টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বিশ্বের উষ্ণতা রোধের জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তি?

A. জেনেভা চুক্তি
B. কিয়োটা চুক্তি
C. সিটিবিটি
D. রোম চুক্তি
সঠিক উত্তরঃ B. কিয়োটা চুক্তি
Explanation:

Another Explanation (5):

🌎 বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়োটা চুক্তি: একটি পর্যালোচনা 📝

🌍 জলবায়ু পরিবর্তন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো ১৯৯৭ সালে স্বাক্ষরিত কিয়োটা চুক্তি।

📅 কিয়োটা চুক্তি: পটভূমি ও উদ্দেশ্য

  • স্বাক্ষরিত: ১১ই ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  • কার্যকর: ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৫
  • উদ্দেশ্য: গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো 🎯 এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ করা 🌡️।
  • লক্ষ্য: উন্নত দেশগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মাত্রা ১৯৯০ সালের তুলনায় গড়ে ৫.২ শতাংশ কমাতে বাধ্য করা।

🤝 অংশগ্রহণকারী দেশসমূহ

এই চুক্তিতে বিশ্বের প্রায় ১৯২টি দেশ অংশগ্রহণ করেছিল। তবে, যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেও পরবর্তীতে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। 🇺🇸🚫

📊 চুক্তির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ

  1. লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ: প্রতিটি উন্নত দেশের জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
  2. নমনীয়তা: দেশগুলোকে নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য পূরণের জন্য বিভিন্ন নমনীয় পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।
  3. পর্যালোচনা প্রক্রিয়া: চুক্তির কার্যকারিতা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।

📈 গ্রিনহাউস গ্যাসসমূহ

এই চুক্তিতে ৬টি প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর কথা বলা হয়েছে: 💨

  • কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)
  • মিথেন (CH4)
  • নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)
  • সালফার হেক্সাফ্লোরাইড (SF6)
  • হাইড্রোফ্লুরোকার্বনস (HFCs)
  • পারফ্লুরোকার্বনস (PFCs)

✅ কিয়োটা চুক্তির সুবিধা

  • বৈশ্বিক উষ্ণতা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি 📢
  • clean energy উন্নয়নে উৎসাহ প্রদান 🔆
  • আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি 🌍

❌ সীমাবদ্ধতা

  • যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ না করা 🇺🇸
  • উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা না থাকা
  • লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থতা

⚖️ সমালোচনা

অনেকে মনে করেন কিয়োটা চুক্তি বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে যথেষ্ট কার্যকর ছিল না। কারণ, বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তিতে অংশগ্রহণ করেনি। এছাড়া, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকায় বৈশ্বিক নিঃসরণ তেমন একটা কমেনি। 📉

📅 পরবর্তী পদক্ষেপ

কিয়োটা চুক্তির পর প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। 🇫🇷

টেবিল: কিয়োটা চুক্তি এবং প্যারিস চুক্তি

বৈশিষ্ট্য কিয়োটা চুক্তি প্যারিস চুক্তি
লক্ষ্য নির্দিষ্ট দেশগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা। বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রিতে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
অংশগ্রহণ উন্নত দেশগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। প্রায় সকল দেশ অংশগ্রহণ করেছে।
বাধ্যবাধকতা কিছু দেশের জন্য বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা ছিল। নিজ নিজ জাতীয়ভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা (Nationally Determined Contributions - NDC)।

📝 এই নিবন্ধটি কিয়োটা চুক্তির একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ। জলবায়ু পরিবর্তন একটি জটিল বিষয়, তাই এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য গবেষণা করা প্রয়োজন। 📚