লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
গ্রীন কেমিস্ট্রিতে অধিক তাৎপর্যপূর্ণ নীতি কোনটি?

সবুজ রসায়ন বা গ্রিন কেমিস্ট্রির মূল লক্ষ্য হলো এমন রাসায়নিক প্রক্রিয়া তৈরি করা যা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং সম্পদের ব্যবহার কমিয়ে আনে। এই ১২টি মূলনীতির মধ্যে, "অ্যাটম ইকোনমি" বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
অ্যাটম ইকোনমি হলো একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কাঙ্ক্ষিত উৎপাদ তৈরিতে কতগুলো পরমাণু ব্যবহৃত হলো তার পরিমাপ। এটি মূলত শতকরা হারে প্রকাশ করা হয়।
সহজ ভাষায়: বিক্রিয়ক (Reactant) থেকে উৎপাদ (Product) তৈরির সময় কতটুকু "বর্জ্য" তৈরি হচ্ছে, তা কম করাই হলো অ্যাটম ইকোনমির মূল উদ্দেশ্য।
অ্যাটম ইকোনমি (%) = (কাঙ্ক্ষিত উৎপাদের আণবিক ভর / বিক্রিয়কসমূহের মোট আণবিক ভর) x ১০০
ধরা যাক, একটি বিক্রিয়ায় A + B থেকে C (কাঙ্ক্ষিত উৎপাদ) + D (বর্জ্য) তৈরি হয়।
যদি C-এর আণবিক ভর ৫০ গ্রাম/মোল হয় এবং A ও B-এর মোট আণবিক ভর ১০০ গ্রাম/মোল হয়, তাহলে:
অ্যাটম ইকোনমি = (৫০ / ১০০) x ১০০ = ৫০%
এর মানে হলো, ৫০% পরমাণু কাঙ্ক্ষিত উৎপাদে পরিণত হয়েছে এবং বাকি ৫০% বর্জ্য হিসেবে রয়ে গেছে।
| সুবিধা 👍 | অসুবিধা 👎 |
|---|---|
| পরিবেশবান্ধব 🌳 | কিছু বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা কঠিন। |
| বর্জ্য হ্রাস 🗑️ | বিক্রিয়া পরিকল্পনা জটিল হতে পারে। |
| খরচ সাশ্রয়ী 💰 | কাঙ্ক্ষিত অনুঘটক খুঁজে বের করা সময়সাপেক্ষ হতে পারে। |
অ্যাটম ইকোনমি সবুজ রসায়নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এর মাধ্যমে বর্জ্য কমিয়ে, খরচ বাঁচিয়ে এবং পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব হ্রাস করে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব। তাই, রাসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করার সময় অ্যাটম ইকোনমির দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। 🌍❤️
```