টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

হেপারিন নিঃসরণ হয় কোন রক্তকণিকা থেকে ?

A. ইওসিনোফিল
B. বেসোফিল
C. মনোসাইট
D. নিউট্রোফিল
সঠিক উত্তরঃ B. বেসোফিল
Explanation:

Another Explanation (5):

হেপারিন নিঃসরণকারী রক্তকণিকা: বেসোফিল 🩸

হেপারিন একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট যা রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। এটি মূলত বেসোফিল নামক এক প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা থেকে নিঃসৃত হয়। নিচে এ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

বেসোফিল কী? 🤔

  • বেসোফিল হলো গ্রানুলোসাইট নামক শ্বেত রক্তকণিকার একটি প্রকার।
  • এগুলো রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • বেসোফিলের সাইটোপ্লাজমে বড় বড় গ্রানুল থাকে, যেখানে হেপারিন ও হিস্টামিন জমা থাকে।

হেপারিনের উৎস 📍

  1. বেসোফিল: প্রধান উৎস হলো বেসোফিল।
  2. মাস্ট সেল: কিছু ক্ষেত্রে মাস্ট সেল থেকেও হেপারিন নিঃসৃত হতে পারে।

হেপারিনের কাজ ⚙️

  • রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। 🩸🚫
  • ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিনে রূপান্তরিত হতে বাধা দেয়।
  • থ্রম্বোসিস (রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা) প্রতিরোধ করে।

বেসোফিলের কার্যাবলী 🧬

  1. অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ায় অংশ নেয়। 🤧
  2. পরজীবীর সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। 🐛
  3. প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 🔥

হেপারিন নিঃসরণের প্রক্রিয়া 🧪

যখন কোনো প্রদাহ বা অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হয়, তখন বেসোফিল সক্রিয় হয় এবং হেপারিন নিঃসরণ করে। এই প্রক্রিয়াটি IgE অ্যান্টিবডি এবং অন্যান্য রাসায়নিক সংকেতের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।

টেবিল: বেসোফিল এবং হেপারিন 📊

বৈশিষ্ট্য বেসোফিল হেপারিন
প্রকার শ্বেত রক্তকণিকা (গ্রানুলোসাইট) গ্লাইকোস্যামিনোগ্লাইকান
উৎপাদনস্থল অস্থিমজ্জা বেসোফিলের গ্রানুল
কাজ রোগ প্রতিরোধ, প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ℹ️

  • হেপারিন একটি বহুল ব্যবহৃত ওষুধ যা থ্রম্বোসিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 💊
  • বেসোফিলের সংখ্যা বৃদ্ধি বা হ্রাস বিভিন্ন রোগের নির্দেশক হতে পারে। ⚠️

আশা করি, এই আলোচনা থেকে হেপারিন নিঃসরণকারী রক্তকণিকা সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊

Option A Explanation:
  • সংজ্ঞা: ইওসিনোফিল হলো এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত পরজীবী সংক্রমণ এবং অ্যালার্জি প্রতিরোধে সহায়ক।
  • অবস্থান: ইওসিনোফিল সাধারণত রক্তের মধ্যে ক্ষুদ্র সংখ্যক উপস্থিত থাকে, তবে তাদের সংখ্যা কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বৃদ্ধি পেতে পারে।
  • মূল কাজ: এটি পরজীবী সংক্রমণ, বিশেষ করে প্যারাসাইটের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
  • অন্য শ্বেত কণিকার সাথে তুলনা: সাধারণত, নিউট্রোফিলের সংখ্যা রক্তে সবচেয়ে বেশি হয়, কিন্তু প্রশ্নে ইওসিনোফিলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
Option B Explanation:

বেসোফিলের ব্যাখ্যা

  • প্রকার: এক ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা (White Blood Cell)
  • মূল কাজ: অ্যালার্জি প্রতিরোধ, প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই
  • অন্তঃকোষীয় উপাদান: হিস্টামিন, হেপারিন, এবং অন্যান্য প্রদাহজনক উপাদান নিঃসরণ করে
  • ফ্যাগোসাইটোসিস: সাধারণত এই কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস করে না, তবে প্রদাহের সময় তারা অন্যান্য শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকলাপে সহায়তা করে
Option C Explanation:
  • মনোসাইট: মনোসাইট হলো একটি শ্বেত রক্তকণিকা যা দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
  • এটি মূলত লোহিত রক্তকণিকা ও অন্যান্য শ্বেত রক্তকণিকার মধ্যে বৃহত্তম আকারের হয়।
  • মনোসাইটগুলো সাধারণত রক্তে কিছু সময়ের জন্য থাকে, এরপর টিস্যুতে প্রবেশ করে ম্যাকрофেজে রূপান্তরিত হয়।
  • এগুলি ব্যাকটেরিয়া, ধ্বংসপ্রাপ্ত কোষ, ও অন্যান্য ক্ষতিকর উপাদানসমূহ শোষণ করে ও ধ্বংস করে, ফলে দেহের সংক্রমণ প্রতিরোধে সহায়তা করে।
  • অতএব, মনোসাইটের মাধ্যমে হেপারিন সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান উৎপন্ন হয় বা সংরক্ষিত হয়।
Option D Explanation:
  • নিউট্রোফিল: নিউট্রোফিল হলো একটি ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা যা মূলত ব্যাকটেরিয়া, ফাঙ্গাস, ও অন্যান্য ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করার জন্য দায়ী।
  • এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে, যেখানে এটি ক্ষতিকর জীবাণু বা মৃত কোষগুলোকে শোষণ করে এবং ধ্বংস করে।
  • নিউট্রোফিলের এই কার্যকলাপ ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।