লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

যে দ্রবণে সামান্য পরিমাণ অম্ল (Acid) অথবা ক্ষার (Base) যোগ করলে pH এর তেমন কোন পরিবর্তন হয় না, তাকে বাফার দ্রবণ বলে। 😲
বাফার দ্রবণ মূলত দুই প্রকার:
বাফার দ্রবণে একটি দুর্বল অম্ল এবং তার লবণ অথবা একটি দুর্বল ক্ষার এবং তার লবণ উপস্থিত থাকে। যখন অম্ল যোগ করা হয়, তখন লবণ অম্লের সাথে বিক্রিয়া করে pH এর পরিবর্তন হ্রাস করে। আবার, যখন ক্ষার যোগ করা হয়, তখন দুর্বল অম্ল ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে pH এর পরিবর্তন কমিয়ে দেয়। 😌
বাফার দ্রবণের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো:
| ক্ষেত্র | ব্যবহার |
|---|---|
| জৈবরসায়ন 🧪 | জৈবিক প্রক্রিয়াগুলোতে pH স্থিতিশীল রাখা। |
| ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প 💊 | ওষুধের কার্যকারিতা বজায় রাখা। |
| কৃষি 🌾 | মাটির pH নিয়ন্ত্রণ করা। |
| শিল্প উৎপাদন 🏭 | রাসায়নিক বিক্রিয়াগুলোর অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা। |
এই বাফার দ্রবণে অ্যাসিটিক অ্যাসিড (CH3COOH) একটি দুর্বল অম্ল এবং সোডিয়াম অ্যাসিটেট (CH3COONa) হলো এর লবণ। যখন এই দ্রবণে শক্তিশালী অম্ল (যেমন HCl) যোগ করা হয়, তখন সোডিয়াম অ্যাসিটেট HCl এর সাথে বিক্রিয়া করে অ্যাসিটিক অ্যাসিড তৈরি করে, যা pH এর পরিবর্তন কমিয়ে দেয়।
অন্যদিকে, যদি শক্তিশালী ক্ষার (যেমন NaOH) যোগ করা হয়, তবে অ্যাসিটিক অ্যাসিড NaOH এর সাথে বিক্রিয়া করে সোডিয়াম অ্যাসিটেট তৈরি করে এবং pH এর পরিবর্তন সীমিত রাখে।
রাসায়নিক বিক্রিয়া :
আশা করি, বাফার দ্রবণ সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😃