লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

চন্দ্রশেখর সীমা হলো একটি নক্ষত্রের ভরের সর্বোচ্চ সীমা। এই সীমার উপরে কোনো নক্ষত্রের ভর থাকলে তার জীবনের অন্তিম পরিণতি ভিন্ন হয়। ভারতীয় বিজ্ঞানী সুব্রাহ্মণ্যন চন্দ্রশেখর এই সীমা নির্ধারণ করেন।
নক্ষত্রের ভর চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে কম বা বেশি হওয়ার উপর নির্ভর করে তার পরিণতি কী হবে। নিচে একটি টেবিলে বিষয়টি দেখানো হলো:
| নক্ষত্রের ভর | সম্ভাব্য পরিণতি | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে কম ( < 1.44 M☉ ) | শ্বেত বামন (White Dwarf) 💫 | ছোট, অত্যন্ত ঘন এবং ধীরে ধীরে শীতল হয়। |
| চন্দ্রশেখর সীমার কাছাকাছি ( ≈ 1.44 M☉ ) | নিউট্রন তারা (Neutron Star) 🌟 | আরও ছোট এবং ঘন, শুধু নিউট্রন দিয়ে গঠিত। |
| চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে অনেক বেশি ( > 1.44 M☉ ) | কৃষ্ণ বিবর (Black Hole) ⚫ | অত্যন্ত শক্তিশালী মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র, আলো পর্যন্ত পালাতে পারে না। |
যদি কোনো নক্ষত্রের ভর চন্দ্রশেখর সীমার চেয়ে অনেক বেশি হয়, তবে তার ভেতরের চাপ মহাকর্ষীয় পতন ঠেকাতে ব্যর্থ হয়। এর ফলে নক্ষত্রটি সংকুচিত হতে শুরু করে এবং একটি কৃষ্ণ বিবরে (Black Hole) পরিণত হয়।
সতর্কতা: কৃষ্ণবিবর এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে একটি রহস্যময় বিষয়। 🤔
আশা করি, চন্দ্রশেখর সীমা এবং নক্ষত্রের পরিণতি স???্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পেরেছি। 😊