টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কে,কত সালে α কণার বিচ্ছুরণ পরীক্ষাটি করেন?

A. রাদারফোর্ড, ১৯১১
B. মোসলে, ১৯১৩
C. জে জে থমসন, ১৯১১
D. গোল্ডস্টোন, ১৮৮৬
সঠিক উত্তরঃ A. রাদারফোর্ড, ১৯১১
Explanation: রাদারফোর্ড ১৯১১ সালে α কণার বিচ্ছুরণ পরীক্ষাটি করেন। সঠিক উত্তর A। B (মোসলে, ১৯১৩) ভুল কারণ এটি ভিন্ন গবেষণা; C (জে জে থমসন, ১৯১১) ভুল কারণ থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন; D (গোল্ডস্টোন, ১৮৮৬) ভুল কারণ তিনি ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে কাজ করেন। নোট: এই পরীক্ষায় পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের ধারণা প্রমাণিত হয়।
Another Explanation (5):

α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা (আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা) ⚛️

আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষাটি পদার্থবিজ্ঞানের একটি যুগান্তকারী পরীক্ষা। এই পরীক্ষা থেকেই পরমাণুর গঠন সম্পর্কে আমাদের ধারণা সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

পরীক্ষার প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য 🤔

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বিজ্ঞানীরা পরমাণুর গঠন সম্পর্কে বিভিন্ন মতবাদ দিচ্ছিলেন। Thomson এর প্লাম পুডিং মডেল সেই সময় বেশ জনপ্রিয় ছিল। রাদারফোর্ড এই মডেল যাচাই করতে চেয়েছিলেন। তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল:

  • পরমাণুর অভ্যন্তরীন গঠন সম্পর্কে ধারণা লাভ করা। 🎯
  • Thomson এর পরমাণু মডেলের যথার্থতা পরীক্ষা করা। ✅
  • তেজস্ক্রিয় রশ্মি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা। ☢️

পরীক্ষার মূল বিষয় 🔬

এই পরীক্ষায়, আলফা কণা (α কণা)-কে একটি সোনার পাতের (Gold Foil) উপর নিক্ষেপ করা হয়েছিল। আলফা কণা হলো হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (4He2)।

পরীক্ষার উপকরণ 🔩

  1. আলফা কণা উৎস: রেডিয়াম বা পোলোনিয়াম (আলফা কণা নির্গত করার জন্য)।
  2. সোনার পাত: খুবই পাতলা সোনার ফয়েল (প্রায় 10-6 মিটার পুরু)। 🥇
  3. জিঙ্ক সালফাইড স্ক্রিন: বিক্ষিপ্ত আলফা কণা সনাক্ত করার জন্য। 🔦
  4. সীসার বাক্স: আলফা কণা উৎসকে সুরক্ষিত রাখার জন্য। 🛡️
  5. কোলিমিটার: আলফা কণার স্রোতকে সরু করার জন্য।

পরীক্ষার পদ্ধতি ⚙️

  1. আলফা কণা উৎস থেকে নির্গত কণাগুলোকে একটি সরু ছিদ্রের মধ্য দিয়ে সোনার পাতের উপর ফেলা হয়।
  2. সোনার পাতের চারদিকে জিঙ্ক সালফাইড স্ক্রিন রাখা হয়, যা আলফা কণা দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হলে আলোক ঝলক সৃষ্টি করে। ✨
  3. পর্যবেক্ষণ করা হয়, কতগুলো আলফা কণা সরাসরি চলে যাচ্ছে, কতগুলো সামান্য বেঁকে যাচ্ছে এবং কতগুলো वापस (180° কোণে) ফিরে আসছে। ↩️

পর্যবেক্ষণ 👁️‍🗨️

পর্যবেক্ষণে যা দেখা গেল, তা ছিল বেশ অপ্রত্যাশিত:

  • বেশিরভাগ আলফা কণা সোনার পাত ভেদ করে সরাসরি চলে যায়। ➡️
  • কিছু সংখ্যক কণা সামান্য কোণে বেঁকে যা???। ↗️
  • অত্যন্ত অল্প সংখ্যক কণা (প্রায় 20,000 টির মধ্যে 1টি) যে পথে গিয়েছিল, প্রায় সেই পথেই ফিরে আসে। 🔙

ফলাফল ও ব্যাখ্যা 💡

এই পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে রাদারফোর্ড নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তে উপনীত হন:

  1. পরমাণুর বেশিরভাগ স্থানই ফাঁকা। 🌌
  2. পরমাণুর কেন্দ্রে খুব ছোট একটি স্থানে ধনাত্মক চার্জ (positive charge) এবং বেশিরভাগ ভর কেন্দ্রীভূত থাকে। এই স্থানটিকে নিউক্লিয়াস (nucleus) বলা হয়। ☢️ ядро
  3. নিউক্লিয়াসের আকার পরমাণুর আকারের তুলনায় খুবই ছোট। 🤏

রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেল 📝

এই পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে রাদারফোর্ড পরমাণুর একটি নতুন মডেল প্রস্তাব করেন, যা সৌরজগতের সাথে তুলনীয়। এই মডেলে:

  • পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে নিউক্লিয়াস, যেখানে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে। ☀️
  • নিউক্লিয়াসের চারিদিকে ইলেকট্রনগুলো বিভিন্ন কক্ষপথে ঘোরে। 🪐

পরীক্ষার তাৎপর্য 🌟

আলফা কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা পরমাণুphysiবিদ্যার ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এই পরীক্ষা:

  • পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করে। ✅
  • পরমাণুর গঠন সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করে দেয়। 🔄
  • পরমাণুphysics এবং কোয়ান্টাম মেকানিক্সের (quantum mechanics) বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 🚀

কৃতজ্ঞতা 🙏

এই পরীক্ষাটি পরিচালনা করার জন্য আর্নেস্ট রাদারফোর্ড (Ernest Rutherford) এবং তার সহকর্মীদের অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে হান্স গাইগার (Hans Geiger) এবং আর্নেস্ট মার্সডেন (Ernest Marsden) এর কথা উল্লেখ করতেই হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
বিষয় তথ্য
পরীক্ষার সাল 📅 ১৯১১
বিজ্ঞানী 👨‍🔬 আর্নেস্ট রাদারফোর্ড
ব্যবহৃত কণা partículas আলফা কণা (4He2)
লক্ষ্যবস্তু 🎯 সোনার পাত (Gold Foil)

আরও জানতে Wikipedia এবং বিভিন্ন পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট দেখুন। 😉