লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
প্রশ্নটি প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে, কোন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।
প্রোটন হলো একধরনের মৌলিক কণা, যা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসে থাকে এবং তার ধনাত্মক চার্জ (positive charge) থাকে। এটি ১৯১৭ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড দ্বারা একটি বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয়। তবে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, যেটি হলো α-রশ্মি পরীক্ষা। আসুন আমরা এই পরীক্ষাটি বিস্তারিতভাবে বুঝে দেখি।
α-রশ্মি হলো হিলিয়াম আণবিক নিউক্লিয়াসের ধ্বংসাবশেষ, যার মধ্যে দুটি প্রোটন এবং দুটি নিউট্রন থাকে। এটি রাদারফোর্ডের বিখ্যাত পরীক্ষা ছিল, যা পরমাণু কাঠামোর বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তার পরীক্ষায়, α-রশ্মি পদার্থের সাথে আঘাত করলে কিভাবে নিউক্লিয়াসের অন্তর্গত প্রোটন বেরিয়ে আসে, তা তিনি লক্ষ্য করেছিলেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, প্রোটন পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
ক্যাথোড রশ্মি (Cathode Rays):
ক্যাথোড রশ্মি পরীক্ষা ছিল ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জোসেফ জন থমসন দ্বারা, যার মাধ্যমে তিনি ইলেকট্রনের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন। এটি প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য নয়।
অ্যানোড রশ্মি (Anode Rays):
অ্যানোড রশ্মি বা ক্যানন রশ্মি মূলত প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য নয়, বরং থমসন এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে মৌলিক কণার গঠন নিয়ে গবেষণা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ক্যানেল রশ্মি (Canal Rays):
এটি অ্যানোড রশ্মির সমার্থক, যা অ্যানোড রশ্মির মাধ্যমে অধ্যয়ন করা হয়। এখানে প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে কোন তাত্পর্যপূর্ণ পরীক্ষা হয়নি।
| অপশন | পরীক্ষার নাম | প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণ | সঠিকতা |
|---|---|---|---|
| A | ক্যাথোড রশ্মি | না | ভুল |
| B | অ্যানোড রশ্মি | না | ভুল |
| C | ক্যানেল রশ্মি | না | ভুল |
| D | ɑ-রশ্মি (Alpha Rays) | হ্যাঁ | সঠিক |
প্রোটনের অস্তিত্ব প্রথমবারের মতো প্রমাণিত হয়েছিল α-রশ্মি পরীক্ষার মাধ্যমে, তাই সঠিক উত্তর হল D: ɑ-রশ্মি।
১৯১১ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং তার সহকর্মীরা (হ্যান্স গাইগার এবং আর্নেস্ট মার্সডেন) একটি যুগান্তকারী পরীক্ষা চালান, যা "আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা" নামে পরিচিত। এই পরীক্ষাটি প্রোটনের অস্তিত্বের প্রথম জোরালো প্রমাণ দেয়।
| পর্যবেক্ষণ | ব্যাখ্যা |
|---|---|
| বেশিরভাগ আলফা কণা সরাসরি চলে যায় | পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌 |
| কিছু কণা বেঁকে যায় | আলফা কণা ধনাত্মক চার্জযুক্ত এবং পরমাণুর কেন্দ্রে একটি ক্ষুদ্র, ঘন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত অঞ্চল (নিউক্লিয়াস) রয়েছে। ➕➕ বিকর্ষণের কারণে কণা বেঁকে যায়। |
| খুব কম কণা ফিরে আসে | নিউক্লিয়াসের আকার খুবই ছোট এবং এটি পরমাণুর কেন্দ্রে ঘনীভূত। 🎯 |
এই পরীক্ষা থেকে রাদারফোর্ড এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে:
আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা পারমাণবিক মডেলের বিকাশে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এটি প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণ করে এবং পরমাণুর গঠন সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়। এই পরীক্ষার ফলেই রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল (Rutherford atomic model) প্রতিষ্ঠিত হয়।
আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📚
ধন্যবাদ! 😊