টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

Theophrastus কোন দেশের বিজ্ঞানী?

A. গ্রীক 
B. রোমান
C. চীন
D. রাশিয়া
E. জাপান
সঠিক উত্তরঃ A. গ্রীক 
Another Explanation (5): উপযুক্ত ব্যাখ্যা: Theophrastus তিনি প্রাচীন গ্রিসের একজন গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ও দার্শনিক। তিনি প্রাচীন গ্রীসের অ্যাথেন্সে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার কাজের মাধ্যমে প্রাচীন বৈজ্ঞানিক প্রজ্ঞা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি মূলত বোটানির (গাছপালা বিষয়ে) গবেষণার জন্য পরিচিত, এবং তার কাজের মাধ্যমে তিনি জীববিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন। অতএব, Theophrastus একজন গ্রীক বিজ্ঞানী।

প্রশ্ন: Theophrastus কোন দেশের বিজ্ঞানী?

উত্তর: গ্রীক

উপযুক্ত ব্যাখ্যা:

  • প্রাচীন গ্রীসের একজন গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক ও বিজ্ঞানী তিনি।
  • তাঁর জন্ম অ্যাথেন্সে, যেখানে তিনি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নিয়োজিত ছিলেন।
  • বিশেষ করে, তিনি গাছপালা ও জীববিজ্ঞানে তার কাজের জন্য পরিচিত।
  • তাই, তিনি গ্রীক দেশের একজন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী।
Option A Explanation:
  • গ্রীক ভাষা: ফসিল শব্দটির উৎপত্তি গ্রীক ভাষার "φόσ" (phós) থেকে, যার অর্থ "আলো" বা "আলোকিত"।
  • প্রাচীন গ্রীক সাহিত্যে এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছিল বিভিন্ন প্রকারের আলোকচিত্র বা আলোকের জন্য।
  • সময়ক্রমে, এই শব্দটি প্রাকৃতিক ইতিহাসে ব্যবহৃত হয় যখন জীবাশ্ম বা প্রাচীন জীবের অবশেষ বোঝানো হয়।
  • গ্রীক ভাষার এই শব্দটি লাতিন ভাষায় অনুবাদ হয়ে "fossilis" হয়ে যায়, যার অর্থ "অবশেষযুক্ত" বা "অবশেষয???ক্ত জীব"।
Option B Explanation:
  • রোমান: রোমান সভ্যতা ছিল প্রাচীন রোমের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত, যা মৌলিকভাবে দর্শন, আইন, প্রকৌশল, ও সামরিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল।
  • তাদের প্রভাব বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যায়, যেমন: স্থাপত্য, জলপ্রবাহ ব্যবস্থাপনা, এবং কৌতুক ও সাহিত্য।
  • রোমান বিজ্ঞানীরা মূলত গ্রীক বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে কাজ করেছিল এবং তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন আরও বিকাশ লাভ করে।
Option C Explanation:
  • অবস্থান: চীন এশিয়া মহাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত, যা এশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
  • অঞ্চল: চীন মূলত উত্তর-পূর্ব এশিয়ার অংশ।
  • প্রাণিভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য: এটি বিভিন্ন উচ্চভূমি, পর্বতশ্রেণী, এবং বিশাল সমভূমির জন্য পরিচিত। উত্তর চীন মূলত সমতল ভূমি এবং মরুভূমি দ্বারা আচ্ছাদিত।
  • উপযুক্ত অঞ্চল: চীনের উত্তরাঞ্চল, যেখানে নিআর্কটিক প্রবণতা নেই, বরং এটি মূলত শীতল জলবায়ু এবং শীতে হিমাঙ্কের নিচে নামতে পারে।
  • প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য: এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য দেখা যায়, যেমন ঠাণ্ডা জলবায়ু, বরফের আচ্ছাদিত পাহাড়, এবং শীতকালীন পরিবেশ।
Option D Explanation:
  • রাশিয়া: এই দেশটি এশিয়া মহাদেশের উত্তর-পূর্ব অংশে অবস্থিত।
  • বিশ্বের বৃহত্তম দেশগুলোর মধ্যে একটি, যার বিস্তৃতি ইউরেশিয়ায় বিস্তৃত।
  • রাশিয়া বিভিন্ন ধরণের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
  • বিশ্ববিখ্যাত স্পুটনিক মহাকাশযান রাশিয়া থেকেই উৎক্ষেপিত হয়েছে।
  • সোভিয়েত ইউনিয়নের সময় থেকে রাশিয়া বিভিন্ন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা ও উদ্ভাবনে অগ্রগামী।
Option E Explanation:
  • জাপান হলো পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ দেশ যা আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্য পরিচিত।
  • জাপানের বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এবং গবেষণা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
  • বিশ্বের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি যেমন সোনি, টয়োটা, ওয়াইটি, এবং ফুজি ফিল্ম জাপানে অবস্থিত।
  • জাপান বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়ে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে।
  • প্রাকৃতিক বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, ও অন্যান্য ক্ষেত্রেও জাপানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।