টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সিফিলিস রোগের জন্য দায়ী নিচের কোনটি?

A. Treponema pallidum
B. Neisseria gonorrhoeae
C. Treponema vaginalis
D. Trichomonas vaginalis
সঠিক উত্তরঃ A. Treponema pallidum
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

সিফিলিস: কারণ, লক্ষণ ও বিস্তার 🧐

সিফিলিস একটি মারাত্মক যৌন সংক্রামক রোগ (STI)। এটি Treponema pallidum নামক ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে। সময় মতো চিকিৎসা না করালে এটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। 😥

Treponema pallidum সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • 🦠 এটি একটি স্পাইরাল আকৃতির (spirochete) ব্যাকটেরিয়া।
  • 🔬 এটি শুধুমাত্র মাইক্রোস্কোপের নিচে দেখা যায়।
  • 🧬 এর জটিল গঠন একে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী করে তুলতে পারে।
  • 🌡️ এটি উষ্ণ ও আর্দ্র পরিবেশে দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে।

সিফিলিসের পর্যায় 🗓️

  1. প্রাথমিক সিফিলিস: সাধারণত ব্যথাহীন ঘা (chancre) দেখা যায়। 🤕
  2. দ্বিতীয়িক সিফিলিস: ত্বকে ফুসকুড়ি, জ্বর, গলা ব্যথা হতে পারে। 🤒
  3. সুপ্ত সিফিলিস: কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে, কিন্তু সংক্রমণ শরীরে থাকে। 🤫
  4. টারশিয়ারি সিফিলিস: মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা, যেমন - হৃদরোগ, মস্তিষ্কের ক্ষতি, অন্ধত্ব ইত্যাদি হতে পারে। 💀

সিফিলিসের লক্ষণসমূহ:

পর্যায় লক্ষণ
প্রাথমিক ব্যথাহীন ঘা (chancre), লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া।
দ্বিতীয়িক ত্বকে ফুসকুড়ি (rash), জ্বর, ক্লান্তি, গলা ব্যথা, মাথাব্যথা।
সুপ্ত কোনো লক্ষণ নেই।
টারশিয়ারি হৃদরোগ, মস্তিষ্কের সমস্যা, স্নায়ুর ক্ষতি, অন্ধত্ব, পক্ষাঘাত।

সিফিলিস কিভাবে ছড়ায়? 📤

  • যৌন মিলনের মাধ্যমে (যোনি, পায়ু অথবা মুখ)। 👄 🍑
  • সংক্রমিত মায়ের থেকে সন্তানের মধ্যে (জন্মের সময়)। 🤰➡️👶
  • সংক্রমিত ব্যক্তির খোলা ঘা স্পর্শ করলে। 🤝

প্রতিরোধ ও চিকিৎসা 🛡️

  • নিরাপদ যৌন অভ্যাস অনুসরণ করুন (কনডম ব্যবহার)। 🚹↔️🚺
  • নিয়মিত স্ক্রিনিং করুন। 🩺
  • সিফিলিস ধরা পরলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করুন (সাধারণত পেনিসিলিন দিয়ে চিকিৎসা করা হয়)। 💉

সচেতন থাকুন, সুরক্ষিত থাকুন! 🙏

```
Option A Explanation:
  • Treponema pallidum: এটি এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া, যা সিফিলিস রোগের কারণ।
  • এটি একটি বিষাক্ত, খসখসে, স্লিপারি স্পিরিলাম (spiral-shaped bacteria) যা জীবাণু হিসেবে মানুষের দেহে প্রবেশ করে।
  • সাধারণত সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়ায়, যেমন যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে।
  • সিফিলিসের প্রাথমিক পর্যায়ে এটি সূচনালগ্নে ঘা বা ক্ষত সৃষ্টি করে, যা অপ্রকাশ্য থাকলেও সংক্রামক থাকে।
  • উপযুক্ত চিকিৎসা না করলে এটি অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব, তবে দ্রুত নির্ণয় ও চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
Option B Explanation:
  • নেইসেরিয়া গোঁনোরিয়া (Neisseria gonorrhoeae): এটি একটি ব্যাকটেরিয়া, যা গনোরিয়া রোগের জন্য দায়ী। এটি সাধারণত যোনিপথ, ইউরেথ্রা, গালগোলা, গাল ও গলা সংক্রমণ সৃষ্টি করে।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এটি একটি গ্রাম-নেগেটিভ ডোয়েল-নাকের আকারের ব্যাকটেরিয়া।
  • সংক্রমণের পদ্ধতি: সাধারণত যৌনসংক্রান্ত মাধ্যমে ছড়ায়। এটি সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে দ্রুত সংক্রমিত হয়।
  • উপসর্গ: পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে ইউরেথ্রা থেকে ক্ষরণ, যোনিপথে ব্যথা, জ্বালাপোড়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা যায়।
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব, তবে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও সতর্কতা জরুরি।
Option C Explanation:
  • Treponema vaginalis একটি ব্যাকটেরিয়া নয়, বরং এটি মূলত Trichomonas vaginalis-এর জন্য দায়ী একটি এককোষী পরজীবী, যা ট্রাইকোমোনিয়াসিস নামে পরিচিত।
  • এটি সাধারণত যৌন সংস্পর্শের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং যোনি, মূত্রথলি, ও যৌনাঙ্গের অন্যান্য অঙ্গের সংক্রমণ সৃষ্টি করতে পারে।
  • সাধারণ লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বালা, অস্বস্তি, হোতা বা অস্বাভাবিক নির্গমন, তবে অনেক সময় এটি নিরসর থাকতে পারে।
  • আসন্ন চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের প্রয়োজন হয়, যেমন মার্টেনিডাজোল।
  • এটি অন্যান্য যৌনসংক্রান্ত রোগের মতোই, কিন্তু সিফিলিসের জন্য দায়ী নয়।
Option D Explanation:
  • প্রকার: Trichomonas vaginalis একটি এককোষী প্রোটোজোয়া (protozoan) যা মানবদেহের উর্বরযোনি ও প্রস্রাবনালীতে বসবাস করে।
  • সংক্রমণের মাধ্যম: সাধারণত যৌনসংক্রমণের মাধ্যমে ছড়ায়।
  • লক্ষণ: মহিলাদের মধ্যে জ্বালা, খাজখাজ, অস্বস্তি, এবং দুর্বল গন্ধযুক্ত স্রাব হতে পারে; তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লক্ষণহীন থাকতে পারে। পুরুষদের মধ্যে অনেক সময় কোনও লক্ষণ দেখা যায় না।
  • চিকিৎসা: অ্যান্টিপ্রোটোজোয়াল ওষুধ যেমন metronidazole বা tinidazole দ্বারা চিকিৎসা সম্ভব।
  • প্রতিরোধ: সঙ্গীর সাথে যৌন সম্পর্কের সময় সুরক্ষা ব্যবহার এবং নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে সংক্রমণ রোধ করা যায়।