লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

🌍 জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত কিয়োটা চুক্তি।
এই চুক্তিতে বিশ্বের প্রায় ১৯২টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। তবে, যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও পরবর্তীতে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। 🇺🇸🚫
এই চুক্তিতে ৬টি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর কথা বলা হয়েছে: 💨
অনেকে মনে করেন কিয়োটা চুক্তি বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে যথেষ্ট কার্যকর ছিল না। কারণ, বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিতে অংশগ্রহণ করেনি। এছাড়া, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় বৈশ্বিক নিঃসরণ তেমন একটা কমেনি। 📉
কিয়োটা চুক্তির পর প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। 🇫🇷
| বৈশিষ্ট্য | কিয়োটা চুক্তি | প্যারিস চুক্তি |
|---|---|---|
| লক্ষ্য | নির্দিষ্ট দেশগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা। | বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রিতে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা। |
| অংশগ্রহণ | উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। | প্রায় সকল দেশ অংশগ্রহণ করেছে। |
| বাধ্যবাধকতা | কিছু দেশের জন্য বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা ছিল। | নিজ নিজ জাতীয়ভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা (Nationally Determined Contributions - NDC)। |
📝 এই নিবন্ধটি কিয়োটা চুক্তির একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ। জলবায়ু পরিবর্তন একটি জটিল বিষয়, তাই এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য গবেষণা করা প্রয়োজন। 📚