টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়?

A. ক্যাথোড রশ্মি
B. অ্যানোড রশ্মি
C. ক্যানেল রশ্মি
D. ɑ-রশ্মি
সঠিক উত্তরঃ D. ɑ-রশ্মি
Explanation: প্রশ্ন বিশ্লেষণ: প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় α-রশ্মির পরীক্ষার মাধ্যমে, যা রাদারফোর্ডের সোনার পাত পরীক্ষার অংশ। অপশন বিশ্লেষণ: Option A: ভুল, ক্যাথোড রশ্মি ইলেকট্রনের অস্তিত্ব নির্দেশ করে। Option B: ভুল, অ্যানোড রশ্মি পজিটিভ আয়ন নির্দেশ করে। Option C: ভুল, ক্যানেল রশ্মি নিউক্লিয়ার গঠন বোঝায় না। Option D: সঠিক, α-রশ্মি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোটনের প্রমাণ মেলে। নোট: রাদারফোর্ডের সোনার পাত পরীক্ষায় α-রশ্মি প্রয়োগ করে প্রোটনের ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়।
Another Explanation (3):

প্রশ্নটি প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণের সঙ্গে সম্পর্কিত। এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে, কোন পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।

প্রশ্নের বিশ্লেষণ:

প্রোটন হলো একধরনের মৌলিক কণা, যা পারমাণবিক নিউক্লিয়াসে থাকে এবং তার ধনাত্মক চার্জ (positive charge) থাকে। এটি ১৯১৭ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড দ্বারা একটি বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে আবিষ্কৃত হয়। তবে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছিল, যেটি হলো α-রশ্মি পরীক্ষা। আসুন আমরা এই পরীক্ষাটি বিস্তারিতভাবে বুঝে দেখি।

α-রশ্মি (Alpha Radiation) পরীক্ষা:

α-রশ্মি হলো হিলিয়াম আণবিক নিউক্লিয়াসের ধ্বংসাবশেষ, যার মধ্যে দুটি প্রোটন এবং দুটি নিউট্রন থাকে। এটি রাদারফোর্ডের বিখ্যাত পরীক্ষা ছিল, যা পরমাণু কাঠামোর বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তার পরীক্ষায়, α-রশ্মি পদার্থের সাথে আঘাত করলে কিভাবে নিউক্লিয়াসের অন্তর্গত প্রোটন বেরিয়ে আসে, তা তিনি লক্ষ্য করেছিলেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, প্রোটন পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

অন্যান্য রশ্মির বিশ্লেষণ:

  1. ক্যাথোড রশ্মি (Cathode Rays):

    • ক্যাথোড রশ্মি পরীক্ষা ছিল ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জোসেফ জন থমসন দ্বারা, যার মাধ্যমে তিনি ইলেকট্রনের অস্তিত্ব আবিষ্কার করেন। এটি প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য নয়।

  2. অ্যানোড রশ্মি (Anode Rays):

    • অ্যানোড রশ্মি বা ক্যানন রশ্মি মূলত প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণের জন্য নয়, বরং থমসন এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীদের মাধ্যমে মৌলিক কণার গঠন নিয়ে গবেষণা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

  3. ক্যানেল রশ্মি (Canal Rays):

    • এটি অ্যানোড রশ্মির সমার্থক, যা অ্যানোড রশ্মির মাধ্যমে অধ্যয়ন করা হয়। এখানে প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণের উদ্দেশ্যে কোন তাত্পর্যপূর্ণ পরীক্ষা হয়নি।

টেবিল আকারে উপস্থাপন:

অপশন পরীক্ষার নাম প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণ সঠিকতা
A ক্যাথোড রশ্মি না ভুল
B অ্যানোড রশ্মি না ভুল
C ক্যানেল রশ্মি না ভুল
D ɑ-রশ্মি (Alpha Rays) হ্যাঁ সঠিক

উপসংহার:

প্রোটনের অস্তিত্ব প্রথমবারের মতো প্রমাণিত হয়েছিল α-রশ্মি পরীক্ষার মাধ্যমে, তাই সঠিক উত্তর হল D: ɑ-রশ্মি।

 
Another Explanation (5):

প্রোটনের অস্তিত্বের প্রমাণ: আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা ⚛️

১৯১১ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড এবং তার সহকর্মীরা (হ্যান্স গাইগার এবং আর্নেস্ট মার্সডেন) একটি যুগান্তকারী পরীক্ষা চালান, যা "আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা" নামে পরিচিত। এই পরীক্ষাটি প্রোটনের অস্তিত্বের প্রথম জোরালো প্রমাণ দেয়।

পরীক্ষার মূল উপাদান 🧪

  • আলফা কণা উৎস (ɑ-কণা): তেজস্ক্রিয় পদার্থ (যেমন পোলোনিয়াম) থেকে নির্গত আলফা কণা ব্যবহার ক???া হয়।
  • সোনার পাত (Gold Foil): অত্যন্ত পাতলা সোনার পাতের ওপর আলফা কণা নিক্ষেপ করা হয়।
  • সনাক্তকারী পর্দা (Detector Screen): জিঙ্ক সালফাইড (ZnS) -এর প্রলেপযুক্ত পর্দা, যা আলফা কণার আঘাত পেলে আলোক ঝলক (scintillation) সৃষ্টি করে এবং কণার বিক্ষেপণ শনাক্ত করে।

পরীক্ষার পদ্ধতি 🔬

  1. আলফা কণাগুলোকে সোনার পাতের দিকে তীব্র গতিতে চালনা করা হয়।
  2. বেশিরভাগ কণা সরাসরি সোনার পাত ভেদ করে চলে যায়।
  3. কিছু কণা সামান্য কোণে বেঁকে যায়।
  4. অত্যন্ত বিরল সংখ্যক কণা (প্রায় ২০,০০০ টির মধ্যে ১টি) প্রায় ১৮০° কোণে ফিরে আসে।

পর্যবেক্ষণ এবং ব্যাখ্যা 🧐

পর্যবেক্ষণ ব্যাখ্যা
বেশিরভাগ আলফা কণা সরাসরি চলে যায় পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌
কিছু কণা বেঁকে যায় আলফা কণা ধনাত্মক চার্জযুক্ত এবং পরমাণুর কেন্দ্রে একটি ক্ষুদ্র, ঘন এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত অঞ্চল (নিউক্লিয়াস) রয়েছে। ➕➕ বিকর্ষণের কারণে কণা বেঁকে যায়।
খুব কম কণা ফিরে আসে নিউক্লিয়াসের আকার খুবই ছোট এবং এটি পরমাণুর কেন্দ্রে ঘনীভূত। 🎯

সিদ্ধান্ত 💡

এই পরীক্ষা থেকে রাদারফোর্ড এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে:

  • পরমাণুর কেন্দ্রে একটি ছোট, ভারী এবং ধনাত্মক চার্জযুক্ত অঞ্চল বিদ্যমান, যা নিউক্লিয়াস নামে পরিচিত।
  • নিউক্লিয়াসের ধনাত্মক চার্জ মূলত প???রোটন নামক কণা দ্বারা গঠিত।
  • পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা এবং ইলেকট্রন নামক ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা নিউক্লিয়াসের চারপাশে ঘোরে। 💫

গুরুত্ব ✨

আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা পারমাণবিক মডেলের বিকাশে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। এটি প্রোটনের অস্তিত্ব প্রমাণ করে এবং পরমাণুর গঠন সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে দেয়। এই পরীক্ষার ফলেই রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল (Rutherford atomic model) প্রতিষ্ঠিত হয়।

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📚

ধন্যবাদ! 😊