লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

সাধারণভাবে, বিশুদ্ধ পানির চেয়ে কোমল পানীয়ের স্ফুটনাঙ্ক বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর কারণগুলো নিচে উল্লেখ করা হলো:
স্ফুটনাঙ্ক হলো সেই তাপমাত্রা, যেখানে কোনো তরল পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হতে শুরু করে। তরলের স্ফুটনাঙ্ক বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে, যার মধ্যে অন্যতম হলো:
বিশুদ্ধ পানিতে শুধুমাত্র H2O অণু থাকে। এর স্ফুটনাঙ্ক সাধারণত 100° সেলসিয়াস (212° ফারেনহাইট)।
কোমল পানীয়তে পানির সাথে চিনি, কার্বন ডাই অক্সাইড, রং এবং অন্যান্য ফ্লেভার মেশানো থাকে। এই দ্রবীভূত পদার্থগুলোর কারণে এর স্ফুটনাঙ্ক বিশুদ্ধ পানির চেয়ে বেশি হয়। চিনি এবং অন্যান্য দ্রবীভূত পদার্থ পানির অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক শক্তি বৃদ্ধি করে, ফলে স্ফুটনের জন্য বেশি তাপের প্রয়োজন হয়।
| বৈশিষ্ট্য | বিশুদ্ধ পানি | কোমল পানীয় |
|---|---|---|
| উপাদান | শুধুমাত্র H2O | পানি + চিনি + কার্বন ডাই অক্সাইড + ফ্লেভার + রং |
| দ্রবীভূত পদার্থ | নেই | আছে |
| স্ফুটনাঙ্ক | 100°C (সাধারণ চাপে) | 100°C এর বেশি (সাধারণ চাপে) |
কোমল পানীয়ের প্রকৃত স্ফুটনাঙ্ক এর উপাদান এবং ঘনত্বের উপর নির্ভর করে। তবে সাধারণভাবে, বিশুদ্ধ পানির চেয়ে এর স্ফুটনাঙ্ক বেশি হবে।
উপরের আলোচনা থেকে এটা স্পষ্ট যে, কোমল পানীয়ের স্ফুটনাঙ্ক বিশুদ্ধ পানির চেয়ে বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দ্রবীভূত পদার্থের উপস্থিতিই এর মূল কারণ। সুতরাং, উত্তর হচ্ছে: কোমল পানীয়।
আশা করি, বুঝতে পেরেছেন! ভালো লাগলে 👍 দিয়েন।