টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

“কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে” - এটি নিউটনের..

A. ১ম সূত্র
B. ২য় সূত্র
C. ৩য় সূত্র
D. মহাকর্ষ সূত্র
সঠিক উত্তরঃ B. ২য় সূত্র
Explanation:

Another Explanation (5):

নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র 🚀

নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্রটি কোনো বস্তুর উপর প্রযুক্ত বল এবং তার ভরবেগের পরিবর্তনের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সূত্র, যা বলবিদ্যা অধ্যয়নে ব্যবহৃত হয়।

সূত্রের মূল বক্তব্য 🎯

সূত্রটি অনুসারে:

"কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।"

ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ 🧐

এই সূত্রটিকে ভালোভাবে বুঝতে হলে, এর প্রতিটি অংশ আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন:

  1. ভরবেগ (Momentum): ভরবেগ হলো কোনো বস্তুর ভর (mass) এবং বেগের (velocity) গুণফল। একে সাধারণত p দ্বারা প্রকাশ করা হয়। গাণিতিকভাবে, p = mv। 🏃‍♀️
  2. ভরবেগের পরিবর্তনের হার: সময়ের সাথে ভরবেগের পরিবর্তনের হার বলতে বোঝায় প্রতি একক সময়ে ভরবেগের কতটা পরিবর্তন হচ্ছে। ⏰
  3. প্রযুক্ত বল (Applied Force): কোনো বস্তুর উপর যে বাহ্যিক শক্তি প্রয়োগ করা হয়, তাকে প্রযুক্ত বল বলে। একে সাধারণত F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 💪
  4. সমানুপাতিক (Proportional): ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অর্থাৎ, বল বাড়লে ভরবেগের পরিবর্তনের হারও বাড়বে এবং বল কমলে ভরবেগের পরিবর্তনের হারও কমবে। ⚖️

গাণিতিক রূপ ➕➖➗✖️

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রটিকে গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা যায়:

F = dp/dt

এখানে,

  • F হলো প্রযুক্ত বল (Force)।
  • p হলো ভরবেগ (Momentum)।
  • t হলো সময় (Time)।
  • dp/dt হলো সময়ের সাথে ভরবেগের পরিবর্তনের হার।

যদি ভর (m) ধ্রুবক থাকে, তবে সূত্রটি আরও সরল হয়:

F = ma

এখানে,

  • a হলো ত্বরণ (acceleration)। 🚗

সূত্রের প্রয়োগ ক্ষেত্র 🌍

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের প্রয়োগ অনেক বিস্তৃত। এর মধ্যে কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো:

ক্ষেত্র উদাহরণ
ক্রিকেট খেলা 🏏 ব্যাট দিয়ে বল মারা হলে বলের বেগের পরিবর্তন ঘটে, যা নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়।
রকেট উৎক্ষেপণ 🚀 রকেটের ইঞ্জিনে গ্যাস নির্গমনের ফলে রকেট উপরের দিকে চলে, এখানেও ভরবেগের পরিবর্তন কাজ করে।
গাড়ির গতি 🏎️ গাড়িতে এক্সেলারেটর চাপলে গাড়ির ত্বরণ বাড়ে, যা সরাসরি বলের সাথে সম্পর্কিত।

গুরুত্বপূর্ণ বি??য়াবলী 🤔

  • এই সূত্রটি শুধুমাত্র জড় কাঠামোতে (inertial frame of reference) প্রযোজ্য।
  • বলের দিক এবং ভরবেগের পরিবর্তনের দিক একই হতে হবে।
  • এটি একটি ভেক্টর রাশি, তাই এর মান এবং দিক উভয়ই গুরুত্বপূর্ণ।

সারসংক্ষেপ 📝

নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র বলবিদ্যা এবং পদার্থবিজ্ঞানের একটি ভিত্তি স্বরূপ। এটি বস্তুর গতি এবং বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে আমাদের চারপাশের জগৎকে বুঝতে সাহায্য করে। 👍