টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি মানুষের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক?

A. আলফা
B. বিটা
C. গামা
D. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তরঃ C. গামা
Explanation:
Another Explanation (3):

কোন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মি মানুষের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক?

  1. আলফা (Incorrect)
  2. বিটা (Incorrect)
  3. গামা (Correct)
  4. কোনটিই নয় (Incorrect)

তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive Rays)

তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে তিন ধরনের প্রধান রশ্মি নির্গত হয়: আলফা (α), বিটা (β), এবং গামা (γ)। এই রশ্মিগুলোর ভেদন ক্ষমতা এবং আয়নিত করার ক্ষমতা ভিন্ন ভিন্ন, যার ফলে এদের বিপদকারিতা বিভিন্ন মাত্রার হয়।

আলফা রশ্মি (Alpha Rays)

আলফা রশ্মি হলো দুটি প্রোটন এবং দুটি নিউট্রন সমন্বিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (4₂He)। এর ভর বেশি এবং আধান ধনাত্মক। আলফা রশ্ম???র ভেদন ক্ষমতা খুব কম, এটি কাগজ বা ত্বকের বাইরের স্তর ভেদ করতে পারে না। তবে, যদি আলফা রশ্মি শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে (যেমন শ্বাস বা খাবারের মাধ্যমে), তবে এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে কারণ এটি অল্প দূরত্বে প্রচুর আয়নিত করতে পারে, যার ফলে কোষের ক্ষতি হয়।

বিটা রশ্মি (Beta Rays)

বিটা রশ্মি হলো উচ্চ গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন বা পজিট্রন। এর ভর আলফা রশ্মির তুলনায় অনেক কম এবং আধান ঋণাত্মক বা ধনাত্মক হতে পারে। বিটা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশি, এটি কয়েক মিলিমিটার পর্যন্ত ত্বক ভেদ করতে পারে। বিটা রশ্মিও আয়নিত করার ক্ষমতা রাখে এবং ত্বকের ক্ষতি করতে পারে, তবে আলফা রশ্মির মতো ততটা তীব্র নয়।

গামা রশ্মি (Gamma Rays)

গামা রশ্মি হলো উচ্চ শক্তি সম্পন্ন তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ, ফোটন কণা দ্বারা গঠিত। এর কোনো ভর বা আধান নেই। গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা আলফা ও বিটা রশ্মির তুলনায় অনেক বেশি, এটি সহজেই শরীর ভেদ করে যেতে পারে এবং কংক্রিট বা সীসার পাত ভেদ করতে পারে। গামা রশ্মি জীবন্ত কোষের ডিএনএ (DNA) ধ্বংস করতে পারে এবং এর আয়নিত করার ক্ষমতাও যথেষ্ট বেশি, যা ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে বা কোষের কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে।

বিপদকারিতার তুলনা

সাধারণভাবে, ভেদন ক্ষমতা যত বেশি, রশ্মি তত বেশি বিপজ্জনক হতে পারে কারণ এটি শরীরের গভীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন অঙ্গ ও কোষের ক্ষতি করতে পারে। আয়নিত করার ক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কোষের গঠন ও কার্যকারিতা পরিবর্তন করতে পারে।

আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা কম হলেও, শরীরের ভেতরে প্রবেশ করলে এটি সবচেয়ে বেশি আয়নিত করতে পারে। বিটা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা মাঝারি এবং আয়নিত করার ক্ষমতাও মাঝারি। গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি এবং আয়নিত করার ক্ষমতাও যথেষ্ট বেশি, যার কারণে এটি শরীরের গভীরে প্রবেশ করে ব্যাপক ক্ষতি করতে পারে।

সিদ্ধান্ত

উপরের আলোচনা থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে যে, গামা রশ্মি মানুষের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক, কারণ এর ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি এবং এটি শরীরের গভীরে প্রবেশ করে কোষের ডিএনএ সহ গুরুত্বপূর্ণ অণুগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা ক্যান্সার এবং অন্যান্য মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণ হতে পারে।

টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন

বিষয়টি আরও সহজে বোঝার জন্য একটি টেবিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো:

রশ্মি গঠন ভর আধান ভেদন ক্ষমতা আয়নিত করার ক্ষমতা বিপদকারিতা
আলফা (α) হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (4₂He) বেশি +2 কম (কাগজ বা ত্বক ভেদ করতে পারে না) খুব বেশি শরীরের ভেতরে প্রবেশ করলে খুব বিপজ্জনক
বিটা (β) ইলেকট্রন বা পজিট্রন কম -1 বা +1 মাঝারি (কয়েক মিলিমিটার ত্বক ভেদ করতে পারে) মাঝারি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে
গামা (γ) ফোটন নেই 0 খুব বেশি (শরীর ভেদ করে কংক্রিট ভেদ করতে পারে) বেশি সবচেয়ে বিপজ্জনক, ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে

সঠিক উত্তর: C. গামা