টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন পর্বের প্রাণিরা স্যুডোসিলুমেট নয়?

A. Nematoda
B. Arthropoda
C. Rotifera
D. Kinorhyncha
সঠিক উত্তরঃ B. Arthropoda
Explanation: প্রাণিদের পর্ব অনুযায়ী স্যুডোসিলুমেট নয় এমন পর্ব হলো আর্থ্রোপোডা। Nematoda এবং Rotifera স্যুডোসিলুমেট পর্বের অন্তর্ভুক্ত, আর Kinorhyncha আংশিকভাবে স্যুডোসিলুমেট হলেও Arthropoda সম্পূর্ণ কোএলোমেট। সুতরাং সঠিক উত্তর Option B।
Another Explanation (5):

স্যুডোসিলোমেট পর্ব নয়: আর্থ্রোপোডা

ভূমিকা

স্যুডোসিলোমেট প্রাণীরা হলো তারা যাদের দেহে প্রকৃত সিলোম (body cavity) থাকে না। সিলোম হলো মেসোডার্ম নামক ভ্রূণীয় কোষস্তর থেকে উদ্ভূত একটি গহ্বর। অন্যদিকে, স্যুডোসিলোম মেসোডার্ম ও এন্ডোডার্মের মাঝে গঠিত হয়। আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীরা স্যুডোসিলোমেট নয়। তাহলে তারা কী? 🤔 চলুন জেনে নেই!

স্যুডোসিলোমেট পর্বের বৈশিষ্ট্য

স্যুডোসিলোমেটদের কিছু বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
  • দেহ গহ্বরটি প্রকৃত সিলোম নয়।
  • মেসোডার্ম শুধুমাত্র দেহের প্রাচীর তৈরি করে, পরিপাকনালীকে আবৃত করে না।
  • সাধারণত Nematoda পর্বের প্রাণীরা এই বৈশিষ্ট্যের অধিকারী।
  • উদাহরণ: গোলকৃমি 🐛

আর্থ্রোপোডা পর্বের বৈশিষ্ট্য

আর্থ্রোপোডা (Arthropoda) পর্বের প্রাণীরা কেন স্যুডোসিলোমেট নয়, তা জানার আগে এই পর্বের বৈশিষ্ট্যগুলো জেনে নেওয়া যাক:
  1. বৈশিষ্ট্য ১: এদের দেহ কাইটিন (chitin) নির্মিত শক্ত বহিরাবরণ (exoskeleton) দ্বারা আবৃত। 🦀
  2. বৈশিষ্ট্য ২: দেহ খণ্ডায়িত (segmented) এবং প্রতিটি খণ্ড উপাঙ্গ (appendages) যুক্ত।
  3. বৈশিষ্ট্য ৩: এদের দেহে প্রকৃত সিলোম (true coelom) বিদ্যমান, যা সাধারণত পেরিকার্ডিয়াল (pericardial) গহ্বর এবং গোনাডে (gonad) সীমাবদ্ধ থাকে।
  4. বৈশিষ্ট্য ৪: এদের রক্ত সংবহনতন্ত্র উন্মুক্ত (open circulatory system)। ❤️‍🩹
  5. বৈশিষ্ট্য ৫: উদাহরণ: insect🐜, spider🕷️, crab 🦀 etc.

আর্থ্রোপোডা কেন স্যুডোসিলোমেট নয়?

আর্থ্রোপোডার স্যুডোসিলোমেট না হওয়ার মূল কারণ হলো:
  1. এদের ভ্রূণীয় বিকাশের সময় মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন হওয়া প্রকৃত সিলোম বিদ্যমান। যদিও এটি ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়, তবুও এর অস্তিত্ব থাকে।
  2. আর্থ্রোপোডার প্রধান দেহ গহ্বরটি হলো হিমোসিল (haemocoel), যা রক্ত দ্বারা পূর্ণ থাকে এবং এটি সিলোমের অংশ নয়।

তুলনামূলক আলোচনা

বৈশিষ্ট্য স্যুডোসিলোমেট আর্থ্রোপোডা
দেহ গহ্বর স্যুডোসিলোম (মেসোডার্ম ও এন্ডোডার্মের মাঝে) হিমোসিল (রক্তপূর্ণ) ও ক্ষয়প্রাপ্ত সিলোম
মেসোডার্ম দেহের প্রাচীর গঠন করে প্রকৃত সিলোম গঠন করে (যা পরে হ্রাস পায়)
উদাহরণ গোলকৃমি (Roundworm) কীটপতঙ্গ, মাকড়সা, চিংড়ি (Insects, Spiders, Shrimp)

