টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

হ্যালোজেন সমূহের সক্রিয়তার মধ্যে কোন ক্রমটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয়?

A. ফ্লোরিন > ব্রোমিন > আয়োডিন > ক্লোরিন
B. ব্রোমিন > ফ্লোরিন > ক্লোরিন > আয়োডিন
C. ফ্লোরিন > ক্লোরিন > ব্রোমিন > আয়োডিন
D. ক্লোরিন > আয়োডিন > ব্রোমিন > ফ্লোরিন
সঠিক উত্তরঃ C. ফ্লোরিন > ক্লোরিন > ব্রোমিন > আয়োডিন
Explanation: হ্যালোজেনের সক্রিয়তার ক্রম হলো ফ্লোরিন > ক্লোরিন > ব্রোমিন > আয়োডিন, তাই সঠিক উত্তর C। A. ভুল কারণ ফ্লোরিন সর্বাধিক সক্রিয়; B. ভুল কারণ ব্রোমিন ফ্লোরিনের চেয়ে কম সক্রিয়; D. ভুল কারণ ক্লোরিন ফ্লোরিনের চেয়ে কম সক্রিয়। নোট: হ্যালোজেনের সক্রিয়তা ইলেক্ট্রন গ্রহণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে।
Another Explanation (5):

হ্যালোজেনসমূহের সক্রিয়তার ক্রম: ফ্লোরিন > ক্লোরিন > ব্রোমিন > আয়োডিন 🧪

হ্যালোজেন গ্রুপ ১৭ এর অন্তর্ভুক্ত। এই গ্রুপের মৌলগুলো হলো ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I) এবং অ্যাস্টাটিন (At)। এদের মধ্যে অ্যাস্টাটিন তেজস্ক্রিয় এবং অত্যন্ত বিরল। হ্যালোজেনগুলোর মধ্যে ফ্লোরিন সবচেয়ে বেশি সক্রিয় এবং আয়োডিন সবচেয়ে কম। নিচে সক্রিয়তার কারণ এবং ক্রম আলোচনা করা হলো:

সক্রিয়তার কারণসমূহ 🧐

  1. পারমাণবিক আকার: হ্যালোজেন গ্রুপের মৌলগুলোর পারমাণবিক আকার উপর থেকে নিচে ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়। ফ্লোরিনের আকার সবচেয়ে ছোট এবং আয়োডিনের আকার সবচেয়ে বড়। ছোট আকারের কারণে ফ্লোরিনের নিউক্লিয়াস তার সর্ববহিস্থ স্তরের ইলেকট্রনকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করে।
  2. ইলেকট্রন আসক্তি: হ্যালোজেনের ইলেকট্রন আসক্তি বেশি। আকার ছোট হওয়ায় ফ্লোরিনের ইলেকট্রন আসক্তি বেশি হওয়ার কথা, কিন্তু এর ব্যতিক্রম দেখা যায়। ক্লোরিনের ইলেকট্রন আসক্তি ফ্লোরিনের চেয়ে বেশি, কারণ ফ্লোরিনের ছোট আকারের ইলেকট্রন মেঘে ইলেকট্রন প্রবেশে বিকর্ষণ বেশি হয়। তবে সাধারণভাবে হ্যালোজেনগুলোর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি থাকায় তারা সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে অ্যানায়নে পরিণত হতে পারে।
  3. তড়িৎ ঋণাত্মকতা: হ্যালোজেনগুলোর তড়িৎ ঋণাত্মকতা অনেক বেশি। ফ্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা সবচেয়ে বেশি (3.98)। এর কারণে ফ্লোরিন অন্য পরমাণু থেকে ইলেকট্রন নিজের দিকে টেনে নিতে পারে খুব সহজেই।
  4. বন্ধন শক্তি: X₂ (X = F, Cl, Br, I) বন্ধন ভাঙার শক্তি ফ্লোরিনের ক্ষেত্রে কম। এর কারণ হলো ফ্লোরিনের ছোট আকারের দুটি পরমাণু খুব কাছাকাছি থাকায় তাদের মধ্যে বিকর্ষণ ঘটে। এই কারণে ফ্লোরিনের বন্ধন সহজে ভেঙে যায় এবং এটি বেশি সক্রিয় হয়।

সক্রিয??তার ক্রম 📈

উপরের কারণগুলোর ওপর ভিত্তি করে হ্যালোজেনগুলোর সক্রিয়তার ক্রম নিচে দেওয়া হলো:

  • ফ্লোরিন (F₂) > ক্লোরিন (Cl₂) > ব্রোমিন (Br₂) > আয়োডিন (I₂)

অর্থাৎ, ফ্লোরিন সবচেয়ে বেশি সক্রিয় এবং আয়োডিন সবচেয়ে কম সক্রিয়।

তুলনামূলক সক্রিয়তার উদাহরণ 🧪🔥

হ্যালোজেন সক্রিয়তা উদাহরণ
ফ্লোরিন (F₂) খুবই সক্রিয় ফ্লোরিন সাধারণ তাপমাত্রায় প্রায় সকল মৌলের সাথে বিক্রিয়া করে। এমনকি এটি পানি থেকেও অক্সিজেনকে সরিয়ে দিতে পারে। 💦
ক্লোরিন (Cl₂) সক্রিয় ক্লোরিন অনেক ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে ক্লোরাইড উৎপন্ন করে। এটি জারক হিসেবেও কাজ করে।
ব্রোমিন (Br₂) কম সক্রিয় ব্রোমিন ধীরে ধীরে ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে ব্রোমাইড উৎপন্ন করে।
আয়োডিন (I₂) সবচেয়ে কম সক্রিয় আয়োডিন খুব ধীরে ধীরে ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে আয়োডাইড উৎপন্ন করে।

ব্যবহারিক প্রয়োগ 💡

  • ফ্লোরিন: দাঁতের ক্ষয়রোধক টুথপেস্টে (ফ্লোরাইড)। 🦷
  • ক্লোরিন: পানি বিশুদ্ধকরণে জীবাণুনাশক হিসেবে। 💧
  • ব্রোমিন: কীটনাশক ও ঔষধ তৈরিতে। 💊
  • আয়োডিন: অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে এবং থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে। ⚕️

আশা করি, হ্যালোজেনসমূহের সক্রিয়তার ক্রম এবং এর কারণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