লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

মেন্ডেলের প্রথম সূত্র, যা পৃথকীকরণের সূত্র নামে পরিচিত, অনুযায়ী একটি জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের জন্য দুটি অ্যালিল থাকে এবং জননকোষ তৈরির সময় এই অ্যালিলগুলো পৃথক হয়ে যায়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়, দুটি ভিন্ন জিনের অ্যালিলগুলো মিলিতভাবে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, যা মেন্ডেলের সূত্রের ব্যতিক্রম। পরিপূরক জিন হলো তেমনই একটি ব্যতিক্রম। 🤔
যখন দুটি ভিন্ন loci-তে অবস্থিত দুটি প্রচ্ছন্ন (recessive) জিন মিলিতভাবে একটি প্রকট (dominant) বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, তখন সেই জিনগুলোকে পরিপূরক জিন বলে। অর্থাৎ, একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য দুটি ভিন্ন জিনের উপস্থিতি আবশ্যক। 🤝
সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো মটরশুঁটি গাছের ফুলের রং। ধরা যাক, ফুলের রং তৈরির জন্য দুটি জিন 'A' এবং 'B' দায়ী।
| জিনোটাইপ | ফুলের রং |
|---|---|
| AABB, AABb, AaBB, AaBb | বেগুনী 💜 |
| AAbb, Aabb, aaBB, aaBb, aabb | সাদা 🤍 |
এখানে, বেগুনী রং হওয়ার জন্য কমপক্ষে একটি 'A' এবং একটি 'B' অ্যালিল থাকতে হবে। যদি কোনো গাছের জিনোটাইপ AAbb, Aabb, aaBB, aaBb অথবা aabb হয়, তবে ফুল সাদা হবে। 🤓
যদি দুটি ভিন্ন জিনোটাইপ (AaBb) সম্পন্ন গাছের মধ্যে ক্রস করানো হয়, তবে F2 বংশধরে ফিনোটাইপের অনুপাত হবে:
অর্থাৎ, অনুপাতটি হবে 9:7। 🎉
পরিপূরক জিন মেন্ডেলের সূত্রের ব্যতিক্রম হলেও, এটি বংশগতি এবং বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে আরও সমৃদ্ধ করে। এটি প্রমাণ করে যে জিনগুলো সবসময় সরলভাবে কাজ করে না, বরং জটিলভাবে আন্তঃক্রিয়া করতে পারে। 💫
আরও জানতে চোখ রাখুন! 😉
```