লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
হুকের সূত্র নিম্নরূপঃ (স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে)
পীড়ন ∝ বিকৃতি

হুকের সূত্র স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে পীরণ এবং বিকৃতির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। এই সূত্র অনুযায়ী:
পীড়ন ∝ বিকৃতি
অর্থাৎ, স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে কোনো বস্তুর উপর প্রযুক্ত বলের কারণে সৃষ্ট পীড়ন তার বিকৃতির সাথে সরাসরি সমানুপাতিক।
গাণিতিকভাবে হুকের সূত্রকে এভাবে লেখা যায়:
σ = Eε
এখানে,
ইয়ং-এর গুণাঙ্ক হলো কোনো কঠিন বস্তুর স্থিতিস্থাপকতার পরিমাপ। এটি বস্তুর পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত। ইয়ং-এর গুণাঙ্ক যত বেশি, বস্তুটি তত বেশি স্থিতিস্থাপক।
E = σ/ε
স্প্রিং-এর উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি সহজে বোঝানো যায়। স্প্রিং-এর ওপর ওজন চাপিয়ে এর প্রসারণ মেপে হুকের সূত্র পরীক্ষা করা যেতে পারে।
| ওজন (W) 🏋️ | প্রসারণ (ΔL) 📏 | পীড়ন (σ) | বিকৃতি (ε) |
|---|---|---|---|
| 1 N | 0.01 m | নির্দিষ্ট মান | নির্দিষ্ট মান |
| 2 N | 0.02 m | নির্দিষ্ট মান | নির্দিষ্ট মান |
| 3 N | 0.03 m | নির্দিষ্ট মান | নির্দিষ্ট মান |
হুকের সূত্র শুধুমাত্র স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে প্রযোজ্য। স্থিতিস্থাপক সীমা অতিক্রম করলে বস্তুটি স্থায়ীভাবে বিকৃত হয়ে যায় এবং হুকের সূত্র আর খাটে না।
সীমা অতিক্রম করলে 💔।
আশা করি, হুকের সূত্রটি সহজে বুঝতে পেরেছেন। 👍