অ্যালডোস্টেরনের কাজ ⚙️

  1. Na+ এর পুনঃশোষণ: অ্যালডোস্টেরন বৃক্কের নালিকায় Na+ এর পুনঃশোষণ বৃদ্ধি করে। এর ফলে প্রস্রাবের মাধ্যমে Na+ এর নির্গমন হ্রাস পায় এবং রক্তে Na+ এর মাত্রা বাড়ে।
  2. K+ এর নিঃসরণ: এটি বৃক্কের নালিকায় পটাশিয়াম (K+) এর নিঃসরণকে উৎসাহিত করে, যার ফলে রক্তে K+ এর মাত্রা কমে।
  3. H2O এর ধারণ: Na+ এর পুনঃশোষণের সাথে সাথে পানিও (H2O) রক্তে ফিরে আসে, যা রক্তের পরিমাণ এবং রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে।💧

কীভাবে অ্যালডোস্টেরন Na+ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে? 🎛️

অ্যালডোস্টেরন নিম্নলিখিত উপায়ে Na+ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে:

  • যখন রক্তে Na+ এর মাত্রা কমে যায়, তখন অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে অ্যালডোস্টেরনের নিঃসরণ বাড়ে।
  • অ্যালডোস্টেরন বৃক্কে Na+ এর পুনঃশোষণ বাড়িয়ে রক্তের Na+ এর মাত্রা স্বাভাবিক করে।
  • একই সাথে, এটি K+ এর নিঃসরণ বাড়িয়ে Na+ এবং K+ এর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখে।⚖️

অ্যালডোস্টেরনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণকারী বিষয়সমূহ 🎯

অ্যালডোস্টেরনের নিঃসরণ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভরশীল, যেমন:

  1. রক্তে Na+ এর মাত্রা: Na+ এর মাত্রা কম হলে অ্যালডোস্টেরন নিঃসরণ বাড়ে।
  2. রক্তে K+ এর মাত্রা: K+ এর মাত্রা বাড়লে অ্যালডোস্টেরন নিঃসরণ বাড়ে।
  3. রক্তচাপ: রক্তচাপ কম হলে অ্যালডোস্টেরন নিঃসরণ বাড়ে।
  4. রেনিন-অ্যাঞ্জিওটেনসিন-অ্যালডোস্টেরন সিস্টেম (RAAS): এই সিস্টেম রক্তচাপ এবং Na+ এর ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন রক্তচাপ কমে যায়, তখন রেনিন নিঃসৃত হয়, যা অ্যাঞ্জিওটেনসিনোজেনকে অ্যাঞ্জিওটেনসিন I এconvert করে। এরপর অ্যাঞ্জিওটেনসিন কনভার্টিং এনজাইম (ACE) অ্যাঞ্জিওটেনসিন I কে অ্যাঞ্জিওটেনসিন II এ convert করে। অ্যাঞ্জিওটেনসিন II অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিকে অ্যালডোস্টেরন নিঃসরণে উৎসাহিত করে।🩸

সংক্ষেপে Na+ নিয়ন্ত্রণে অ্যালডোস্টেরনের ভূমিকা 👇

বৈশিষ্ট্য ভূমিকা
Na+ পুনঃশোষণ বৃক্কে Na+ এর পুনঃশোষণ বৃদ্ধি করে। ✅
K+ নিঃসরণ বৃক্কে K+ এর নিঃসরণ বৃদ্ধি করে। ❌
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রক্তের পরিমাণ এবং রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে। ⬆️

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ⚠️

রক্তে Na+ এর মাত্রা অতিরিক্ত কমে গেলে বা বেড়ে গেলে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই, অ্যালডোস্টেরনের সঠিক মাত্রা বজায় রাখা জরুরি।🩺

আশা করি, এই আলোচনা থেকে রক্তের প্লাজমায় Na+ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অ্যালডোস্টেরনের ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন।😊

Option A Explanation:
  • অ্যালডোস্টেরন: এটি একটি হরমোন যা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি দ্বারা উৎপন্ন হয়।
  • প্রধান কাজ হলো কিডনিতে সোডিয়াম রি Absorption এবং পটাসিয়াম এক্সক্রিশন নিয়ন্ত্রণ করা।
  • এর ফলে রক্তে সোডিয়াম এবং জল সংরক্ষণ হয়, যা রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে।
  • সাধারণত, এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Option B Explanation:

প্রোজেস্টেরন

  • প্রোজেস্টেরন একটি গুরুত্বপূর্ণ মহিলা হরমোন যা মূলত ডিম্বাশয় (অভ্যন্তরীণ গ্রন্থি) দ্বারা নিঃসৃত হয়।
  • এটি মহিলাদের প্রজনন সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়ক, বিশেষ করে গর্ভাবস্থা স্থিতিশীল রাখতে।
  • প্রোজেস্টেরন গর্ভাশয়কে প্রসারিত ও স্তরযুক্ত করে গর্ভাবস্থার জন্য প্রস্তুত করে।
  • এছাড়াও, এটি মহিলাদের ঋতুচক্রের নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • প্রোজেস্টেরনের স্তর হরমোনাল ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং গর্ভাবস্থার সময় পর্যাপ্ত পুষ্টি ও উন্নয়নে সহায়ক।
Option C Explanation:
  1. প্রজনন স্বাস্থ্য: ইস্ট্রোজেন মহিলাদের প্রজনন সিস্টেমের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে।
  2. অন্ডকোষ ও জরায়ু বৃদ্ধিতে সহায়ক: এটি জরায়??? ও অন্ডকোষের বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  3. গর্ভাবস্থার জন্য প্রস্তুতি: গর্ভাবস্থার সময় জরায়ুর পৃষ্ঠের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে।
  4. শারীরিক পরিবর্তন: মহিলাদের দেহে বিভিন্ন শারীরিক পরিবর্তনের জন্য দায়ী, যেমন স্তনের উন্নয়ন ও হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি।
  5. অন্য হরমোনের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন: প্রোল্যাকটিন এবং অন্যান্য হরমোনের সাথে মিলিত হয়ে গর্ভাবস্থার স্বাভাবিকতা বজায় রাখে।
Option D Explanation:
  • ভ্যাসোপ্রেসিন: এটি একটি হরমোন যা মূলত হাইপোথ্যালামাসে উৎপন্ন হয় এবং পোষ্টেরিয়র পিটুইটারি গ্রন্থি দ্বারা নিঃসৃত হয়।
  • প্রধান কাজ: শরীরের জলসম্মিলন নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি শিরা ও কিডনি কর্তৃক জল শোষণের পরিমাণ বৃদ্ধি করে, ফলে প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় এবং শরীরের জলসমতা বজায় থাকে।
  • প্রভাব: যদি শরীরে জল কম হয় বা ডিহাইড্রেশন হয়, তবে ভ্যাসোপ্রেসিনের নিঃসরণ বাড়ে, যা প্রস্রাব কমিয়ে জল ধরে রাখতে সহায়তা করে।
  • উদাহরণ: এই হরমোনের কার্যকলাপের ফলে প্রস্রাবের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়।