টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

বেকারি ঈস্ট কোনটিকে বলা হয়?

A. Saccharmices cerevisiae
B. Aspergillus flavus
C. Agaricus bisporus
D. Penicillium notatum
সঠিক উত্তরঃ A. Saccharmices cerevisiae
Explanation:

Saccharomyces cerevisiae কে বেকারী ইস্ট বলা হয়। কেননা বেকারিতে পাউরুটি ও কেক তৈরিতে এই ছত্রাক ব্যবহার করা হয়।

Another Explanation (5):

বেকারি ঈস্ট: Saccharomyces cerevisiae 🍞

পরিচিতি

বেকারি ঈস্ট, যার বৈজ্ঞানিক নাম Saccharomyces cerevisiae, এটি একককোষী ছত্রাক। এটি মূলত রুটি, কেক এবং অন্যান্য বেকারি পণ্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এই ঈস্ট শর্করাকে গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অ্যালকোহলে রূপান্তরিত করে, যা বেকারি পণ্যকে ফোলাতে সাহায্য করে। 🥳

বৈশিষ্ট্য

  • কোষের গঠন: গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির একককোষী। 🔬
  • প্রজনন: প্রধানত মুকুলোদগম (budding) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। 🌱
  • শর্করা গ্রহণ: গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, সুক্রোজ এবং মল্টোজ শর্করা গ্রহণ করতে পারে। 🍬
  • তাপ সহনশীলতা: ৩০-৩৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সবচেয়ে ভালো কাজ করে। 🔥

ব্যবহার

  1. বেকারি শিল্প: রুটি, পাউরুটি, কেক, বিস্কুট ইত্যাদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 🍰
  2. মদ তৈরি: অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় যেমন বিয়ার এবং ওয়াইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 🍺
  3. পুষ্টি উপাদান: ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের উৎস হিসেবে খাদ্য সম্পূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 💊
  4. জ্বালানী উৎপাদন: বায়ো-ইথানল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। ⛽

গাঁজন প্রক্রিয়া (Fermentation)

বেকারি ঈস্টের মূল কাজ হল গাঁজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করাকে ভেঙে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এবং ইথানল তৈরি করা। এই কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস আটা বা ময়দার মধ্যে আটকা পড়ে এবং সেটিকে ফোলাতে সাহায্য করে। শর্করা ➡️ ইস্ট ➡️ কার্বন ডাই অক্সাইড + ইথানল (Sugar) ➡️ (Yeast) ➡️ (CO2) + (Ethanol)

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 📊

বৈশিষ্ট্য মান
শ্রেণী ছত্রাক (Fungi)
গণ Saccharomyces
প্রজাতি cerevisiae
আকার ৫-১০ মাইক্রোমিটার

সতর্কতা ⚠️

* কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ঈস্ট অ্যালার্জি হতে পারে। * অতিরিক্ত ঈস্ট গ্রহণ করলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে। 🥴

উপসংহার

Saccharomyces cerevisiae, বা বেকারি ঈস্ট, খাদ্য উৎপাদন এবং অন্যান্য শিল্পে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এর বহুমুখী ব্যবহার এবং সহজলভ্যতা এটিকে বিশেষভাবে প্রয়োজনীয় করে তুলেছে। 👍
Option A Explanation:
  • Saccharomyces cerevisiae একটি ছত্রাকের প্রজাতি।
  • এটি সাধারণত খামির হিসেবে পরিচিত, যা বিভিন্ন ধরনের বেকারি ও অ্যালকোহল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
  • এটি শর্করা (সাধারণত শর্করা বা গ্লুকোজ) ভেঙে অ্যালকোহল এবং কার্বন ডাই অক্সাইড উৎপন্ন করে।
  • বেকারিতে রুটি, বেকড পণ্য, ও অ্যালক??হলীয় পানীয় তৈরিতে এই খামির ব্যবহৃত হয়।
  • এটি পরিবেশে স্বাভাবিকভাবেই পাওয়া যায় এবং খাদ্যশস্য ও ফলমূলের উপর উপস্থিত থাকতে পারে।
Option B Explanation:
  • অ্যস্পারجيلাস ফ্লাভাস (Aspergillus flavus): এটি একটি ছত্রাক যা মূলত খাদ্য ও চাষের সামগ্রীতে পাতা ও শস্যের উপর বৃদ্ধি পায়।
  • এটি আফ্লাটক্সিন নামে বিষাক্ত যৌগ তৈরি করে, যা খাদ্যদ্রব্যের মধ্যে প্রবেশ করে মানব ও পশুর স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে।
  • বিশেষ করে শস্য, যেমন ভুট্টা, বাদাম ও গমে এটি বৃদ্ধি পায় এবং খাদ্যশস্যের মানহানি ঘটায়।
  • আফ্লাটক্সিনের কারণে ফসলের ক্ষতি হয় এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হয় কৃষকদের।
Option C Explanation:
  • নাম: Agaricus bisporus
  • পরিচিতি: এটি একটি জনপ্রিয় খাওয়ার ছত্রাক, যা সাধারণত বাজারে পাওয়া যায়।
  • প্রকার: এটি একটি মূলত সন্ধিক্ষেত্রের ছত্রাক, যেটি বিভিন্ন ধরণের রান্নায় ব্যবহৃত হয়।
  • উৎপত্তি: এটি মূলত ইউরোপীয় দেশগুলিতে জন্মে, তবে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়।
  • খাবার হিসেবে ব্যবহৃত: হ্যাঁ, এটি বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহৃত হয় এবং পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ।
Option D Explanation:
  • Penicillium notatum হলো এক প্রকার ছত্রাক যা মূলত অর্গানিক উপাদান পুনঃচক্রণে সহায়ক।
  • এটি সাধারণত ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে পেনিসিলিন উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • তবে, এটি ফলের উপর ছত্রাকের আক্রমণে কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, বিশেষ করে ফলের সংরক্ষণে।
  • এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায??? এবং বিভিন্ন ফলের উপর ছত্রাকের দাগ সৃষ্টি করতে সক্ষম।
  • সাধারণত, এই ছত্রাক ফলের ক্ষতি করে এবং ফলের স্বাদ ও গুণমান নষ্ট করে দিতে পারে।