লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

তাপমাত্রা পার্থক্যকে কাজে লাগিয়ে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি চমৎকার উপায় হলো সীবেক প্রভাব। এটি ১৮২১ সালে জার্মান পদার্থবিদ টমাস ইয়োহান সীবেক আবিষ্কার করেন।
দুটি ভিন্ন ধাতব পরিবাহীকে (conductor) এক বর্তনীতে (circuit) যুক্ত করলে এবং সংযোগস্থলগুলোতে ভিন্ন তাপমাত্রা বজায় রাখলে, বর্তনীতে একটি ভোল্টেজ (voltage) তৈরি হয়। এই ঘটনাটিই সীবেক প্রভাব নামে পরিচিত।
সহজ ভাষায়, যখন দুটি ভিন্ন ধাতুর সংযোগস্থলে তাপমাত্রার পার্থক্য সৃষ্টি করা হয়, তখন একটি "থার্মোইলেকট্রিক ভোল্টেজ" তৈরি হয়। এর কারণ হলো:
সীবেক প্রভাবের অনেক ব্যবহারিক প্রয়োগ রয়েছে, তার মধ্যে কয়েকটি নিচে উল্লেখ করা হলো:
কিছু জনপ্রিয় উপাদান যা সীবেক প্রভাবের জন্য ব্যবহৃত হয়:
| উপাদান | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|
| বিসমাথ টেলুরাইড (Bi2Te3) | উচ্চ কার্যকারিতা সম্পন্ন, তবে বিষাক্ত। |
| লিড টেলুরাইড (PbTe) | উচ্চ তাপমাত্রায় ভালো কাজ করে, তবে বিষাক্ত। |
| অ্যান্টিমনি টেলুরাইড (Sb2Te3) | বিসমাথ টেলুরাইডের সাথে ব্যবহার করা হয়। |
সীবেক প্রভাবের কিছু সুবিধা এবং অসুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো:
গবেষণা এবং উন্নয়নের মাধ্যমে, সীবেক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আরও উন্নত থার্মোইলেকট্রিক জেনারেটর তৈরি করা সম্ভব। এর মাধ্যমে বর্জ্য তাপ পুনরুদ্ধার করে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।
আশা করি, এই ব্যাখ্যা থেকে সীবেক প্রভাব সম্পর্কে আপনার ধারণা স্পষ্ট হয়েছে। 😊