টিউটোরিয়াল / গাইডলাইন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড
Google Play
GET IT ON Google Play
StudyClub - স্মার্ট স্টাডি প্ল্যাটফর্ম - Study Tracker - App Blocker - Reading Room
মেনু
Self Tracker
Messenger
Question Bank
Study User Report
Session Report
To do list Report
Study Leaderboard
Screen Time Leaderboard
Public Dashboard
Quiz Creator
Quiz Leaderboard
হোম
Profile
About
Tutorials
থিম নির্বাচন

আপনার পছন্দের থিম বেছে নিন।

লিনিয়াসের লিখিত Systema Naturae  বইটি কোন বিষয়ক?

A. ইকোলজি
B. ট্যাক্সোনমি
C. এনাটমি
D. ফিজিওলজি
E. রিপ্রোডাক্টিভ বায়োলজি
সঠিক উত্তরঃ B. ট্যাক্সোনমি
Explanation:

Another Explanation (5): ```html

Systema Naturae: ক্যারোলাস লিনিয়াসের অমর কীর্তি 🌿

Systema Naturae ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carl Linnaeus) কর্তৃক লিখিত একটি যুগান্তকারী বই। এটি মূলত জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাস তথা ট্যাক্সোনমি (Taxonomy) নিয়ে আলোচনা করে। বইটি ১৭৩৫ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর জীববিজ্ঞানের জগতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। 🤯

Systema Naturae-এর মূল বিষয়বস্তু 🧐

  • দ্বিপদ নামকরণ (Binomial Nomenclature): লিনিয়াসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবকে দুটি পদবিশিষ্ট একটি বিজ্ঞানসম্মত নাম দেওয়া হয়, যেখানে প্রথম পদটি হলো গণ (Genus) এবং দ্বিতীয় পদটি হলো প্রজাতি (Species)। যেমন: Homo sapiens (মানুষ)। 🧍‍♂️🧍‍♀️
  • শ্রেণীবিন্যাসের স্তর (Hierarchical Classification): লিনিয়াস জীবজগতকে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করেছেন। এই স্তরগুলো হলো: জগৎ (Kingdom), বর্গ (Class), বর্গ (Order), গোত্র (Family), গণ (Genus) এবং প্রজাতি (Species)। 🌳🐾🦋🐞
  • বৈশিষ্ট্যভিত্তিক শ্রেণীবিন্যাস: লিনিয়াস জীবের বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য এবং গঠনগত মিলের উপর ভিত্তি করে তাদের শ্রেণীবিন্যাস করেন।

শ্রেণীবিন্যাসের স্তরগুলোর উদাহরণ 📚

স্তর উদাহরণ (মানুষ)
জগৎ (Kingdom) Animilia (প্রাণী) 🦁
পর্ব (Phylum) Chordata (মেরুদণ্ডী) 척추 동물
শ্রেণী (Class) Mammalia (স্তন্যপায়ী) 젖먹이 동물 🐄
বর্গ (Order) Primates (নরবানর) 영장류 🐒
গোত্র (Family) Hominidae (মানুষের গোত্র) 사람 과 🧑‍🤝‍🧑
গণ (Genus) Homo (মানুষ)
প্রজাতি (Species) Homo sapiens (আধুনিক মানুষ)

Systema Naturae-এর গুরুত্ব 🌟

  1. এটি জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাসের একটি সুস্পষ্ট কাঠামো প্রদান করে। ✅
  2. দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে জীবের নামকরণে একটি আন্তর্জাতিক মান তৈরি করে। 🌍
  3. জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে যোগাযোগ এবং গবেষণার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 🤝
  4. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। 🏞️

পরিশেষে, বলা যায় Systema Naturae জীববিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। ক্যারোলাস লিনিয়াসের এই অবদান জীবজগতকে জানতে ও বুঝতে আমাদের পথ দেখিয়ে চলেছে। 🙏

আরও জানতে ভিজিট করুন: উইকিপিডিয়া 📚

```
Option A Explanation:
  • ইকোলজি হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা জীবজন্তু, উদ্ভিদ, শৈবাল, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদির পারস্পরিক সম্পর্ক, পরিবেশের সাথে তাদের অভিযোজন ও পারিপার্শ্বিক প্রভাব বিশ্লেষণ করে।
  • এটি প্রাকৃতিক পরিবেশে জীবদের বাসস্থান, খাদ্যচক্র, প্রজনন এবং সামাজিক কার্যক্রমের অধ্যয়ন করে।
  • ইকোলজি জীবের খাদ্য শৃঙ্খল, বাসস্থান, জৈববৈচিত্র্য ও পরিবেশের উপর জীবের প্রভাব বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
  • এটি পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়ক হয় এবং জীব-বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে।
Option B Explanation:
  • ট্যাক্সোনমি হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা যা বিভিন্ন জীবের শ্রেণীবিন্য??স ও নামকরণ নিয়ে কাজ করে।
  • এটি জীবের বিভিন্ন প্রজাতি, পরিবার, অর্ডার, শ্রেণী ইত্যাদির মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
  • ট্যাক্সোনমি বিজ্ঞানীরা জীবের বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে তাদের শ্রেণীবদ্ধ করেন।
  • উদাহরণস্বরূপ, এটি মাছ, পাখি, স্তন্যপায়ী ইত্যাদি শ্রেণীতে বিভক্ত করার কাজ করে।
  • এটি জীবের বৈচিত্র্য ও প্রজনন সম্পর্ক বোঝার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।
Option C Explanation:
  • এনাটমি হলো জীবের অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন ও বিন্যাসের অধ্যয়ন।
  • এটি জীবের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের অবস্থান, আকার ও গঠন সম্পর্কিত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে।
  • এনাটমির মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক কাঠামো সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জিত হয়।
  • এটি চিকিৎসা, জীববিজ্ঞান এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিকাশ বিষয়ক গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।
Option D Explanation:
  1. ফিজিওলজি বা শারীরবিজ্ঞান হলো জীবের জীববৈজ্ঞানিক কার্যকলাপ ও প্রক্রিয়াগুলোর অধ্যয়ন।
  2. এটি জীবের দেহের গঠন, কাজকর্ম, ও অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া যেমন শ্বাসপ্রশ্বাস, রক্ত সঞ্চালন, হরমোন নিঃসরণ ইত্যাদির বিশ্লেষণ করে।
  3. ফিজিওলজি জীবের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের স্থিতিশীলতা এবং বাহ্যিক প্রভাবের সাথে তার সম্পর্ক বোঝায়।
  4. এটি জীবের স্বাভাবিক কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সম্পর্কিত বিজ্ঞান।
Option E Explanation:
  • রিপ্রোডাক্টিভ বায়োলজি: এটি জীবের প্রজনন ও প্রজননের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিজ্ঞান শাখা।
  • এটি জীবের জন্ম, গঠন, বিকাশ, প্রজনন প্রক্রিয়া এবং প্রজনন সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
  • প্রজনন কৌশল, প্রজনন স্থানে, প্রজনন সময়, প্রজনন উপকরণ, এবং প্রজননের বিভিন্ন পদ্ধতি এর অন্তর্ভুক্ত।
  • উদাহরণস্বরূপ, শুক্রাণু ও ডিমের উৎপত্তি, গর্ভধারণ, শিশুর জন্ম, এবং পরবর্তী প্রজনন প্রক্রিয়া এই শাখার আলোচ্য বিষয়।
  • এটি জীবের প্রজনন বৈচিত্র্য ও প্রজনন সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে জীবের বংশবৃদ্ধি ও টিকে থাকার উপায় ব্যাখ্যা করে।