টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

নিষেক প্রক্রিয়ার সময় যদি একের অধিক পুংগ্যামেট ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে সে ক্ষেত্রে কোন ধরণের ভ্রুণ সৃষ্টি হয়?

A. হ্যাপ্লয়েড ভ্রুণ
B. ডিপ্লয়েড ভ্রুণ
C. পলিপ্লয়েড ভ্রূণ
D. ডাবল হ্যাপ্লয়েড ভ্রূণ
সঠিক উত্তরঃ C. পলিপ্লয়েড ভ্রূণ
Explanation:

Another Explanation (5):

নিষেক এবং পলিপ্লয়েড ভ্রূণ 🧬

নিষেক একটি জটিল প্রক্রিয়া। সাধারণত, একটি ডিম্বাণু (ovum) শুধুমাত্র একটি শুক্রাণু (sperm) দ্বারা নিষিক্ত হয়। কিন্তু, বিরল ক্ষেত্রে, একাধিক শুক্রাণু ডিম্বাণুতে প্রবেশ করতে পারে। এই অবস্থাকে পলিস্পার্মি (Polyspermy) বলা হয়।

পলিস্পার্মির প্রকারভেদ

  • শারীরবৃত্তীয় পলিস্পার্মি (Physiological Polyspermy): কিছু প্রাণীতে (যেমন: কিছু সরীসৃপ, পাখি) এটি স্বাভাবিক। এখানে একাধিক শুক্রাণু প্রবেশ করলেও একটি বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি মাত্র শুক্রাণুর নিউক্লিয়াস ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসের সাথে মিলিত হয়।
  • প্যাথলজিক্যাল পলিস্পার্মি (Pathological Polyspermy): যখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে একাধিক শুক্রাণু ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে এবং অস্বাভাবিক ভ্রূণ সৃষ্টি করে। মানুষের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত দেখা যায় না।

একের অধিক পুংগ্যামেট প্রবেশ করলে যা ঘটে 🤔

যদি নিষেক প্রক্রিয়ার সময় একের অধিক পুংগ্যামেট ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে, তবে যে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়, তাকে পলিপ্লয়েড ভ্রূণ (Polyploid embryo) বলা হয়।

পলিপ্লয়েডি কী?

পলিপ্লয়েডি হলো যখন একটি কোষের মধ্যে ক্রোমোসোমের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। মানুষের ক্ষেত্রে, স্বাভাবিক কোষে ২৩ জোড়া (২n=৪৬) ক্রোমোসোম থাকে। কিন্তু পলিপ্লয়েড কোষে এই সংখ্যা ৩n (৬৯), 4n (৯২) বা তার বেশি হতে পারে।

পলিপ্লয়েড ভ্রূণের পরিণতি 😔

পলিপ্লয়েড ভ্রূণ সাধারণত বাঁচে না। এটি গর্ভপাতের (miscarriage) অন্যতম কারণ। কারণ অতিরিক্ত ক্রোমোসোমগুলোর কারণে ভ্রূণের স্বাভাবিক বিকাশ ব্যাহত হয়।

পলিপ্লয়েডি কেন হয়? 🤷‍♀️

পলিপ্লয়েডি হওয়ার কয়েকটি কারণ নিচে উল্লেখ করা হলো:

  1. ডিম্বাণু বা শুক্রাণু তৈরির সময় অস্বাভাবিক বিভাজন (meiosis)।
  2. নিষেক প্রক্রিয়ায় ত্রুটি।
  3. রাসায়নিক বা তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব।

পলিপ্লয়েডি এবং রোগ 🤒

পলিপ্লয়েডি বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। নিচে কয়েকটি উদাহরণ দেওয়া হলো:

রোগের নাম কারণ লক্ষণ
ট্রিপ্লয়েডি (Triploidy) একটি ডিম্বাণু দুটি শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে অথবা ডিম্বাণু বা শুক্রাণুর মায়োসিস বিভাজনে সমস্যা হলে। মারাত্মক জন্মগত ত্রুটি, প্রায়শই গর্ভপাত হয়ে যায়।
টেট্রাপ্লয়েডি (Tetraploidy) কোষ বিভাজনের সময় ক্রোমোসোম আলাদা না হলে। মারাত্মক ত্রুটিপূর্ণ ভ্রূণ, গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে গর্ভপাত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

ভ্রূণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে নিষেক প্রক্রিয়ার সঠিকতা এবং গ্যামেটগুলোর স্বাভাবিক বিভাজন অত্যন্ত জরুরি। ❤️