টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

গ্রীন কেমিস্ট্রিতে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ নীতি কোনটি?

A. প্রভাবকের ব্যবহার
B. নিরাপদ দ্রাবক ব্যবহার
C. সর্বোত্তম এটম ইকোনমি
D. দুর্ঘটনা প্রতিরোধ
সঠিক উত্তরঃ C. সর্বোত্তম এটম ইকোনমি
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

সবুজ রসায়ন (Green Chemistry)-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতি: অ্যাটম ইকোনমি ♻️

সবুজ রসায়ন বা গ্রিন কেমিস্ট্রির মূল লক্ষ্য হলো এমন রাসায়নিক প্রক্রিয়া তৈরি করা যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং সম্পদের ব্যবহার কমিয়ে আনে। এই ১২টি মূলনীতির মধ্যে, "অ্যাটম ইকোনমি" বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

অ্যাটম ইকোনমি কী? 🤔

অ্যাটম ইকোনমি হলো একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত উৎপাদ তৈরিতে কতগুলো পরমাণু ব্যবহৃত হলো তার পরিমাপ। এটি মূলত শতকরা হারে প্রকাশ করা হয়।

সহজ ভাষায়: বিক্রিয়ক (Reactant) থেকে উৎপাদ (Product) তৈরির সময় কতটুকু "বর্জ্য" তৈরি হচ্ছে, তা কম করাই হলো অ্যাটম ইকোনমির মূল উদ্দেশ্য।

কেন অ্যাটম ইকোনমি গুরুত্বপূর্ণ? 🌟

  • বর্জ্য হ্রাস: অ্যাটম ইকোনমি বেশি হলে বর্জ্য উৎপাদন কম হয়, যা পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক। 🗑️➡️🌳
  • খরচ কম: বর্জ্য কম হলে তা অপসারণ বা নিষ্ক্রিয় করার খরচ বাঁচে। 💰
  • দক্ষতা বৃদ্ধি: এটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার সামগ্রিক দক্ষতা বাড়ায়। 📈
  • টেকসই উন্নয়ন: অ্যাটম ইকোনমি পরিবেশ বান্ধব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে, যা টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখে। 🌱

অ্যাটম ইকোনমি পরিমাপের সূত্র: 🧪

অ্যাটম ইকোনমি (%) = (কাঙ্ক্ষিত উৎপাদের আণবিক ভর / বিক্রিয়কসমূহের মোট আণবিক ভর) x ১০০

একটি উদাহরণ: 📝

ধরা যাক, একটি বিক্রিয়ায় A + B থেকে C (কাঙ্ক্ষিত উৎপাদ) + D (বর্জ্য) তৈরি হয়।

যদি C-এর আণবিক ভর ৫০ গ্রাম/মোল হয় এবং A ও B-এর মোট আণবিক ভর ১০০ গ্রাম/মোল হয়, তাহলে:

অ্যাটম ইকোনমি = (৫০ / ১০০) x ১০০ = ৫০%

এর মানে হলো, ৫০% পরমাণু কাঙ্ক্ষিত উৎপাদে পরিণত হয়েছে এবং বাকি ৫০% বর্জ্য হিসেবে রয়ে গেছে।

অ্যাটম ইকোনমি বাড়ানোর উপায়: ⚙️

  1. যোজন বিক্রিয়া (Addition Reaction) ব্যবহার: যেখানে কোনো উপজাত (byproduct) তৈরি হয় না।
  2. অনুঘটক (Catalyst) ব্যবহার: যা বিক্রিয়ার গতি বাড়ায় এবং বর্জ্য কমায়। 🧪⚡
  3. পুনর্বিন্যাস বিক্রিয়া (Rearrangement Reaction) ব্যবহার: যেখানে পরমাণুগুলোর পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদ পাওয়া যায়।
  4. উপজাতকে পুনরায় ব্যবহার (Recycle): কোনো উপজাত তৈরি হলে, তাকে অন্য বিক্রিয়ায় ব্যবহার করা। ♻️

অ্যাটম ইকোনমির সুবিধা এবং অসুবিধা: 👍/👎

সুবিধা 👍 অসুবিধা 👎
পরিবেশবান্ধব 🌳 কিছু বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা কঠিন।
বর্জ্য হ্রাস 🗑️ বিক্রিয়া পরিকল্পনা জটিল হতে পারে।
খরচ সাশ্রয়ী 💰 কাঙ্ক্ষিত অনুঘটক খুঁজে বের করা সময়সাপেক্ষ হতে পারে।

উপসংহার: ✅

অ্যাটম ইকোনমি সবুজ রসায়নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এর মাধ্যমে বর্জ্য কমিয়ে, খরচ বাঁচিয়ে এবং পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব হ্রাস করে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব। তাই, রাসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করার সময় অ্যাটম ইকোনমির দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। 🌍❤️

```