টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

কৃষ্ণ গহ্বর মহাকাশে একটি-

A. অন্ধকার শুণ্যস্থান
B. কৃষ্ণ গর্ত
C. অন্তিম দশার নক্ষত্র 
D. সক্রিয় নক্ষত্র 
সঠিক উত্তরঃ B. কৃষ্ণ গর্ত
Explanation:

কৃষ্ণগহ্বর বা কৃষ্ণ বিবর (ব্ল্যাক হোল নামেও পরিচিত) মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা।এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণগহ্বর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশি হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই পালাতে পারে না। অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রথম তৎকালীন মহাকর্ষের ধারণার ভিত্তিতে কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের বিষয়টি উত্থাপিত হয়।

Another Explanation (5): ```html

কৃষ্ণ গহ্বর: মহাকাশের রহস্যময় দানব 🌌

কৃষ্ণ গহ্বর (Black Hole) মহাকাশের এমন একটি অঞ্চল যেখানে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই বেশি যে আলোসহ কোনো কিছুই এর থেকে পালাতে পারে না। এটি মহাবিশ্বের সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক এবং রহস্যময় বস্তুগুলোর মধ্যে অন্যতম। 🤔

কৃষ্ণ গহ্বরের বৈশিষ্ট্যসমূহ:

  • অত্যধিক ঘনত্ব: কৃষ্ণ গহ্বরের মধ্যে বিশাল পরিমাণ ভর একটি ক্ষুদ্র স্থানে সংকুচিত থাকে।
  • মহাকর্ষীয় টান: এর শক্তিশালী মহাকর্ষীয় টানের কারণে এর কাছাকাছি আসা সবকিছুই এর মধ্যে পতিত হয়। 🕳️
  • আলো নির্গত হয় না: কৃষ্ণ গহ্বর থেকে কোনো আলো বের হতে পারে না, তাই একে সরাসরি দেখা যায় না।
  • ইভেন্ট হরাইজন: কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশের যে সীমানা থেকে কোনো কিছুই পালাতে পারে না, তাকে ইভেন্ট হরাইজন বলে।

কৃষ্ণ গহ্বর কিভাবে তৈরি হয়? 🌟➡️⚫

  1. নক্ষত্রের মৃত্যু: সাধারণত, বিশাল ভরের নক্ষত্রের জীবনকালের শেষ পর্যায়ে কৃষ্ণ গহ্বর তৈরি হয়।
  2. সুপারনোভা বিস্ফোরণ: নক্ষত্রের জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে এটি বিস্ফোরিত হয় (সুপারনোভা)।
  3. অবশিষ্ট কোর: বিস্ফোরণের পরে নক্ষত্রের কোর সংকুচিত হতে থাকে এবং কৃষ্ণ গহ্বরে পরিণত হয় যদি এর ভর যথেষ্ট বেশি হয়।

কৃষ্ণ গহ্বরের প্রকারভেদ:

প্রকার ভর (সূর্য ভরের গুণিতকে) উৎপত্তি উদাহরণ
স্টেলার ব্ল্যাক হোল 3 - 100 বিশাল নক্ষত্রের পতন Cyg X-1
সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল 105 - 1010 গ্যালাক্সির কেন্দ্রে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি Sagittarius A* (আমাদের গ্যালাক্সির কেন্দ্রে)
ইন্টারমিডিয়েট-মাস ব্ল্যাক হোল 100 - 105 সম্ভাব্য নক্ষত্র ক্লাস্টারের সংঘর্ষ কিছু তারার স্তবকের কেন্দ্রে পাওয়া যায়
মাইক্রো ব্ল্যাক হোল (অনুমানিত) খুব ছোট বিগ ব্যাং-এর সময় তৈরি হতে পারে এখনো পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে সনাক্ত করা যায়নি

কৃষ্ণ গহ্বর সনাক্তকরণ: 🤔➡️🔭

  • মহাকর্ষীয় তরঙ্গ: দুটি কৃষ্ণ গহ্বর একত্রিত হওয়ার সময় মহাকর্ষীয় তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, যা শনাক্ত করা যায়।
  • আকর্ষিত গ্যাস এবং ধূলিকণা: কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে গ্যাস এবং ধূলিকণা আকর্ষিত হওয়ার সময় আলো ও তাপ উৎপন্ন হয়, যা পর্যবেক্ষণ করা যায়। 🔥
  • নক্ষত্রের কক্ষপথের পরিবর্তন: কৃষ্ণ গহ্বরের কাছাকাছি থাকা নক্ষত্রের কক্ষপথে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখে এর উপস্থিতি বোঝা যায়।

কৃষ্ণ গহ্বর নিয়ে কিছু মজার তথ্য: 🤩

  • কৃষ্ণ গহ্বর সময়কে ধীর করে দিতে পারে। ⏳
  • ওয়ার্মহোলের ধারণা অনুযায়ী, কৃষ্ণ গহ্বর অন্য কোনো স্থানে যাওয়ার পথ খুলতে পারে (যদিও এটি এখনো প্রমাণিত নয়)। 🕳️➡️🌌
  • স্টিভেন হকিং দেখিয়েছিলেন যে কৃষ্ণ গহ্বর ধীরে ধীরে শক্তি বিকিরণ করতে পারে (হকিং রেডিয়েশন)।

কৃষ্ণ গহ্বর এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভবিষ্যতে হয়তো আমরা এই মহাজাগতিক দানব সম্পর্কে আরও অনেক নতুন তথ্য জানতে পারব। 🚀

আরও জানতে ভিজিট করুন: নাসা ব্ল্যাক হোলস

```