লগইন করুন
আমাদের ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা পেতে লগইন করুন
আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।
কঠিন যৌগের বিশুদ্ধকরণের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, তবে আংশিক পাতন তাদের মধ্যে অন্যতম নয়। নিচে এর কারণ ব্যাখ্যা করা হলো:
কঠিন যৌগ বিশুদ্ধ করার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়:
| পদ্ধতির নাম | বর্ণনা | উপযুক্ততা |
|---|---|---|
| ক্রিস্টালাইজেশন (Crystallization) 💎 | একটি উপযুক্ত দ্রাবকে কঠিন যৌগটিকে দ্রবীভূত করে ধীরে ধীরে ঠান্ডা করা হয়, ফলে বিশুদ্ধ কঠিন কেলাস (Crystal) আকারে আলাদা হয়ে যায়। | অধিকাংশ কঠিন যৌগের জন্য প্রযোজ্য। |
| সাবলিমেশন (Sublimation) 💨 | কিছু কঠিন পদার্থকে উত্তপ্ত করলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, যা ঠান্ডা হয়ে আবার কঠিন পদার্থে রূপান্তরিত হয়। এই প্রক্রিয়ায় ভেজাল দূর করা যায়। | যেসব কঠিন পদার্থ সরাসরি বাষ্পে পরিণত হতে পারে তাদের জন্য প্রযোজ্য। যেমন: কর্পূর, ন্যাপথলিন। |
| বর্ণালী লিখন (Chromatography) 🌈 | মিশ্রণের উপাদানগুলোকে তাদের বিভিন্ন দ্রাব্যতা এবং শোষণের ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে আলাদা করা হয়। | জটিল মিশ্রণ থেকে অল্??? পরিমাণে উপাদান পৃথক করার জন্য খুবই উপযোগী। |
মনে করুন, আপনার কাছে ভেজালযুক্ত বেনজোয়িক অ্যাসিড (Benzoic acid) রয়েছে। এক্ষেত্রে, আপনি ক্রিস্টালাইজেশন পদ্ধতির মাধ্যমে এটিকে বিশুদ্ধ করতে পারেন। প্রথমে বেনজোয়িক অ্যাসিডকে গরম পানিতে দ্রবীভূত করুন এবং ধীরে ধীরে ঠান্ডা করুন। বিশুদ্ধ বেনজোয়িক অ্যাসিড কেলাস আকারে আলাদা হয়ে যাবে। ❄️
আশা করি, কঠিন যৌগের বিশুদ্ধকরণে কেন আংশিক পাতন ব্যবহার করা হয় না, তা এখন স্পষ্ট হয়েছে। 👍