Explanation:
Ginkgo biloba নামক একটি মাত্র প্রজাতি Ginkgophyta র অন্তর্ভুক্ত বাকি সবই বিলুপ্ত। Ginkogo biloba একটি জীবন্ত ফসিল।
Option A Explanation:
Gnetum montenum একটি জীবন্ত ফসিল হিসেবেও পরিচিত।
এটি Gnetophyta শাখার অন্তর্গত একটি গাছ, যা জৈববৈচিত্র্য ও ভূগোলের বিভিন্ন অংশে পাওয়া যায়।
প্রাচীন গ্রীক সময় থেকেই এই প্রজাতির গাছের অস্তিত্ব জানা যায়, যা প্রাচীন গাছের বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছে।
এটি ফুল দিয়ে বিভাজিত হয় এবং এর কাঠামো অন্যান্য আধুনিক গাছের মতোই।
বিশেষ করে এর গঠন ও বৈশিষ্ট্য প্রাচীন গাছের মতো হওয়ার কারণে এটি জীবন্ত ফসিল হিসেবে বিবেচিত।
Option B Explanation:
নাম: Gnetum oblogum
প্রজাতি: Gnetum genus এর অন্তর্ভুক্ত
অবস্থান: মূলত ট্রপিকাল অঞ্চলে পাওয়া যায়, বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকায়
বৈশিষ্ট্য: এটি একটি ঝোপঝাড় বা ছোট গাছ, যা ফুল ফোটাতে সক্ষম
জীবন্ত ফসিল হিসেবে বিবেচিত: হুবহু প্রাচীন প্রজাতির সাথে সদৃশ হওয়ার কারণে, এটি জীবন্ত ফসিল হিসেবে বিবেচিত হয়, যা প্রাচীন সময়ের গাছের বৈশিষ্ট্য ধারণ করে
Option C Explanation:
Ginkgo biloba হল একটি প্রাচীন জীবন্ত জীবাশ্ম, যা প্রায় ২২৫ মিলিয়ন বছর পুরনো
এটি গিঙ্কগো পরিবারের একমাত্র বর্তমান প্রজাতি
প্রাচীন গ্রীক ও চীনা সংস্কৃতিতে এটি খুবই মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ
এটি একটি বৃক্ষ, যা সাধারণত গাঢ় সবুজ পাতা এবং দীর্ঘস্থায়ী জীবনের জন্য পরিচিত
অন্য জীবন্ত জীবাশ্মের মতো, Ginkgo biloba এর গঠন ও বৈশিষ্ট্য প্রাচীন সময়ের জীবনের প্রতিনিধিত্ব করে
Option D Explanation:
নাম: Podocarpus macrophyllus
বৈশিষ্ট্য: এটি একটি পার্বত্য জলবায়ু এবং উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বার্ষিক শীতল ও আর্দ্র পরিবেশে পাওয়া একটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গবিশিষ্ট বৃক্ষ।
প্রকার: এটি একটি পতিতবৃক্ষ বা ঋতুচক্রবিশিষ্ট অঙ্গপ্রত্যঙ্গবিশিষ্ট গাছ।
জীবন্ত ফসিল হিসেবে বিবেচিত কারণ: এটি প্রাচীন যুগের গাছের অবশেষ, যা প্রাকৃতিক ইতিহাসের অনেক পুরোনো সময় থেকে দেখা যায় এবং আধুনিক যুগেও একই রূপে টিকে আছে।
শারীরিক গঠন: এর পাতা লম্বা, সিলিন্ডার আকৃতির এবং সবুজ রঙের। এর কাঠের গঠন শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী।