টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কোন পর্বের প্রাণীদের সমুদ্রের ফুল বলা হয়?

A. Porifera
B. Mollusca
C. Cnidaria
D. Echinodermata
সঠিক উত্তরঃ C. Cnidaria
Explanation: স্নিডেরিয়া (Cnidaria) পর্বের প্রাণীদের সমুদ্রের ফুল বলা হয়, কারণ তাদের অনেক প্রজাতি পলিপ আকারে থাকে এবং দেখতে ফুলের মতো। Porifera হলো স্পঞ্জ, Mollusca হলো শামুকজাতীয় প্রাণী, এবং Echinodermata হলো স্টারফিশ। সঠিক উত্তর Option C।
Another Explanation (5):

🌊 নিডারিয়া পর্বের প্রাণী: যাদের বলা হয় সমুদ্রের ফুল 🌸

নিডারিয়া (Cnidaria) পর্বের প্রাণীদের প্রায়ই "সমুদ্রের ফুল" নামে অভিহিত করা হয়। এদের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রজাতি যেমন কোরাল, জেলিফিশ, হাইড্রা এবং সি অ্যানিমোন তাদের আকর্ষণীয় গঠন এবং রঙিন উপস্থিতির কারণে পরিচিত।

নিডারিয়া পর্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • দ্বিস্তর বিশিষ্ট গঠন: এদের দেহ মূলত দুইটি কোষস্তর দ্বারা গঠিত - বহিস্ত্বক (epidermis) এবং অন্তঃস্ত্বক (gastrodermis)।
  • সিলোমবিহীন: এদের দেহে কোনো প্রকৃত সিলোম গহ্বর থাকে না।
  • নালীযুক্ত দেহ: এদের একটিমাত্র নালী থাকে যা মুখ ও পায়ু উভয় হিসেবে কাজ করে।
  • কোষিকা: এদের Tentacle এ "নিডোসাইট" নামক বিশেষ কোষ থাকে, যা শিকার ধরা এবং আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়। 🎯
  • স্নায়ুতন্ত্র: বিক্ষিপ্ত স্নায়ু কোষের জাল বিদ্যমান।
  • বহুরূপতা: পলিপ (Polyp) ও মেডুসা (Medusa) এই দুইটি প্রধান দৈহিক গঠন দেখা যায়।
  • জীবনচক্র: এদের জীবনচক্রে যৌন ও অযৌন জনন উভয়ই দেখা যায়।

কেন এদের সমুদ্রের ফুল বলা হয়? 🤔

নিডারিয়া পর্বের অনেক প্রজাতি, বিশেষ করে সি অ্যানিমোন এবং কোরাল তাদের উজ্জ্বল রং এবং ফুলের মতো আকৃতির জন্য সমুদ্রের底দেশে সুন্দর দৃশ্য তৈরি করে। এদের এই সৌন্দর্য দর্শকদের আকৃষ্ট করে, তাই এদের "সমুদ্রের ফুল" বলা হয়। 🌺

নিডারিয়া পর্বের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রাণী:

প্রাণীর নাম বৈশিষ্ট্য ছবি
কোরাল (Coral) 🪸 কঠিন বহিরাবরণ যুক্ত, যা ক্যালসিয়াম কার্বোনেট দিয়ে গঠিত। এরা দলবদ্ধভাবে বাস করে এবং প্রবাল প্রাচীর তৈরি করে। কোরাল
জেলিফিশ (Jellyfish) 🎐 নরম শরীর এবং নড়াচড়া করার জন্য ঘণ্টা আকৃতির গঠন বিদ্যমান। এদের Tentacle এ বিষাক্ত নিডোসাইট থাকে। জেলিফিশ
সি অ্যানিমোন (Sea Anemone) 🌷 নলাকার দেহ এবং উপরের দিকে Tentacle যুক্ত। এরা শিকার ধরে খাদ্য গ্রহণ করে। সি অ্যানিমোন

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:

  • নিডারিয়া পর্বের প্রাণীরা সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 🐠
  • কোরাল প্রাচীর বিভিন্ন সামুদ্রিক জীবের আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে। 🏠
  • কিছু প্রজাতির জেলিফিশ মানুষের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে। ☠️

আশা করি, নিডারিয়া পর্ব এবং কেন এদের সমুদ্রের ফুল বলা হয় সে সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা পেয়েছেন। আরও জানতে চাইলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। 😊

Option A Explanation:
  • Porifera (নমুনা: স্পঞ্জ প্রজাতি):
    • প্রাণীর শ্রেণি: সরল ও অঙ্গবিহীন প্রাণী
    • সংখ্যা: প্রায় ৫,০০০ প্রজাতি
    • বৈশিষ্ট্য:
      • সাধারণত জলাশয়ে বাস করে
      • শরীরের গঠন: স্পঞ্জের মতো খোলে ভর্তি কাঠামো
      • অঙ্গপ্রতিমা বা জৈবিক উন্নয়নপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় না
    • লাইফ সাইকেল: সাধারণত স্পঞ্জের জীবনচক্রে লার্ভা ধাপ হয়, তবে Amphiblastula নামে বিশেষ লার্ভা পাওয়া যায় না
Option B Explanation:
  • মোল্লাস্কা (Mollusca): এই পর্বের প্রাণিরা সাধারণত শেল দ্বারা আচ্ছাদিত থাকে এবং জলজ পরিবেশে বেশি দেখা যায়।
  • উদাহরণ: শামুক, অক্টোপাস, স্লুজ, ক্ল্যাম, চিংড়ি ইত্যাদি।
  • বিশেষ বৈশিষ্ট্য: এই পর্বের প্রাণিদের শরীর সাধারণত একটিমাত্র টিস্যু স্তর দিয়ে গঠিত, এবং শরীরের মধ্যে একটি পেটোড (visceral mass) থাকে যেখানে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থাকে।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গ: বিভিন্ন প্রকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের উপস্থিতি দেখা যায়, যেমন হৃদয়, পেট, এবং শ্বাসতন্ত্র।
  • উপকারিতা: মানব জীবন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ, যেমন খাদ্য, ওষুধ, এবং শেলপ্রাচীন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
Option C Explanation:
  • Cnidaria: Cnidaria পর্বের প্রাণীদের মধ্যে সাধারণত Amphiblastula লার্ভা পাওয়া যায় না।
  • এরা মূলত জলজ প্রাণী, যেমন অমেরুদণ্ডী, যা সাধারণত জেলি মাছ বা অ্যাম্বুলারিয়া প্রজাতির মতো স্রোতপ্রবাহে জীবিত থাকে।
  • Cnidaria এর লার্ভা সাধারণত প্লানুলা বা ট্র্যাফোজোইয়া ধরণের হয়, যা সাধারণত Amphiblastula নয়।
Option D Explanation:
  • Echinodermata: এই পর্বের প্রাণীদের শরীরের অভ্যন্তরে পেরিহিমালতন্ত্র (Perihymenium) থাকে।
  • প্রধান বৈশিষ্ট্য: এদের শরীরের বাহ্যিক স্তরটি ধাতবীয় বা ক্যালসিয়াম কাঠামো দ্বারা গঠিত হয়ে থাকে, যা তাদের স্বাভাবিক গঠনকে দৃঢ় করে তোলে।
  • উদাহরণ: তারা, এস্তেরিয়া, কসমোডোরা, হ্যাপিডারমা ইত্যাদি।
  • অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন: এদের শরীরে বিভিন্ন পেরিহিমালতন্ত্র বা কাঠামো বিদ্যমান যা তাদের চলাচল, শ্বাসপ্রশ্বাস ও স্বনির্ভরতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।