উপসংহার

সুতরাং, আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীরা স্যুডোসিলোমেট নয়। তারা ইউসিলোমেট (eucoelomate) অর্থাৎ তাদের দেহে প্রকৃত সিলোম বিদ্যমান, যদিও তা হ্রাসপ্রাপ্ত। 🥳
Option A Explanation: ```html
  • Nematoda: ট্রকোফোর লার্ভা সাধারণত নেমাটোডা পর্বের প্রাণীতে দেখা যায়।
```
Option B Explanation:

Arthropoda মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

  • অঙ্গপ্রতিনিধি: শরীরের কাঠামো কঠিন কাঁটা বা শেল দিয়ে ঢাকা, যা সাধারণত বিভিন্ন ধাপে বিভক্ত (একাধিক অংশে বিভক্ত শরীর)।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: বহু সংখ্যক জোড়া পা, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে অবস্থিত।
  • স্নায়ুব্যবস্থা: উন্নত স্নায়ুতন্ত্র, যা বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
  • প্রজনন: সাধারণত উভলিঙ্গ বা পৃথক লিঙ্গের মাধ্যমে প্রজনন করে।
  • উৎপত্তি: প্রাথমিকভাবে স্থল, জলোচ্ছ্বাস, বা আড়াআড়ি পরিবেশে পাওয়া যায়।
  • নখ ও কাটা: শরীরের বিভিন্ন অংশে শক্তিশালী নখ বা কাটা থাকে, যা খাদ্যগ্রহণ ও গঠন কাজে সাহায্য করে।
  • উদাহরণ: মৌমাছি, মাছি, ঝিঁঝিঁ, চিংড়ি, পিঁপড়া ইত্যাদি।
Option C Explanation:
  • Rotifera: Rotifera, বা রোফিফেরা, একটি প্রজাতির অপ্রাধান্যপ্রাপ্ত প্রাণী যা সাধারণত জলজ পরিবেশে পাওয়া যায়।
  • এরা ছোট আকারের, সাধারণত 0.1 থেকে 2 মিমি পর্যন্ত, এবং তাদের মধ্যে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো তারা সংবেদী রোফিয়া বা "মোটরি ক্যাপসুল" দ্বারা আবৃত।
  • Rotifera প্রাণীদের মধ্যে সংবেদনশীলতা, চলাচল এবং খাদ্য গ্রহণের জন্য বিশেষ ধরনের সেলুলার অঙ্গ রয়েছে।
  • এরা বিভিন্ন ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমন্বয়ে গঠিত, যেমন মুখের অংশে দন্তকণা, যা খাদ্য সংগ্রহে সাহায্য করে।
  • প্রজনন প্রক্রিয়ায় তারা প্রায়শই অপ্রজনন বা দ্বিগুণ প্রজনন করে থাকেঃ বিশেষ করে, তারা অপ্রজনন দ্বারা দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
Option D Explanation:
  1. প্রজাতি: Kinorhyncha, যা সাধারণত "মাথা প্রাণি" বা "মাইক্রো-অর্গানিজম" হিসেবে পরিচিত।
  2. অবস্থান: এই গ্রুপটি সাধারণত ভূমিক্ষেত্র বা মাটির ভিতরে পাওয়া যায় এবং জলজ পরিবেশেও দেখা যায়।
  3. অঙ্গসংস্থান: এদের দেহটি ছোট, ধূসর বা স্বচ্ছ এবং বিভিন্ন ধরণের প্রাচীর দ্বারা ঘেরা।
  4. বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই প্রাণিগুলির দেহে সাধারণত মাথা, দেহ ও পা থাকে, এবং এরা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মাধ্যমে চলাচল করে।
  5. প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য: এরা সাধারণত লিঙ্গভেদে বিভক্ত এবং বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে প্রজনন পদ্ধতির পার্থক্য দেখা যায়।
  6. সাধারনত: এই প্রাণিগুলিকে প্রাথমিকভাবে স্যুডোসিলুমেট হিসেবে গণ্য করা হয় না।